1. dailyamarsongram71@gmail.com : Abu Yusuf : Abu Yusuf
  2. admin@dailyamarsongram.com : admin :
  3. shoyebmahmud08@gmail.com : Abul Kalam : Abul Kalam
  4. kazimaviation@gmail.com : Office Staff : Office Staff
  5. akazzad1@gmail.com : Abul Kalam : Abul Kalam
August 13, 2026, 7:45 am
শিরোনাম :
তরফপুর ইউনিয়ন বিজ্ঞান ক্লাব ও পাঠাগারের উদ্দ্যোগে মেধা অন্বেষণ বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৪ এর চলছে রেজিষ্ট্রেশন। মহান বিজয় দিবস ও ও বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে সরোয়ার্দী উদ্যানে আলোচনা সভা। ‎শ্রীপুর পৌরসভায় অনিয়মের অভিযোগ,প্রশ্নের মুখে নির্বাহী প্রকৌশলী। গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ বদরুল আলম খানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের চুয়াডাঙ্গার নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ দেলোয়ার হোসেনকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি বিভিন্ন ধরনের অপ-প্রচার যাহা নিন্দনীয়। বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর গর্ব সিলেট মহানগর মোগলাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনির হোসেন এর বিরুদ্ধে  স্বার্থান্বেষী মহলর গভীর ষড়যন্ত্র।  জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠা নিয়ে অপপ্রচার: অভিযোগ ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রমূলক। দুর্নীতিমুক্ত কৃষি বিভাগ গড়ে তোলার কারিগর সততা ও কর্মঠ এক অনন্য দৃষ্টান্ত নেত্রকোণার কৃষি কর্মকর্তা দেওয়ান আসাদুজ্জামান খান। ঠাকুরগাঁও জেলার জেলা রেজিস্ট্রার হেলাল উদ্দিন এর মতো একজন সৎ, কর্মঠ ও নীতিবান কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো অত্যন্ত নিন্দনীয়। অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ এনামউল্যার যোগ্য ও দক্ষ নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়টি দেশের অন্যতম শীর্ষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। একটি মহল তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। কেরানীগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসের উচ্চমান সহকারী মোহাম্মদ মোশারফ হোসেনের বিরুদ্ধে  একটি সংঘবদ্ধ চক্ররা মিথ্যা তথ্য দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে।  চুয়াডাঙ্গা জেলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর এর নির্বাহী প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন এর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র মূলক অপপ্রচার।তিনি সৎ ও নিষ্ঠাবান।

‎শ্রীপুর পৌরসভায় অনিয়মের অভিযোগ,প্রশ্নের মুখে নির্বাহী প্রকৌশলী।

  • সময়: Thursday, August 13, 2026
  • 2 View



‎নিজস্ব প্রতিনিধি :

‎গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার স্ট্রিট লাইট স্থাপন প্রকল্পের দরপত্র প্রক্রিয়ায় পূর্ব পরিচিত পছন্দের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে শ্রীপুর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী সাহেদ ও তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, সম্প্রতি পৌরসভার স্ট্রিট লাইট স্থাপনের একটি প্রকল্পের প্রাক্কলিত মূল্য ধরা হয় প্রায় ১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। গত ৫ এপ্রিল ২০২৬ ইং তারিখে ই-জিপিতে (e-GP) দরপত্রটি উন্মুক্ত করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্টদের পছন্দের প্রতিষ্ঠান Energion Bangladesh Ltd. দরপত্রে প্রাক্কলিত মূল্যের তুলনায় অতিরিক্ত দর প্রদান করায় প্রতিষ্ঠানটি বাদ পড়ে।
‎এরপর ওই দরপত্র বাতিল করে পুনরায় দরপত্র আহ্বান করা হয়। গত ১৯ জুলাই ২০২৬ ইং তারিখে পুনরায় দরপত্র উন্মুক্ত করা হলে ই-জিপি মূল্যায়নে Energion Bangladesh Ltd. ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে বলে জানা যায়। তবে অভিযোগ উঠেছে, ষষ্ঠ অবস্থানে থাকা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটিকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। জানা যায়, একটি বিশাল সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী ও সহকারি প্রকৌশলী।  ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে তারা মোটা অংকের টাকাও হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ আছে ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী সাহেদ ও তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা মিলে একটি বিশাল সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। তাদের মাধ্যমে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ পছন্দের ঠিকাদারদের পাইয়ে দেওয়া এবং এর বিনিময়ে মোটা অঙ্কের কমিশন নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
‎এদিকে স্থানীয় পর্যায়ে জনমুখে আরও জানা যায়, নির্বাহী প্রকৌশলী সাহেদের সঙ্গে উক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অলিখিত অংশীদারিত্ব রয়েছে। অন্যদিকে, তথ্য অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, সহকারী প্রকৌশলী তানভীরের বিরুদ্ধেও উক্ত স্ট্রিট লাইট প্রকল্পের কাজ Energion Bangladesh Ltd.-কে পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেন , সহকারী প্রকৌশলী,তানভীর, বদলি হওয়ার পরও তিনি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে প্রতিষ্ঠানটিকে কাজটি পাইয়ে দেওয়ার বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন।
‎অভিযোগকারীদের প্রশ্ন, ই-জিপি মূল্যায়নে ষষ্ঠ অবস্থানে থাকা একটি প্রতিষ্ঠান কীভাবে পুনরায় আহ্বান করা দরপত্রে কাজ পাওয়ার জন্য অগ্রাধিকার পাচ্ছে। এ নিয়ে দরপত্রের মূল্যায়ন প্রক্রিয়া, কারিগরি ও আর্থিক যোগ্যতা এবং পুনঃদরপত্র আহ্বানের কারণ নিয়ে স্বচ্ছ তদন্তের দাবি উঠেছে। এছাড়াও তালিকায় ১ম থেকে ৫ম অবস্থানে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো অভিজ্ঞতা, সক্ষমতা ও পূর্ববর্তী কাজের মানের দিক থেকে ভালো হওয়া সত্ত্বেও ৬ষ্ঠ অবস্থানে থাকা প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়ার সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হলো—এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।”

‎এ বিষয়ে শ্রীপুর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী সাহেদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগগুলোকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন। তিনি জানান, প্রকল্পটির টেন্ডার এখনো কোনো প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে আরও জানতে চাইলে তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

‎ই-জিপির সম্পূর্ণ দরপত্র নথি, মূল্যায়ন প্রতিবেদন, দরপত্র বাতিলের কারণ এবং পরবর্তী কার্যক্রম খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ১ম থেকে ৫ম অবস্থানে থাকা যোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাদ দিয়ে ৬ষ্ঠ অবস্থানে থাকা পূর্বপরিচিত পছন্দের প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে কাজ দেওয়ার গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন।

‎এ বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সদয় হস্তক্ষেপের মাধ্যমে বিষয়টির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রত্যাশা করছি।

0Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত ও সর্বস্বত্ত সংরক্ষিত।

Theme Customized By BreakingNews