মো. নাজমুল হাসান, বিশেষ প্রতিনিধি:
প্রশাসনিক দক্ষতা, সততা এবং সুশাসনের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ৩৫তম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের কর্মকর্তা রেজওয়ানা কবির। গোপালগঞ্জ সদর পৌরসভার প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে নাগরিক সেবা নিশ্চিতকরণ এবং নগর প্রশাসনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে তাঁর পেশাদার ভূমিকা সর্বমহলে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হচ্ছে।
একদিকে জেলা প্রশাসনের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদের গুরুদায়িত্ব, অন্যদিকে পৌরসভার নাগরিক সেবার তদারকি—সবক্ষেত্রেই তিনি দেখিয়েছেন প্রজ্ঞা ও নিয়মনিষ্ঠার স্বাক্ষর। বর্তমানে তিনি একাধারে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম), অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ বিভাগ) এবং উপপরিচালক (স্থানীয় সরকার) হিসেবে সুনামের সাথে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। প্রতিটি পদেই সরকারি বিধিবিধানের কঠোর প্রয়োগ, স্বচ্ছতা এবং জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করে চলেছেন এই কর্মকর্তা।
নাগরিক সেবায় গতিশীলতা ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা
রেজওয়ানা কবিরের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে গোপালগঞ্জ সদর পৌরসভার সার্বিক দাপ্তরিক কাজ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানে নতুন গতি ফিরে এসেছে। প্রশাসনিক লালফিতার দৌরাত্ম্য কমিয়ে আমূল পরিবর্তন আনা হয়েছে সেবা প্রদান প্রক্রিয়ায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, সরকারি নিয়মনীতি মেনে দ্রুততম সময়ে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে তিনি গভীর আস্থা ও ভালোবাসার স্থান তৈরি করেছেন।
সুশীল সমাজ ও এলাকাবাসীর প্রত্যাশা
পৌর এলাকার সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং সাধারণ নাগরিকদের ভাষ্য, রেজওয়ানা কবিরের কর্মতৎপরতা ও নিয়মিত নজরদারির ফলে পৌরসভার সেবার মান লক্ষণীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সততা ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসনিক ব্যবস্থার যে ভিত তিনি তৈরি করেছেন, তা বজায় রাখতে তিনি যেন আরও দীর্ঘসময় এই পৌরসভার দায়িত্বে থাকেন—এমনটাই জোর দাবি স্থানীয়দের।
প্রশাসনিক কঠোরতার পাশাপাশি মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং সততার ব্রত নিয়ে রেজওয়ানা কবির গোপালগঞ্জের সর্বস্তরের মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। তাঁর এই কর্মনিষ্ঠা কেবল গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসনকেই সমৃদ্ধ করেনি, বরং সিভিল সার্ভিসের ভাবমূর্তিও উজ্জ্বল করেছে।
Leave a Reply