নিজস্ব প্রতিবেদক: ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) শহীদ আতাহার হোসেন একজন অভিজ্ঞ সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি।
চাকরিজীবনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকলেও কোনো রাজনৈতিক সরকারের আমলে ক্ষমতার অপব্যবহার কিংবা অনৈতিক প্রভাব বিস্তারের সঙ্গে তিনি জড়িত ছিলেন-এমন কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। বরং যে প্রতিষ্ঠানেই দায়িত্ব পালন করেছেন, সেখানেই সরকারি বিধিবিধান অনুসরণ করে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছেন বলে তার সহকর্মীদের অনেকে জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, শহীদ আতাহার হোসেনের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন বা দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে আলোচনা থাকলেও যাচাইযোগ্য তথ্য-প্রমাণ ছাড়া এসব অভিযোগকে সত্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। তার সম্পদের বিষয়ে কোনো নিরপেক্ষ অনুসন্ধান বা তদন্তে অনিয়ম প্রমাণিত হয়েছে-এমন তথ্যও পাওয়া যায়নি বলে সংশ্লিষ্ট মহল দাবি করেছে।
বিশেষ করে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে বিভিন্ন সময়ে নানা ধরনের অভিযোগ ও আলোচনা থাকলেও শহীদ আতাহার হোসেনের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যে সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। সরকারি নিয়োগে তার বিরুদ্ধে কোনো অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে কি না, সে বিষয়েও সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রয়োজন।
এদিকে একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে সামাজিক ও পেশাগতভাবে তাকে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, ব্যক্তিগত স্বার্থে কিংবা প্রশাসনিক কোনো সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে একটি মহল তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে যেকোনো অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। একই সঙ্গে প্রমাণ ছাড়া কোনো সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার না চালানোর আহ্বানও জানিয়েছেন তারা।
দীর্ঘ সরকারি চাকরিজীবনে একজন কর্মকর্তার সততা ও কর্মদক্ষতার মূল্যায়ন হওয়া উচিত তার দায়িত্ব পালনের রেকর্ড, সরকারি নথি এবং যাচাইযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে। শহীদ আতাহার হোসেনের ক্ষেত্রেও অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের বাইরে নিরপেক্ষ যাচাইয়ের মাধ্যমেই প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। চলবে….
Leave a Reply