বিশেষ প্রতিনিধি: শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের চুয়াডাঙ্গার নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ দেলোয়ার হোসেনকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি বিভিন্ন ধরনের অপ-প্রচার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি,এসব অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা প্রয়োজন এবং কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে যাচাই- ছাড়া তথ্য প্রকাশ করা উচিত নয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, কোনো সরকারি কর্মকর্তার সম্পর্কে অভিযোগ উত্থাপিত হলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তদন্ত হওয়াই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দোষী বা নির্দোষ হিসেবে চূড়ান্তভাবে উপস্থাপন করা সমীচীন নয়। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে,যাচাইবিহীন তথ্য বা গুজব প্রচার কোনো ব্যক্তির সামাজিক ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করতে পারে। তাই দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা ও তথ্য যাচাইয়ের নীতি অনুসরণ করে সংবাদ প্রকাশ করা প্রয়োজন।তিনি শিক্ষা
প্রকৌশল অধিদপ্তরে চাকুরীতে যোগদানের পর সৎ ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।অসাধু উপায়ে তিনি কোন অর্থ উপার্জন করেননি। একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাকে নিয়ে যেসব অপ-প্রচার করছে তাহা নিন্দনীয়। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উন্নয়নের সকল কাজ ১০০% ঠিকাদারদের কাছ থেকে বুঝে নেন। এতে করে সরকারের স্বার্থ ১০০% তিনি আদায় করে নেন।সরকারের সুনাম রক্ষার জন্য তিনি সর্বদাই কাজ করে যাচ্ছেন। তার অক্লান্ত পরিশ্রমের অর্থ দিয়ে নিজের বাসস্থান করেছেন। তাহা নিয়ে অপ-প্রচারের কারন হতে পারে না। চুয়াডাঙ্গা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ দেলোয়ার হোসেন এর মধ্যে কোন স্বজনপ্রীতি নাই।এছাড়াও উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে তার সাথে কোন ঠিকাদারের কোন প্রকার হাত নেই। তাকে জড়িয়ে গণমাধ্যমে যেসব তথ্য প্রকাশ হচ্ছে তাহা বানোয়াট মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। (চলবে)…
Leave a Reply