মো. নাজমুল হাসান:
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার দরগ্রাম ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ে সেবাপ্রার্থীদের দ্রুত ও দুর্নীতিমুক্ত সেবা দিয়ে আসা জনবান্ধব কর্মকর্তা মো. আব্দুল মোতালেবের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে একটি স্বার্থান্বেষী ও কুচক্রী মহল অপপ্রচারে মেতে উঠেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এলাকার সচেতন নাগরিক ও সাধারণ সেবাপ্রার্থীদের দাবি, দরগ্রাম ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা (নায়েব) মো. আব্দুল মোতালেব যোগদানের পর থেকে সরকারি নিয়মনীতি মেনে সততা ও দক্ষতার সাথে ভূমি সেবা দিয়ে আসছেন। কিন্তু মো. আব্দুল মোতালেবের এই কঠোর অবস্থান ও অনৈতিক সুবিধার সুযোগ না থাকায় একটি অসাধু সিন্ডিকেট তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও মনগড়া অভিযোগ তুলে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, দরগ্রাম ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ে দালালি ও অনিয়ম বন্ধে মো. আব্দুল মোতালেব শুরু থেকেই জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন। সরকারি বিধি অনুযায়ী কাগজপত্রের বৈধতা যাচাই করে নামজারি (খারিজ) ও অন্যান্য সেবা প্রদান করায়, যাঁরা অসম্পূর্ণ বা ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে অনৈতিক সুবিধা হাসিল করতে চেয়েছিল, তাঁরাই এখন ব্যক্তিস্বার্থ পূরণে ব্যর্থ হয়ে এই কর্মনিষ্ঠ ও দক্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অসত্য তথ্য ছড়িয়ে তাঁর বদলির চক্রান্ত করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বয়োজ্যেষ্ঠ ও সেবাপ্রার্থীরা জানান, “নায়েব মো. আব্দুল মোতালেব সাহেব অত্যন্ত দায়িত্বশীল ও সহমর্মী একজন সরকারি কর্মকর্তা। সাধারণ মানুষ যেন হয়রানি ছাড়াই সেবা পায়, সে বিষয়ে তিনি সবসময় সচেষ্ট থাকেন। যে ভিডিও বা অর্থ দাবির কথা বলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ পরিকল্পিত এবং কাটছাঁট করে তাঁর সম্মানহানির উদ্দেশ্যে ছড়ানো হয়েছে। একজন সৎ ও পেশাদার কর্মকর্তাকে বিতর্কিত করে প্রশাসনিক ভাবমূর্তি নষ্ট করার এই অপচেষ্টা অত্যন্ত নিন্দনীয়।” সাটুরিয়া উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, যে কোনো অভিযোগ এলেই প্রশাসনিক নিয়মে তা খতিয়ে দেখা হয়। তবে সচেতন মহলের মতে, ভুয়া অভিযোগের আড়ালে যেন কোনো সৎ ও নিষ্ঠাবান কর্মকর্তা বলির পাঁঠা না হন এবং অসাধু মহলের অপকৌশল সফল না হয়, সে বিষয়ে সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। একজন দায়িত্বশীল, দক্ষ ও জনবান্ধব কর্মকর্তার পাশে দাঁড়িয়ে দালালচক্র ও কুচক্রী মহলের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন দরগ্রাম ইউনিয়নের সাধারণ জনগণ।
Leave a Reply