বিশেষ প্রতিনিধি : এক সময় চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলা ভূমি অফিস এবং ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সেবা নিতে গেলেই দালালদের খপ্পরে পড়ে ঘুষ দেওয়া, হয়রানির শিকার ও মাত্রাতিরিক্ত টাকা আদায় ছিলো নিত্য দিনের চিত্র ।সহকারি কমিশনার (ভূমি) রেজওয়ানা চৌধুরী যোগদানের পর তার নিজ দক্ষতায় এ ধারণা পাল্টে দিয়েছেন বদলে দিয়েছেন ভূমিসেবা ।মাঠপর্যায়ে ভূমি রাজস্ব প্রশাসনে নামজারি, জমাভাগ ও জমা একত্রীকরণ এবং রেকর্ড সংশোধন, সরকারি খাসজমি ও অকৃষি জমি ব্যবস্থাপনা,অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ, রেন্ট সার্টিফিকেট মামলা পরিচালনা ও নিষ্পত্তি তথা সর্বোপরি ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এসেছে সহকারি কমিশনার (ভূমি) রেজওয়ানা চৌধুরী।তার এই দায়িত্বশীল বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে।প্রভাবশালীরা সাধারণ মানুষকে ঠকানোর সুযোগ পাচ্ছে না। তিনি দালালমুক্ত করা সহ শাহরাস্তি উপজেলা ভূমি অফিসে সর্বসাধারণের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করেছেন।শাহরাস্তি উপজেলা (ভূমি) অফিস এবং ইউনিয়ন ভূমি অফিসে পরিদর্শন করে সকল দূর্নীতি, জনহয়রানী ও দালাল মুক্ত করার জন্য কর্মরত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কঠোর নির্দেশ প্রদান করেছেন। সহকারি কমিশনার (ভূমি) হিসেবে যোগদানের পর নিজস্ব প্রচেষ্টায় উপজেলার ভূমি অফিস থেকে অনিয়ম-দূর্নীতি প্রতিরোধ করে মাঠপর্যায়ে ভূমিসংক্রান্ত সেবা প্রদান ও জনবান্ধব ভূমি অফিস রুপান্তরিত করতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন । তিনি উপজেলার ও প্রত্যেকটি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের দৃশ্যপট পাল্টে দিয়েছেন গতিশীল করেছেন সকল ভূমিসংক্রান্ত সেবা, দূর হয়েছে ভূমির মালিকদের হয়রানি ও ভোগান্তি।সম্প্রতি দীর্ঘ ৫ বছর ধরে জমি নিয়ে বিরোধের মামলা চালিয়ে রায় পায় স্থানীয় গ্রামের এক বাসিন্ধা যার মামলা নং ৯৩/১৮ ।রায় পাওয়ার পরে চাঁদপুর সহকারি জজ আদালত থেকে জেলা প্রশাসক এর কাছে নির্দেশনা গেলে। জেলা প্রশাসক চাঁদপুর রেকর্ড রুম থেকে রায় ও ডিক্রি মূলে নির্দেশনা আসলে উপজেলা ভূমি অফিস থেকে বিগত ২২/৪/২৪ তারিখে স্বারক নং ৩২৭ নাম্বারে তা গ্রহন করে প্রসন্নপুর ভূমি অফিস।অথচ যার নথি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না মর্মে প্রসন্নপুর ভূমি অফিস জানায়। রায়ের কপি ও রেকর্ড রুম থেকে আসা খতিয়ান সংশোধনের নির্দেশনা না পেয়ে হতাশ হয়ে এক সময় কাগজ পত্রের আশা ছেড়ে দেয় ভুক্তভুগী পরিবার।বিষয়টি জনবান্ধব সৎ সাহসীবান সহকারি কমিশনার (ভূমি) রেজওয়ানা চৌধুরী এর নজরে গেলে তিনি তাৎক্ষনিক নির্দেশনা দিলে পরবর্তিতে ১ ঘন্টার মধ্য তা খুঁজে পায় মর্মে নিশ্চিত করে প্রসন্নপুর ভূমি অফিসের উপ-সহকারি ভূমি কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল ওয়াকিল।একাধিক ভূমিসেবা গ্রহনকারীদের সাথে কথা বলে আরো জানা গেছে যে দেশের প্রতিটি ভূমি অফিসে যদি রেজওয়ানা চৌধুরী এর মত সৎ সাহসী কর্মকর্তা থাকেন তাহলে দেশের ভূমি সেবায় দূর্নীতি শতভাগ কমে যাবে। আমরা চাই রেজওয়ানা চৌধুরী শাহরাস্তি উপজেলায় দীর্ঘদিন সহকারি কমিশার (ভূমি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করুক।

Leave a Reply