নিজস্ব প্রতিবেদক : নেত্রকোণা জেলার কৃষি খাতে ইতিবাচক পরিবর্তন এবং কৃষকদের ভাগ্যন্নোয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন জেলা কৃষি কর্মকর্তা দেওয়ান আসাদুজ্জামান খান। ছাত্রজীবন থেকেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর হিসেবে পরিচিত এই কর্মকর্তা তার কর্মক্ষেত্রেও বজায় রেখেছেন চরম সততা ও নিষ্ঠা। তবে সম্প্রতি একটি স্বার্থান্বেষী মহল তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে।যে কারনে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ কৃষকেরা। দুর্নীতিমুক্ত কৃষি বিভাগ গড়ে তোলার কারিগর দেওয়ান আসাদুজ্জামান খান নেত্রকোণা জেলায় যোগদানের পর থেকেই নানামুখী সংস্কারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। তার কঠোর ও নীতিবান অবস্থানের কারণে জেলা কৃষি বিভাগ আজ একটি দুর্নীতিমুক্ত ও সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছেন কোন ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির আশ্রয় তিনি নিজে কখনো নেননি এবং কাউকে নিতেও দেননি। কৃষকদের দোরগোড়ায় সেবা মাঠ পর্যায়ে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও পরামর্শ সহজে পৌঁছে দিতে নিরলস কাজ করে চলছেন।ষড়যন্ত্র ও ভিত্তিহীন অপপ্রচার এর বিষয় নেত্রকোণার সাধারণ কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায় দেওয়ান আসাদুজ্জামান খানের সততা ও কঠোর অবস্থানের কারণে যারা অতীতে অবৈধ সুবিধা নিত তারা এখন আর সুবিধা করতে পারছে না। ফলে সেই সুবিধাভোগী ও কুচক্রী মহলটি পরিকল্পিতভাবে তার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত তথ্য ছড়িয়ে তাকে হয়রানি ও হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে। স্থানীয় কৃষকরা বলছে এই সৎ ও কর্মঠ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যে ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তারা এই ষড়যন্ত্রের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ এবং আমাদের অর্থনীতি কৃষির ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। দেওয়ান আসাদুজ্জামান খানের মতো সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তাদের হাত ধরেই দেশের কৃষি খাত এগিয়ে যাচ্ছে। কোন কুচক্রী মহলের মিথ্যাচার যেন একজন সৎ কর্মকর্তার মনোবল ভেঙে দিতে না পারে, সে বিষয়ে প্রশাসনের উর্ধ্বতন মহলের কার্যকর দৃষ্টি রাখা প্রয়োজন। তিনি কোন রাজনৈতিক দলের সাথে জড়িত নন। একজন মেধাবী ও পরিশ্রমী হিসেবে পরিচিত।
Leave a Reply