1. dailyamarsongram71@gmail.com : Abu Yusuf : Abu Yusuf
  2. admin@dailyamarsongram.com : admin :
  3. shoyebmahmud08@gmail.com : Abul Kalam : Abul Kalam
  4. kazimaviation@gmail.com : Office Staff : Office Staff
  5. akazzad1@gmail.com : Abul Kalam : Abul Kalam
August 9, 2026, 4:46 am
শিরোনাম :
তরফপুর ইউনিয়ন বিজ্ঞান ক্লাব ও পাঠাগারের উদ্দ্যোগে মেধা অন্বেষণ বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৪ এর চলছে রেজিষ্ট্রেশন। মহান বিজয় দিবস ও ও বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে সরোয়ার্দী উদ্যানে আলোচনা সভা। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের চুয়াডাঙ্গার নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ দেলোয়ার হোসেনকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি বিভিন্ন ধরনের অপ-প্রচার যাহা নিন্দনীয়। বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর গর্ব সিলেট মহানগর মোগলাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনির হোসেন এর বিরুদ্ধে  স্বার্থান্বেষী মহলর গভীর ষড়যন্ত্র।  জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠা নিয়ে অপপ্রচার: অভিযোগ ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রমূলক। দুর্নীতিমুক্ত কৃষি বিভাগ গড়ে তোলার কারিগর সততা ও কর্মঠ এক অনন্য দৃষ্টান্ত নেত্রকোণার কৃষি কর্মকর্তা দেওয়ান আসাদুজ্জামান খান। ঠাকুরগাঁও জেলার জেলা রেজিস্ট্রার হেলাল উদ্দিন এর মতো একজন সৎ, কর্মঠ ও নীতিবান কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো অত্যন্ত নিন্দনীয়। অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ এনামউল্যার যোগ্য ও দক্ষ নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়টি দেশের অন্যতম শীর্ষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। একটি মহল তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। কেরানীগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসের উচ্চমান সহকারী মোহাম্মদ মোশারফ হোসেনের বিরুদ্ধে  একটি সংঘবদ্ধ চক্ররা মিথ্যা তথ্য দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে।  চুয়াডাঙ্গা জেলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর এর নির্বাহী প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন এর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র মূলক অপপ্রচার।তিনি সৎ ও নিষ্ঠাবান। ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশেনের প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) আনিসুর রহমান বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলো রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত সংশ্লিষ্ট কোনো গোষ্ঠী দ্বারা প্রচার করা হচ্ছে। গলাচিপার ধনকুপ পিলার মহিউদ্দিন চমক কোটিপতি

২৫ কোটি গাছ রোপণের কার্বন ক্রেডিট বিক্রি করে বিলিয়ন ডলার আয় করতে পারে বাংলাদেশ

  • সময়: Tuesday, June 23, 2026
  • 55 View

সরকারের ঘোষিত দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে উৎপন্ন কার্বন ক্রেডিট বিক্রি করে বাংলাদেশ বছরে প্রায় ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করতে পারে বলে এক সরকারি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

গত ১৩ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী পাঁচ বছরে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণের এই কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। এর লক্ষ্য হলো পরিবেশ সুরক্ষা জোরদার করা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা করা।

জলবায়ু অর্থায়ন বাজেট প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পাঁচ বছর মেয়াদি উদ্যোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো বৃহৎ পরিসরের বনায়নের মাধ্যমে কার্বন ক্রেডিট উৎপাদনের সম্ভাবনা।আন্তর্জাতিক কার্বন ক্রেডিট ব্যবস্থার আওতায় নির্ধারিত রোপণ এলাকা আগেই সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক সংস্থা ও অংশগ্রহণকারী দেশের কাছে নিবন্ধন ও প্রতিবেদন আকারে দাখিল করতে হয়।

কার্বন শোষণ বৃদ্ধি এবং নিট গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসে অবদান রাখার মাধ্যমে এই উদ্যোগ কার্বন ক্রেডিট বাণিজ্যের মাধ্যমে আর্থিক লাভ আনতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।বিশ্বব্যাংকের হিসাব উদ্ধৃত করে বলা হয়, কর্মসূচিটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে শুধু বৃক্ষ রোপণের মাধ্যমেই বাংলাদেশ বছরে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার কার্বন ক্রেডিট বিক্রির মাধ্যমে আয় করতে সক্ষম হবে।

অর্থনৈতিক লাভের পাশাপাশি এই উদ্যোগে পরিবেশগতভাবে বড় ধরনের সুফল আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।এর মধ্যে রয়েছে তাপমাত্রা হ্রাস, বৃষ্টিপাতের ধরন উন্নয়ন, মাটির গুণগত মান বৃদ্ধি এবং বাস্তুতন্ত্রের সহনশীলতা বৃদ্ধি।

ফলে এই কর্মসূচি টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু কর্মকাণ্ডকে এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি সবুজ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।২০২৫ সালে বৈশ্বিক কার্বন মূল্য নির্ধারণ বাজার থেকে আয় দাঁড়িয়েছে ১০৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ২০২৪ সালের তুলনায় বাস্তব মূল্যে প্রায় ২ শতাংশ বেশি। বর্তমান বাজার সক্ষমতা প্রায় ২৫০ বিলিয়ন ডলার, যা ২০৫০ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছতে পারে।এই খাতে প্রধান বিনিয়োগ আসবে বেসরকারি খাত থেকে।প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশগুলোকে এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রমাণযোগ্য অগ্রগতি দেখাতে হবে যাতে অতিরিক্ত বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা যায়।

কার্বন হ্রাস কর্মসূচি সঠিকভাবে নকশা ও বাস্তবায়ন করা গেলে বাংলাদেশ বৈশ্বিক কার্বন বাণিজ্য থেকে উল্লেখযোগ্য আয় করতে পারবে, কারণ বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম কম মাথাপিছু গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনকারী দেশ।তবে প্রতিবেদনে বলা হয়, এই সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ এখনো আন্তর্জাতিক কার্বন বাজারে পূর্ণভাবে অংশ নিতে প্রস্তুত নয়। এর প্রধান ঘাটতিগুলোর মধ্যে রয়েছে আর্টিকেল ৬ ব্যবস্থার বিষয়ে সীমিত প্রযুক্তিগত জ্ঞান, কার্বন ক্রেডিট ইস্যু ও বাণিজ্যের জন্য দুর্বল আইনগত ও নিয়ন্ত্রক কাঠামো এবং এমআরভি ও প্রকল্প সনদায়নের ক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি খাতের অপর্যাপ্ত সক্ষমতা।এই ঘাটতিগুলো দূর করতে নিয়ন্ত্রক সংস্কার, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকে কৌশলগত অগ্রাধিকার হিসেবে দেখা প্রয়োজন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

একটি কার্বন ক্রেডিট হলো এক মেট্রিক টন কার্বন ডাই-অক্সাইড বা তার সমতুল্য গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস, অপসারণ বা প্রতিরোধের যাচাইকৃত একক।কার্বন ক্রেডিট সাধারণত নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানি দক্ষতা, বনায়ন এবং মিথেন নিয়ন্ত্রণের মতো কার্যক্রমের মাধ্যমে তৈরি হয় এবং তা নিয়ন্ত্রিত বা স্বেচ্ছা কার্বন বাজারে বাণিজ্য করা যায়।

এটি সরকার, প্রতিষ্ঠান ও কোম্পানিগুলোকে তাদের নির্গমন ক্ষতিপূরণ করতে অন্যদের থেকে যাচাইকৃত নির্গমন হ্রাস ক্রয় করার সুযোগ দেয়, যা নিম্ন-কার্বন বিনিয়োগে অর্থনৈতিক উৎসাহ তৈরি করে।এই ব্যবস্থাগুলো প্যারিস চুক্তির আর্টিকেল ৬ এবং স্বেচ্ছা মানদণ্ডের অধীনে পরিচালিত হয়, যেখানে শক্তিশালী পর্যবেক্ষণ, প্রতিবেদন ও যাচাই (এমআরভি) ব্যবস্থা প্রয়োজন।

বাংলাদেশের কার্বন বাজারে পূর্ব অভিজ্ঞতা রয়েছে। ২০০৬ সালে ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড (আইডিসিওএল) জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সংস্থায় বাংলাদেশের প্রথম ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম (সিডিএম) প্রকল্প নিবন্ধন করে। এরপর থেকে আইডিসিওএল ২.৫৩ মিলিয়ন কার্বন ক্রেডিট বিক্রি করেছে, যার মাধ্যমে ১৬.২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় হয়েছে (বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী প্রায় ১৭০ কোটি টাকা), যা সৌরবিদ্যুৎ ও উন্নত চুলা প্রকল্প থেকে এসেছে।এই অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের কার্বন প্রকল্প উন্নয়নে প্রযুক্তিগত সক্ষমতার প্রমাণ দেয় এবং কার্বন বাজারে অংশগ্রহণ সম্প্রসারণের জন্য একটি বিশ্বাসযোগ্য ভিত্তি তৈরি করে।

0Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত ও সর্বস্বত্ত সংরক্ষিত।

Theme Customized By BreakingNews