সানজিদ হক, স্টাফ রিপোর্টারঃ
মোছা: ফারিয়া আক্তার কিশোরগঞ্জ সদরের ডিক্রিকান্দা লাভুমুন্সি বালিকা দাখিল মাদরাসায় ক্লাস ৫ম শ্রেণি থেকে নিয়মিত ছাত্রী হিসেবে পড়ালেখা করে, সে টেষ্ট পরীক্ষায় পাশ করে ২০২৩ সালের দাখিল পরীক্ষার্থী। এখন ফরম ফিলাপ করার সময় জানতে পারে তার নবম শ্রেনীতে রেজিষ্টেশন হয় নাই, পরে সুপার সাহেব ফারিয়া ও তার অভিভাবককে জানায় যে, তাকে (মোছা: ফারিয়া আক্তার) ২০২৬ সালে পরীক্ষা দিতে হবে। এ বিষয়ে সুপার সাহেবের কাছে জানতে চাইলে সে সম্পূর্ণ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে না নিয়ে যা ইচ্ছে তাই মিথ্যা সান্ত্বনা দিয়ে যাচ্ছেন, তিনি আরো বলেন, তার স্টাফের অনেকেই তার অফিসের কাজে তাকে সাহায্য সহযোগিতা করে না।
শ্রেনী শিক্ষকের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে সে বলে এ বিষয়ে আমি কোনো কিছু জানি না, সব কিছু সুপার হুজুর জানে।
অফিস সহকারীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, সে রেজিস্ট্রেশনে সই করে নাই। তার কাছে নোটিশ খাতা চাওয়া হলে সে খাতা দেখাতে বিলম্ব করে, পরে খাতায় দেখা যায় ফারিয়া আক্তারের সই সহ মোবাইল নাম্বার আছে। রেজিস্ট্রেশনের টাকা নেওয়ার রশিদ বহি চাইলে সে বলে আমি টাকা নিয়েছি কিন্তু রশিদ দেওয়ার দায়িত্ব শিক্ষকের। পরে বলে টাকার কোনো রশিদ দেওয়া হয় নাই।
এবিষয়ে আজ ০৮/০২৩ইং এলাকাবাসী এক মানববন্ধনের আয়োজন করে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার ছাত্রীবৃন্দ, এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন মিডিয়া ও সংবাদপত্রের সাংবাদিকবৃন্দ সহ আরও অনেকে।
এ সময় বক্তারা ফারিয়া আক্তারের ২০২৩ দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ ও স্বাভাবিক শিক্ষা জীবন নিশ্চিত করার দাবি জানান।
Leave a Reply