জিয়াদুল ইসলাম জিয়া, কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধিঃ
রাজবাড়ীর জেলার পাংশা উপজেলার কসবা মাজাইল ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর উত্তরপাড়ায় মৃত সবেদ আলী মন্ডলের ছেলে সন্ত্রাসী ও মাদকসেবী বকাটে সইফুল ইসলাম (৩৪) দীর্ঘ দিন ধরে এলাকায় চুরি, ডাকাতি নানান ধরনের অপকর্মের সাথে জড়িত আছে। স্কুল কলেজ পড়া ছাত্রীদের উত্তেক্ত করে বলে তার বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর ব্যাপক অভিযোগ।
দীর্ঘদিন ধরে পাশের বাড়ির আবুল হোসেনের ছোট ভাই তাছের উদ্দীনের মেয়ে মুন্নীর (১৪) সন্ত্রাসী মাদকসেবী
বখাটে সইফুল ইসলাম সম্পর্কে মুন্নীর চাচা হয়। সন্ত্রাসী মাদকসেবী সইফুল ইসলাম মুন্নীর স্কুল থেকে ফিরার পথে তার দিকে কুদৃষ্টিতে তাকায়। মুন্নীকে খারাপ প্রস্তাব দেয় এবং বলে যে, তুমি আমার কথা না শুনলে তোমাকে ধর্ষণ করে মেরে ফেলে বস্তায় ভরে পদ্মা নদীতে ফেলে দিবো। এলাকার কেউ তোমার খোজ পাবে না। এমনকিতোমার পরিবারের কেউ জানবে না। এই হুমকি দেয় মুন্নীকে, মুন্নী ভয় পেয়ে বাড়ীতে দৌড়ে এসে তার মা ও বাবাকে বলে। মুন্নীর বাবা তাছের উদ্দিন তার বড় ভাই, আবুল হোসেনকে বলে। তখন আবুল হোসেন ও আবুল হোসেনের ছেলে বায়জিদ হাসান ইমরান (১৯) ও আবুল হোসেনের স্ত্রী আলেয়া বেগম (৫০) সহ পাশের বাড়ির ওই সন্ত্রাসী মাদকসেবী বকাটে সইফুলের বাড়ীতে গিয়ে বাধা প্রদান করতে গেলে সইফুল ঘর থেকে ২৬ ইঞ্চি একটি হাসুয়া বের করলে তড়িঘড়ি করে আবুল হোসেন সহ তার পরিবার পালিয়ে যান তার নিজ বাড়িতে, ওই মুহুর্তে সন্ত্রাসী মাদকসেবী
বকাটে সাইফুল আবুল হোসেনের বাড়িতে গিয়ে এক পর্যায়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এতে আবুল হোসেন তার স্ত্রী আলেয়া বেগম (৫০), আবুল হোসেনের ছেলে বায়জিদ হাসান এমরান (১৯) প্রতিবাদ করলে সন্ত্রাসী মাদকসেবী বকাটে সইফুল হাতে থাকা হাসুয়া দিয়ে কোপ মারে বায়জিদের মাথায়, এমন সময় বায়জিদ চিৎকার করলে ভয়ে পালিয়ে যায় আবুল হোসেন, এ সময় আলেয়া বেগম এগিয়ে আসলে তাকেওহাতে কোপ মারে। এতে মা আলেয়া বেগম ও ছেলে বায়জিদ হাসান রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে যায়। আবুল হোসেনের চিৎকারে প্রতিবেশীরা দৌড়ে আসলে সন্ত্রাসী মাদকসেবী বকাটে সইফুল ইসলামপালিয়ে যায়। স্থানীয়রা মা ছেলেকে উদ্ধার করেঅতিদ্রæত কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। বায়জিদ হাসান হাসপাতালে ১০নং ওয়ার্ডের বারান্দায় ভর্তি আছেন। এ ব্যাপারে অপারেশন থিয়েটারে ডাক্তারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন যে, বায়জিদ হাসানের মাথায় ২৩টি সেলাই দেওয়া হয়েছে। আলেয়া বেগমের হাতে ১০টি সেলাই দেওয়া হয়েছে। আলেয়া বেগম ভর্তি আছেন হাসপাতালের ০৬নং ওয়ার্ডের বারান্দায়। বায়জিদ হাসান এমরানের অবস্থা আশংকাজনক, মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে, যে কোনো দিন পাগল বা মৃত্যু হতে পারে। এ ঘটনা ঘটে ০৫/১২/২০২২ ইং সোমবার সকাল ৮.৩০ মিনিটের সময়। প্রকৃত দোষী সূত্রে জানা গেছে। এ ব্যপারে পাংশা থানায় একটি মামলা হয়েছে। আসামী সন্ত্রাসী মাদকসেবী বকাটে সইফুলকে গ্রেফতার করতে পারে নি পুলিশ। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আর কিছুই জানা যায় নি।
Leave a Reply