1. dailyamarsongram71@gmail.com : Abu Yusuf : Abu Yusuf
  2. admin@dailyamarsongram.com : admin :
  3. shoyebmahmud08@gmail.com : Abul Kalam : Abul Kalam
  4. kazimaviation@gmail.com : Office Staff : Office Staff
  5. akazzad1@gmail.com : Abul Kalam : Abul Kalam
August 21, 2026, 4:13 pm
শিরোনাম :
তরফপুর ইউনিয়ন বিজ্ঞান ক্লাব ও পাঠাগারের উদ্দ্যোগে মেধা অন্বেষণ বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৪ এর চলছে রেজিষ্ট্রেশন। মহান বিজয় দিবস ও ও বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে সরোয়ার্দী উদ্যানে আলোচনা সভা। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক সৎ নিষ্ঠাবান শহীদ আতাহার হোসেন এর বিরুদ্ধে অপপ্রচার। ‎শ্রীপুর পৌরসভায় অনিয়মের অভিযোগ,প্রশ্নের মুখে নির্বাহী প্রকৌশলী। গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ বদরুল আলম খানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের চুয়াডাঙ্গার নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ দেলোয়ার হোসেনকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি বিভিন্ন ধরনের অপ-প্রচার যাহা নিন্দনীয়। বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর গর্ব সিলেট মহানগর মোগলাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনির হোসেন এর বিরুদ্ধে  স্বার্থান্বেষী মহলর গভীর ষড়যন্ত্র।  জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠা নিয়ে অপপ্রচার: অভিযোগ ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রমূলক। দুর্নীতিমুক্ত কৃষি বিভাগ গড়ে তোলার কারিগর সততা ও কর্মঠ এক অনন্য দৃষ্টান্ত নেত্রকোণার কৃষি কর্মকর্তা দেওয়ান আসাদুজ্জামান খান। ঠাকুরগাঁও জেলার জেলা রেজিস্ট্রার হেলাল উদ্দিন এর মতো একজন সৎ, কর্মঠ ও নীতিবান কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো অত্যন্ত নিন্দনীয়। অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ এনামউল্যার যোগ্য ও দক্ষ নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়টি দেশের অন্যতম শীর্ষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। একটি মহল তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। কেরানীগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসের উচ্চমান সহকারী মোহাম্মদ মোশারফ হোসেনের বিরুদ্ধে  একটি সংঘবদ্ধ চক্ররা মিথ্যা তথ্য দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। 

রাজউকের অনুমোদন ছাড়াই ১০ তলা ভবন নির্মাণ, অভি ডেভেলপমেন্টের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ।

  • সময়: Monday, June 8, 2026
  • 60 View


স্টাফ রিপোর্টার
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)-এর অনুমোদন ছাড়াই ১০ তলা ভবন নির্মাণ এবং ফ্ল্যাট বিক্রির অভিযোগ উঠেছে অভি ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, রাজউকের অনুমোদিত নকশা ও নির্মাণ অনুমতি না থাকা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটি বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছে এবং ক্রেতাদের কাছে ফ্ল্যাট বিক্রির কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, “জলিল সর্দার টাওয়ার” নামে নির্মাণাধীন প্রকল্পটির জন্য রাজউকের কোনো অনুমোদিত নকশা বা বৈধ নির্মাণ অনুমতি নেই। তবে প্রয়োজনীয় এসব অনুমোদন ছাড়াই ভবনের নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ভবনটিতে প্রবেশের জন্য ব্যবহৃত সড়কের প্রস্থ প্রায় ৬ ফুট। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এত সংকীর্ণ সড়কের পাশে ১০ তলা ভবন নির্মাণ জননিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে অগ্নিকাণ্ড, ভূমিকম্প কিংবা অন্য কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স বা উদ্ধারকারী যানবাহনের প্রবেশ প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, বর্তমানে সড়কটি এতটাই সরু যে দুই দিক থেকে রিকশা চলাচল করলেও প্রায়ই প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়। সেখানে একটি বহুতল ভবন নির্মিত হলে ভবিষ্যতে যানজট, জনদুর্ভোগ এবং নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি আরও বাড়বে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।
অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্পটির বৈধতা সম্পর্কে সম্ভাব্য ক্রেতাদের আশ্বস্ত করতে বিভিন্ন কাগজপত্র প্রদর্শন করা হচ্ছে। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, রাজউকের চূড়ান্ত অনুমোদন না থাকা সত্ত্বেও এ ধরনের প্রচারণা ক্রেতাদের বিভ্রান্ত করতে পারে। ফলে অনেকেই প্রকল্পটির প্রকৃত আইনগত অবস্থা সম্পর্কে ভুল ধারণা পোষণ করতে পারেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অনুমোদনহীন প্রকল্পে ফ্ল্যাট ক্রয় করলে ক্রেতারা ভবিষ্যতে মালিকানা হস্তান্তর, নিবন্ধন, ব্যাংক ঋণ, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগসহ বিভিন্ন আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতার মুখোমুখি হতে পারেন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অভিযানে নির্মাণকাজ বন্ধ হয়ে যাওয়া বা অবৈধ স্থাপনা অপসারণের ঝুঁকিও থেকে যায়।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজউকের অনুমোদন ছাড়া ভবন নির্মাণ ‘ইমারত নির্মাণ আইন, ১৯৫২’ এবং প্রযোজ্য বিল্ডিং বিধিমালার লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হতে পারে। এছাড়া প্রকল্পের বৈধতা সম্পর্কে মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে ফ্ল্যাট বিক্রির অভিযোগ প্রমাণিত হলে দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪২০ ধারায় প্রতারণার অপরাধ এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা অবিলম্বে প্রকল্পটির বৈধতা যাচাই, নির্মাণকাজ স্থগিত এবং অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি জনস্বার্থ ও নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে রাজউক, ফায়ার সার্ভিস এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে মালিকপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিজেকে ভবনটির কেয়ারটেকার হিসেবে পরিচয় দেন। তবে প্রকল্পের বৈধতা, রাজউকের অনুমোদন এবং উত্থাপিত অন্যান্য অভিযোগের বিষয়ে কোনো স্পষ্ট বক্তব্য না দিয়ে তিনি বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগাযোগ নম্বর প্রদান করেন। এতে প্রকল্পটির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে নতুন প্রশ্নের জন্ম হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

0Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত ও সর্বস্বত্ত সংরক্ষিত।

Theme Customized By BreakingNews