1. dailyamarsongram71@gmail.com : Abu Yusuf : Abu Yusuf
  2. admin@dailyamarsongram.com : admin :
  3. shoyebmahmud08@gmail.com : Abul Kalam : Abul Kalam
  4. kazimaviation@gmail.com : Office Staff : Office Staff
  5. akazzad1@gmail.com : Abul Kalam : Abul Kalam
October 18, 2026, 12:07 am
শিরোনাম :
তরফপুর ইউনিয়ন বিজ্ঞান ক্লাব ও পাঠাগারের উদ্দ্যোগে মেধা অন্বেষণ বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৪ এর চলছে রেজিষ্ট্রেশন। মহান বিজয় দিবস ও ও বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে সরোয়ার্দী উদ্যানে আলোচনা সভা। প্রতিটি সিটি কর্পোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী মোহনা টিভির এমডি শাহেদ আহমেদ মজুমদারের পক্ষে আদালতে গেলেই মব সৃষ্টি,রেহাই পাচ্ছেন না সাংবাদিক নেতারাও ! উরফি ইউনিয়ন পরিষদে পরিবর্তনের হাওয়া: চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয়তার শীর্ষে তরুণ সমাজসেবক মো: রফিকুজ্জামান মুন্সি সততা ও পেশাদারিত্বের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: গোপালগঞ্জ পৌরসভার নাগরিক সেবায় আস্থার প্রতীক রেজওয়ানা কবির ময়মনসিংহ জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত। মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে, তরুণদের রক্ষায় সর্বস্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ভালুকা মডেল থানার ওসি। ময়মনসিংহে প্রতারণার অভিযোগে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সহসভাপতি নাসির উদ্দিন আটক। ভালুকায় বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর, থানায় অভিযোগ । গুলশান ইস্যু ও ওসি দাউদ: আবেগের ভিড়ে হারাবে কি সততার ইতিহাস? দরগ্রাম ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা আব্দুল মোতালেবের বিরুদ্ধে অপপ্রচার: ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী, নেপথ্যে কায়েমি স্বার্থান্বেষী মহল।

রাজউকের অনুমোদন ছাড়াই ১০ তলা ভবন নির্মাণ, অভি ডেভেলপমেন্টের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ।

  • সময়: Monday, June 8, 2026
  • 87 View


স্টাফ রিপোর্টার
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)-এর অনুমোদন ছাড়াই ১০ তলা ভবন নির্মাণ এবং ফ্ল্যাট বিক্রির অভিযোগ উঠেছে অভি ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, রাজউকের অনুমোদিত নকশা ও নির্মাণ অনুমতি না থাকা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটি বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছে এবং ক্রেতাদের কাছে ফ্ল্যাট বিক্রির কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, “জলিল সর্দার টাওয়ার” নামে নির্মাণাধীন প্রকল্পটির জন্য রাজউকের কোনো অনুমোদিত নকশা বা বৈধ নির্মাণ অনুমতি নেই। তবে প্রয়োজনীয় এসব অনুমোদন ছাড়াই ভবনের নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ভবনটিতে প্রবেশের জন্য ব্যবহৃত সড়কের প্রস্থ প্রায় ৬ ফুট। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এত সংকীর্ণ সড়কের পাশে ১০ তলা ভবন নির্মাণ জননিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে অগ্নিকাণ্ড, ভূমিকম্প কিংবা অন্য কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স বা উদ্ধারকারী যানবাহনের প্রবেশ প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, বর্তমানে সড়কটি এতটাই সরু যে দুই দিক থেকে রিকশা চলাচল করলেও প্রায়ই প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়। সেখানে একটি বহুতল ভবন নির্মিত হলে ভবিষ্যতে যানজট, জনদুর্ভোগ এবং নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি আরও বাড়বে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।
অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্পটির বৈধতা সম্পর্কে সম্ভাব্য ক্রেতাদের আশ্বস্ত করতে বিভিন্ন কাগজপত্র প্রদর্শন করা হচ্ছে। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, রাজউকের চূড়ান্ত অনুমোদন না থাকা সত্ত্বেও এ ধরনের প্রচারণা ক্রেতাদের বিভ্রান্ত করতে পারে। ফলে অনেকেই প্রকল্পটির প্রকৃত আইনগত অবস্থা সম্পর্কে ভুল ধারণা পোষণ করতে পারেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অনুমোদনহীন প্রকল্পে ফ্ল্যাট ক্রয় করলে ক্রেতারা ভবিষ্যতে মালিকানা হস্তান্তর, নিবন্ধন, ব্যাংক ঋণ, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগসহ বিভিন্ন আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতার মুখোমুখি হতে পারেন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অভিযানে নির্মাণকাজ বন্ধ হয়ে যাওয়া বা অবৈধ স্থাপনা অপসারণের ঝুঁকিও থেকে যায়।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজউকের অনুমোদন ছাড়া ভবন নির্মাণ ‘ইমারত নির্মাণ আইন, ১৯৫২’ এবং প্রযোজ্য বিল্ডিং বিধিমালার লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হতে পারে। এছাড়া প্রকল্পের বৈধতা সম্পর্কে মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে ফ্ল্যাট বিক্রির অভিযোগ প্রমাণিত হলে দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪২০ ধারায় প্রতারণার অপরাধ এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা অবিলম্বে প্রকল্পটির বৈধতা যাচাই, নির্মাণকাজ স্থগিত এবং অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি জনস্বার্থ ও নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে রাজউক, ফায়ার সার্ভিস এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে মালিকপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিজেকে ভবনটির কেয়ারটেকার হিসেবে পরিচয় দেন। তবে প্রকল্পের বৈধতা, রাজউকের অনুমোদন এবং উত্থাপিত অন্যান্য অভিযোগের বিষয়ে কোনো স্পষ্ট বক্তব্য না দিয়ে তিনি বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগাযোগ নম্বর প্রদান করেন। এতে প্রকল্পটির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে নতুন প্রশ্নের জন্ম হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

0Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত ও সর্বস্বত্ত সংরক্ষিত।

Theme Customized By BreakingNews