1. dailyamarsongram71@gmail.com : Abu Yusuf : Abu Yusuf
  2. admin@dailyamarsongram.com : admin :
  3. shoyebmahmud08@gmail.com : Abul Kalam : Abul Kalam
  4. kazimaviation@gmail.com : Office Staff : Office Staff
  5. mdjakir349@gmail.com : Md. Jakir Hossain : Md. Jakir Hossain
  6. akazzad1@gmail.com : Abul Kalam : Abul Kalam
  7. msareza0075@gmail.com : Md Reza : Md Reza
  8. mizanamarsongrambd@gmail.com : Mizanur Rahman Chowdhury Tulu : Mizanur Rahman Chowdhury Tulu
  9. dailyamarsongrambd@gmail.com : Head Office : Head Office
April 26, 2026, 10:21 am
শিরোনাম :
তরফপুর ইউনিয়ন বিজ্ঞান ক্লাব ও পাঠাগারের উদ্দ্যোগে মেধা অন্বেষণ বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৪ এর চলছে রেজিষ্ট্রেশন। মহান বিজয় দিবস ও ও বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে সরোয়ার্দী উদ্যানে আলোচনা সভা। ‎সাভারে অস্ত্রসহ সন্ত্রাসী গ্রেফতার। ‎আশুলিয়ার জিরানী কাজী অফিসে অনিয়মের অভিযোগে ১৩ বছরের কিশোরীর বিয়ে। ‎সাভারের টঙ্গাবাড়ীতে ১ কেজি ৫০ গ্রাম হেরোইনসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। ‎আশুলিয়ায় সুদের টাকার জন্য স্বামী স্ত্রীকে মারধর; প্রতিবাদ করায় উল্টো অপ-প্রচার শনিবার এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি সফটওয়্যার উদ্বোধন ‘ভূত বাংলা’ সাফল্যের মধ্যেই নতুন ছবিতে অক্ষয় সুখবর পেলেন লামিন ইয়ামাল আবারও ইরানে হামলা করতে যাচ্ছে ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতির অপেক্ষায় গ্যাসচালিত পরিবহনে বেশি ভাড়া নিলে ব্যবস্থা: সড়কমন্ত্রী সাভার আশুলিয়া ধামসোনা ইউনিয়নে মানবতার আরেক নাম‎ মোঃ ইসরাফিল হোসেন‎ চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী‎।

‎আশুলিয়ায় সুদের টাকার জন্য স্বামী স্ত্রীকে মারধর; প্রতিবাদ করায় উল্টো অপ-প্রচার

  • সময়: Sunday, April 26, 2026
  • 2 View



‎মোঃ আলামিন ভূঁইয়া:
আশুলিয়ায় শাশুড়ীর গৃহীত সুদের টাকার জন্য পোশাক শ্রমিক স্বামী-স্ত্রীকে ধরে নিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে সুদখোর মিলন নামে এক ব্যাক্তিসহ তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে।

‎সাংবাদিকদের কাছে এবিষয়ে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী স্বামী-স্ত্রী। এরআগে ১৪ই এপ্রিল আশুলিয়ার নরসিংহপুর বিপুল ভিলা মোড় এলাকায় অবস্থিত মিলনের দোকানে এ ঘটনা ঘটে। পরে ভুক্তভোগী এবিষয়ে থানায় একটি অভিযোগও দায়ের করেন।

‎ভুক্তভোগী আসমানী আশুলিয়ার নরসিংহপুর শারমিন গার্মেন্টসের ৩নং গেট এলাকার বিপুল ভিলায় ভাড়া থেকে স্বামী-স্ত্রী মিলে একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন।

‎অন্যদিকে মাগুরা জেলায় অভিযুক্ত মিলনের গ্রামের বাড়ী। সে দীর্ঘদিন যাবৎ একই এলাকায় থেকে ব্যবসা করে আসছে।

‎এবিষয়ে ভুক্তভোগী আসমানী অভিযোগ করে বলেন, আমি এবং আমার স্বামী বিপুল ভিলায় ভাড়া থেকে শারমিন গার্মেন্টসে সহকারী অপারেটর পদে কাজ করে আসছি। আমি অফিস থেকে বাসায় ফিরছিলাম এমন সময় মিলন নামের এক দোকানদার ও একটি সমিতির মালিক আমাকে ডাক দেয়। বলে তোমার শাশুড়ী আমার কাছ থেকে টাকা নিছে, টাকা দিয়ে এখান থেকে যাবে। আমরা দুজনে নিজেরাই মিলে বিয়ে করায় শাশুড়ীর সাথে সম্পর্ক ভালো নেই এই কথা তার প্রতিত্তোরে বলায়, সে বলে তোমার শাশুড়ীর জায়গা জমির ভাগতো তোমরা পাবে। তাই টাকা দিয়েই এখান থেকে যেতে হবে। আমি বলাম শাশুড়ীকে টাকা দিছেন আমাদের জিগাইয়া দিছেন বা আমি এবিষয়ে কিছুই জানি না। পরে সে আমাকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। একপর্যায়ে আমার কানে স্বর্ণের দুল ও গলার চেইন জোরপূর্বক নিয়ে নেয়। এবং বলে টাকা দিয়ে এসব নিয়ে নিবে। পরে আমি কান্না করতে-করতে বাসার দিকে যাচ্ছিলাম এ অবস্থা দেখে আমার স্বামী জানতে চাইলে তাকে ঘটনা খুলে বলি। এরপরে আমার স্বামী এবিষয়ে জানতে মিলনের কাছে গেলে, সে আমার স্বামীকে ধরে মারধর করে জামা-কাপড় ছিড়ে ফেলে। এসময়ে সে বলে এবিষয়ে কাউকে জানালে বা থানায় কোন অভিযোগ দিলে, তোদেরকে এলাকা ছাড়া করবো বলে হুমকি দেয়। আমি এর সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষ বিচার চাই। 

‎আসমানীর স্বামী রাজীব বলেন, মিলন আমার মাকে সুদে ১০ হাজার টাকা দেয়। আমি এবং আমার স্ত্রী এবিষয়ে কিছুই জানিনা। এ কারণে আমার স্ত্রীকে সে টানা হেচড়া করে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে এবং কানের দুল ও গলার চেইন খুলে নেয়। পরে এঘটনা আমাকে বললে আমি এবিষয়ে জানতে গেলে সে আমাকেও ধরে মারধর করে। আমি এর বিচার চাই।

‎এদিকে, রাশেদ নামে এক স্থানীয় বলেন, এ ঘটনার সময়ে  শ্রমিকরা জড়ো হয় এবং প্রতিবাদ করে। পরে আমি ঘটনা জানতে পেরে আমিও প্রতিবাদ করি। আসলে মিলন দোকানদারীর আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে সুদের ব্যাবসা করে আসছে। সুদের  টাকা দিতে দেরী হলে, অনেককে মারধর সহ নানা অত্যাচারের শিকার হতে হয়। এবিষয়ে আমি কথা বললে এক শ্রেণির কুচক্রী মহলের ইশারায় সে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ ওয়েব পোর্টালে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে আমার বিরুদ্ধে নানা অপ-প্রচার চালায়, আমি এঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। সেই সাথে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের জোর অনুরোধ জানাই।

‎অন্যদিকে অভিযুক্ত স্বনির্ভর শ্রমজীবী সমবায় সমিতির মিলন বলেন, আমি আসলে ঐ মহিলার শ্বাশুড়ির কাছে টাকা পাবো। কিন্তু সে আমাকে টাকা না দিয়ে বাড়িতে চলে যায়৷ পরে আমি তার ছেলের বউকে রাস্তায় দেখতে পেলে তাকে ডেকে নিয়ে আমি টাকা চেয়েছি। এরমধ্যে তার স্বামী আসলে আমি রাগের বসত শার্টের কলার ধরে অফিসে ভিতরে নিয়ে বসাই। তবে এঘটনায় আমি তাদেরকে মারধর করিনি।

‎আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফরিদুল ইসলাম বলেন, এবিষয়ে একটি অভিযোগ হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত ও সর্বস্বত্ত সংরক্ষিত।

Theme Customized By BreakingNews