মৃত আঃ মাহেদ মাদবর ছেলে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ থেকে গত চার বছর আগে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল ঝামুকার প্রিয়ন হিসেবে বেতন ছাড়াই কর্মরত আছেন তাহলে কিভাবে চলতেন এবং তার সংসার বাড়ি ঘরও আর্থিক অবস্থাও ভালো ছিলনা, যে তিনি মানব সেবার জন্য কাজ করছে। সে মানব সেবার কাজ না করলেও প্রত্যেকটা শুনানি বা গেজেট অন্তর্ভুক্ত শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধের তদবীরে কাজ করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন টিটন, কোন কাজ করতে গেলে একজনের মাধ্যম লাগে আর সেই মাধ্যমে ছিলো প্রিয়ন টিটন বলে বেড়াতেন এমপি শাজাহান খান তার আত্মীয় সেই সুবাদেই কোন কাগজপত্র বা চিঠি ছাড়াই জামুকার মত এত বড় একটি প্রতিষ্ঠানে অফিসারের মতো চেয়ার টেবিলে বসে কাজ করতেন পিয়ন টিটন। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল ঝামুকার অনেক উদ্বোধতন কর্মকর্তার কাছে প্রিয়ন টিটনের কোন নিয়োগপত্র আছে কিনা কেউ তার সঠিক উত্তর দিতে পারেননি, তাহলে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল ঝামুকার নিরাপত্তা কোথায়! এতেই বুঝা যায় ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা বানানোর ঘটনা এখান থেকেই টিটনের নিয়োগের কোন ফাইল নেই কেন। যে কোন ফাইল, যে কোনো ডিভিশনে প্রিয়ন টিটন অর্থের বিনিময়ে ফাইল আদান-প্রদানেরও অভিযোগ আছে । শুধু তাই নয় গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, ফরিদপুর, শরীয়তপুর, বিক্রমপুর, নবাবগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ,কেরানীগঞ্জ, এবং নিজের এলাকার শিবচর পিয়ন টিটন অফিসার হিসেবে খুবই পরিচিত নিজ এলাকায় ঝামুকার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার জোগ সাজেশে বানিয়েছেন নিজের মৃত বাবাকেও বীর মুক্তিযোদ্ধা ১৪ জুন ২০২২ই তারিখে গেজেট নং ২৫০৬ প্রিয়ন টিটন এর কাছে, ২০২২ সালে তার বাবার গেজেট হেলন এর কারণ কি টিটন প্রশ্নের উত্তরে বলেন ৯০ দশকে আমার বাবা মারা যান তখন তারা ছোট ছিলেন উন্মুক্ত আবেদন বা এরকম সুযোগ-সুবিধা ছিল না তাই দেরি হয়েছে পিয়ন টিটনের, বাবা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন কিনা এলাকার মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন টিটন ক্ষমতার অপব্যবহার করে তার বাবাকে মুক্তিযোদ্ধা বানিয়েছেন আরো এলাকার অনেকেই বানিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা । এই বিষয়ে এলাকার প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা ক্ষিপ্ত , হাতিয়ে নিয়েছেন লক্ষ লক্ষ টাকা বানিয়েছে নতুন ঘর পদ্মা সেতুর ব্রিজের পাশে কিনেছেন দেড় কোটি টাকার জায়গা নামে বেনামে রয়েছে আরো অনেক সম্পত্তি তথ্য অনুসন্ধান করতে গিয়ে জানা যায় প্রিয়ন টিটনকে সব কাজে সাহায্য ও ব্যবহার করতেন ঝামুকার সরকারি পরিচালক আব্দুল খালেক এদের বিরুদ্ধে মহাপরিচালকের বরাবর ১৪ অক্টোবর ২০২৪ ইং তারিখে গণমাধ্যমে মানবাধিকার কর্মী তাদের কুকর্মের প্রমাণাদি দিয়ে দরখাস্ত দাখিল করে । অভিযোগের পাঁচ মাস হয়ে গেলেও তাদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নিলেন মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় ও ঝামুকা এই বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চাইলে বলেন তদন্ত হচ্ছে কমিটি করা হচ্ছে বলে শুধু এড়িয়ে যাচ্ছেন এ রহস্য কি একেরপর এক বেড়িয়ে আসছে ঝামুকার অনেক থলের বিড়াল ভুয়া মুক্তিযোদ্বা।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সোমবার ডিসি সম্মেলনের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধিবেশন শেষে , সাংবাদিকদের বলেন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক-ই আজম।
শুধু মুক্তিযোদ্ধাদের আইন গত ব্যবস্থা নিলে চলবে না যারা এদেরকে সহযোগিতা করেছেন তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে এবং রাষ্ট্রের টাকা ফিরিয়ে দিতে হবে প্রকৃত মুক্তি যোদ্ধাদের দাবি ও প্রত্যাশা
, অনুসন্ধান চলমান আছে।
Leave a Reply