স্টাফ রিপোর্টার: মো: আজিজ খান, পিতা: অজ্ঞাত, ৩৩নং ওয়ার্ড মোহাম্মদপুর যুবলীগের সহসভাপতি বর্তমানঘাটারচর ভিআইপি বাস ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত দায়িত্ব পালন করছেন লুকিয়ে লুকিয়ে ও বিগত আওয়ামীলীগ সরকার আমলে ক্ষমতার দাপট দেখাইয়া মোহাম্মদপুর সহ রাজধানী চলাচলের পরিবহন প্রজাপতি বাসের জোরপূর্বক বাস দখল করিয়া মালিক বনিয়ে দীর্ঘ ১৬ বছর পর্যন্ত চাঁদাবাজ সন্ত্রাসী পরিবহন সেক্টরে করেছিলেন। এবং নিরীহ মানুষের বাস জোরপূর্বক দখল করিয়া নেন চাঁদার টাকা থেকে। এবং প্রজাপতি গাড়ি মালিক না হয়ে অপরের গাড়ী নিজের বলিয়া বিক্রি করেন। এমনিভাবে সাংবাদিক শেখ মোহাম্মদ আলীর কাছে ১৪৫ প্রজাপতি একটি বাস ৯ লক্ষ টাকায় বিক্রি করেন বিগত ০৫/০৬/২০২৪ইং তারিখে এবং ১ লক্ষ টাকা নেন ২ মাসের ভিতরে গাড়ি বুঝিয়ে দিবে। টাকা গ্রহনের পর বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য নানকের ভয়ভীতি দেখাইয়া সাংবাদিক শেখ মোহাম্মদ আলীকে তাড়িয়ে দেয় সন্ত্রাসী দিয়া এবং টাকা দাবি করলে পরিবার পরিজনকে অপহরণ ও হত্যা করার হুমকি দেয়। ঐ সময় থানা পুলিশের কাছে অভিযোগ করিয়েও কোন ফায়দা হয় না। আগস্টে ছাত্রজনতার আন্দোলনের সময় এই আজিজ খান নানক ও কামরুল ইসলামের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী হয়ে ছাত্রজনতার উপর মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডী ও লালবাগে হামলা করেন। পরবর্তীতে গা ঢাকা দিয়ে মুখে দাড়ি রাখিয়া দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। পরবর্তীতে প্রজাপতি গাড়িতে ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব নিছে বলিয়া এখন দেখা যাচ্ছে। ছাত্রজনতার উপর হামলাকারী আজিজ খানকে। সাংবাদিক শেখ মোহাম্মদ আলীর ছেলে আরিফুল ইসলাম ঘাটারচর এলাকায় আজিজ খানকে দেখতে পেয়ে পাওনা টাকা দাবি করেন। সন্ত্রাসী আজিজ খান ও অজ্ঞাত নামা আরও ৫-৬ জনকে নিয়ে ঘাটারচর এলাকার এস্ট্যান্ডে পার্কিং করা গাড়ি ঢাকা মেট্রো-ভ ১১১০২৪ গাড়িতে জোর পূর্বক ঢুকিয়ে ব্যাপক মারধর করেন। এমনকি আরও বলেন আগস্টের ৩, ৪, ৫ তারিখের আন্দোলনের বাস এস্ট্যান্ডের সকল শ্রমিক মালিকদেরকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রজনতার উপর হামলা করার জন্য বলেন। কিন্তু যুবলীগের নেতা আজিজ খান এর প্রস্তাবের বিরোধীতা করায় ও পাওনা টাকা কে কেন্দ্র করিয়া সাংবাদিক শেখ মোহাম্মদ আলীর পুত্রকে আরিফুল ইসলামকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে হামলা করেন। ১৪/০১/২৫ইং তারিখে মারাত্মক আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এ জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হয়। কর্তব্যরত ডাক্তার মারাতাক যখম ও পুলিশ কেস হিসেবে একটি সনদ প্রদান করেন। বর্তমানে আহত সাংবাদিক পুত্র আরিফুল ইসলাম মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্চা লড়চে। এই বিষয়ে সাংবাদিক শেখ মোহাম্মদ আলী অফিসার ইনচার্জ কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় কোন মামলা রেকর্ড হয়নি। হামলাকারী যুবলীগে নেতা ও তার সহযোগীরা এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে।
Leave a Reply