হিরো খানঃ
পাবনার ঈশ্বরদীর গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ড. আসলাম হোসাইনকে চাকরিচ্যুত করার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী অধ্যক্ষের অভিযোগ, দীর্ঘদিন যাবৎ তার প্রতিষ্ঠানের এক শিক্ষিকার নেতৃত্বে বিভিন্নভাবে তাকে হেনস্থা করার অপচেষ্টায় মেতেছে একটি স্বার্থান্বেষী মহল। গেল ৫ আগষ্টে আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর শিক্ষার্থী- অভিভাবকদের উসকানি দিয়ে সেই সুযোগ কাজে লাগানোর জন্য মরিয়া সেই অসাধু চক্রটি।
গেল ৫ আগষ্ট আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে পদত্যাগের দবিতে আন্দোলনে নামে শিক্ষার্থীরা। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে পাবনার ঈশ্বরদীর গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ড. আসলাম হোসেনকে পদত্যাগ করানোর নীল নকশা করে একটি স্বার্থান্বেষী মহল। পরে শিক্ষার্থীদের বিভিন্নভাবে ভুল বুঝিয়ে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে উস্কানি দিয়ে আন্দোলনের মাধ্যমে তাকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়। ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এক শিক্ষিকার নেতৃত্বে সুবিধাবাদী চক্রটি কয়েকজন ছাত্রীকে দিয়ে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরে। পরে অধ্যক্ষ আসলাম হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করার পর ঘটনা তদন্তে গঠন করা চার সদস্যের তদন্ত কমিটি। বর্তমানে এই অধ্যক্ষকে চাকরিচ্যুত করাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে সেই অসাধু চক্রটি, গোপনে চালাচ্ছে বিভিন্ন অপতৎপরতা। অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী ছাতীদের সাথে যোগাযোগ করা হলে বেশিরভাগই কথা বলতে চায়নি ক্যামেরার সামনে। তবে এক ছাত্রী জানায় পিকনিকের টাকা ফেরত না দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযোগ করে সে। আর তার মায়ের কথায় উঠে আসে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এক শিক্ষিকার নাম।
এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বর্তমান পরিস্থিতি আর পূর্বের প্রেক্ষাপট নিয়ে কথা হয় একাধিক অভিভাবক ও শিক্ষকের সাথে।
অনৈতিক সুযোগ সুবিধা না পেয়ে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে একটি অসাধু চক্র। বলছেন এ অধ্যক্ষ।
ড. আসলাম হোসেন, অধ্যক্ষ,(সাময়িক বরখাস্ত)
তার দাবি, ব্যক্তিগত ছবি দেখিয়ে ছাত্রীদের ভুল বোঝানো হয়েছে। এছাড়াও সাময়িক বরখাস্ত করা হলেও আনুষ্ঠানিকভাবে কোন চিঠি পাননি বলে জানান তিনি।
এদিকে কয়েকজন সাংবাদিক ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গেলে তাদের সাথে চরম অসদাচরণ করেন এক শিক্ষিকা। এসময় সাংবাদিকদের নামে মামলা করবেন বলেও হুমকি দেন তিনি।
ফারহানা, শিক্ষিকা।
জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বলছেন, শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে নিয়মানুযায়ী নেওয়া হয় ব্যবস্থা। তবে কেউ উস্কানি দিয়ে কোন কিছু করালে ছাড় দেওয়া হবেনা।
রোস্তম আলী হেলালী
জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, পাবনা।
আরো বলেন এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দ্রুত শান্তি- শৃংখলা আর শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান শিক্ষক, অভিভাবক ও সচেতন মহলের।
Leave a Reply