রিপোর্টার:নিজস্ব প্রতিনিধি সৈরাচার খুনি হাসিনা ও তার দোসরদের ফাঁসি চেয়ে ঢাকার কলাবাগানের দেয়ালে,দেয়ালে পোষ্টার লাগিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতার একটি পক্ষ।এ সময় দৈনিক আমার সংগ্রাম পত্রিকার নিজস্ব প্রতিনিধির প্রশ্নের জবাবে ছাত্র জনতা আন্দোলনের একজন সদস্য নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তিনি বলেন পোষ্টারে যাদের ছবি সংবলিত আছে তারা সৈরাচার খুনি হাসিনার অন্যতম দোষর।কলাবাগান, ধানমন্ডি ৩২,ডলফিন গলি,লেকসার্কাস, পান্থপথ এলাকায় ছাত্র জনতার উপরে হামলা এবং হত্যার মদদ দাতা হিসেবে সক্রিয় ভাবে কাজ করেন তারা। এ বিষয়ে সংবাদ প্রতিনিধি মাঠ পর্যায়ে খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পারে মো: বাবলু আওয়ামী লীগের কলাবাগান থানার সভাপতি ছিলেন, কলাবাগান থানা এলাকায় বাবুলর নেতৃত্বে সাধারণ বাসিন্দা,ব্যবসায়ি,এবং ছাত্র জনতার উপর ব্যাপক অত্যাচার চালিয়েছে জানা যায়। মানিক ঢালী কলাবাগান থানা আওয়ামী লীগ নেতা এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ি, ছাত্র জনতার সংগ্রামের সময় ছাত্রলীগ,যুবলীগ,সেচ্ছাসেবকলীগের ক্যাডার সন্ত্রাসীদের অস্ত্র ও মাদকের জন্য অর্থায়ন করে জানায় এলাকার নাগরিক গন।পূর্ণ কলাবাগান থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। সাংগঠনিক সম্পাদক থাকা অবস্থায় কলাবাগান এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেন। তার অন্যতম সহযোগী হিসেবে রানা ঢালী , এ্যাডভোকেট রুমি,ঢালিপাড়া ও ডলফিন গলি ইউনিট আওয়ামীলীগের সভাপতি খোকন,১৭ নাম্বার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক রাঙ্গা বাবু সহ আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী বাহিনী ছাত্র জনতা আন্দোলনের সময় ব্যাপক হামলা চালায় জানা যায় স্থানীয় সূত্রে। পাপ্পা ডলফিন পরিবহনের মালিক রাজু তার ছেলে। ডলফিন পরিবহনের মালিক রাজু ছিলেন শেখ মজিবুর রহমানের কাছের। এই সাইনবোর্ড ব্যবহার করে মো:পাপ্পা আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার সময় পরিবহন চাঁদাবাজি সহ বিভিন্ন ভাবে অনৈতিক পন্থা অবলপন করে কলাবাগান এলাকায় বাড়ি, পরিবহন ও শত শত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন।মো:আজমল একসময় বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন।২০০৮ সালে রাজনীতির পালা বদলের সাথে সাথে সুযোগ সন্ধনী ব্যাক্তি আজমল আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে সক্রিয় ভাবে জড়িত হন।আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত হয়ে কলাবাগান ক্লাবের কর্মকর্তার পদ বাগিয়ে নিয়ে ক্লাবের উন্নয়ন কার্যক্রমের নামে বেহিসাব দুর্নীতি করেন। এবং ছাত্র জনতা আন্দোলনের সময় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ক্যাডারদের অর্থায়ন করে বলে জানায় স্থানীয় এলাকাবাসি।কলাবাগান এলাকার জনগণ আরো জানান, এই চিন্হিত আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা কলাবাগান এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে ও সাধারণ মানুষ সহ স্থানীয় ব্যবসায়িদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে রাখতেন।এ সকল আওয়ামী সন্ত্রাসীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করেন স্থানীয় এলাকা বাসি।
Leave a Reply