তথ্য সংগ্রহ করায় সাংবাদিক তাওলাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জ জেলায় কাচপুর ব্রিজটি দিয়ে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদাবাজি করছে এক শ্রেণীর সন্ত্রাসীরা। অভিযোগে জানা যায় কাচপুরের এই ব্রিজের সাথে তিনটি বিভাগের জনসাধারণের চলাফেরার একমাত্র পথ। এই ব্রিজ তার আশেপাশে প্রতিদিন যানজট লেগে থাকে সরকার এই যানজট মুক্ত করার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করছে।
বর্তমানে এই রোডের আশেপাশে চাঁদাবাজদের দূরত্ব দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। কাচপুর ব্রিজের নিচে অর্থাৎ ঢালে নরসিংদী সিলেট রোডের পাশ দিয়ে হাজার হাজার গাড়ি আসা-যাওয়া করে। আর এইখানে চাঁদাবাজদের দূরত্ব অর্থাৎ চাঁদাবাজের একটি ঘাঁটি প্রতিষ্ঠিত করে। চাঁদাবাজরা প্রতি গাড়ি থামিয়ে ৫০/১০০ টাকা করে নেয়। এ বিষয়ে এক চাঁদা আদায়কারী কে জিজ্ঞাসা করলে তারা বলেন এই রোডে চাদার টাকা বহু লোককে ভাগ বাটোরা হয়ে থাকে। এবং এই চাঁদা আদায়ের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের অনুমতি রয়েছে। এবং প্রতিদিন চাঁদা আদায় করার জন্য চাঁদাবাজরা নাকি রোডটি ইজারা নিয়েছে। এ বিষয়ে দৈনিক আমার সংগ্রাম পত্রিকা সংবাদ কর্মী তাওলাদ সরজমিনে তথ্য সংগ্রহ করায় চাঁদাবাজার ঐক্য যোগ হয়ে সাংবাদিক তাওলাদকে পুলিশের সোর্স মাদক ব্যবসায়ী চাঁদাবাজ বানিয়ে নারায়ণগঞ্জ থেকে প্রকাশিত দৈনিক ডান্ডি বার্তা একটি মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে। সংবাদে শিরোনাম কাঁচপুরে আতঙ্ক সোর্স তাওলাদ,কেননা সাংবাদিক তাওলাদ চাঁদাবাজদের রহস্য উদঘাটন করায় তার বিরুদ্ধে এই অপপ্রচার। তাওলাদের সংগ্রহ করা সংবাদ ২৮/০৭/২০২৪ তারিখে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয় সংবাদে শিরোনাম কাচপুর হাইওয়ে রাস্তার সংলগ্নে পরিবহন গাড়ী থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রশাসন নিবিকার। এই সংবাদ প্রকাশ করার পরেই চাঁদাবাজরা ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিকতা তাওলাদের বিরুদ্ধে গণমাধ্যম কর্মীদেরকে ভুল তথ্য দিয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করায়।এ বিষয়ে সাংবাদিক তাওলাদ বলেন আমি নারায়ণগঞ্জ এলাকার সোনারগাঁও উপজেলার কাচপুর সোনাপুর বটতলার একজন বাসিন্দা আমার পূর্বপুরুষের মধ্যে বাংলাদেশের কোন থানায় কোন একটি জিডি ও নেই অথচ চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে তথ্য সংগ্রহ করায় আমি এখন পুলিশের সোর্স মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসী কোরিয়া ৩১ জুলাই ২০২৪ নারায়ণগঞ্জ থেকে প্রকাশিত দৈনিক ডান্ডি বার্তা শেষের পৃষ্ঠায় ৭ এর কলমে দৈনিক ডান্দি বার্তায় যে সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে তা মিথ্যা ও বানোয়াট এই সংবাদ এর সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই তিনি আরো বলেন চাঁদাবাজদের তথ্য সংগ্রহ করায় যেকোনো সময় আমি বা আমার পরিবার হত্যা বা গুম হতে পারে। এ বিষয়ে সাংবাদিক তাওলাদ জেলা পুলিশ সুপার নারায়ণগঞ্জ ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোনারগাঁও থানায় পৃথক অভিযোগ দায়ের করেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সাংবাদিক তাওলাদ ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে।
চলবে
Leave a Reply