বিশেষ প্রতিনিধ : কুমিল্লা জেলার মোহাম্মদপুর গ্রামের অধিবাসী সিরাজুল ইসলাম ১৯৮৭ ইং সালে ৩৫ বছর আগে একই এলাকা গিয়াস উদ্দিন ও জসীম উদ্দিন নামে দুই ভাইয়ের কাছ থেকে ৩৪ শতাংশ জায়গা, যাহার দাগ নং-৪৫৭,৪৮১, খতিয়ান নং-২৭৫, জে এল নং-১৭, মৌজা ঃ বলরামপুর, থানাঃ মেঘনা, জেলাঃ কুমিল্লা। ২৯-০১-২০১৮ ইং তারিখে ২ দাগে ক্রয়কৃত ৫০ শতক সম্পত্তি মোঃ হান্নান ও মনসুর গংদের কাছে বিক্রি করে। ক্রয় কৃত সম্পত্তি সিরাজুল ইসলাম এর নামে খাজনা খারিজ রয়েছে। সেই মতে তিনি তার ক্রয়কৃত সম্পত্তি বিক্রি করে । সম্পত্তিতে জটিলতা থাকিলে সম্পত্তি বিক্রি করতে পারতনা সিরাজুল ইসলাম। এমনিভাবে মনসুর গংরা সিরাজুল ইসলামের কাছ থেকে ৩০০ টাকার নন জুডিসিয়াল ষ্টামে সিরাজুল ইসলামের স্বাক্ষর জাল করে একটি চুক্তিপত্র করেন। যাহা সিরাজুল ইসলাম জানেন না। মনসুর এলাকার সন্ত্রসী থানা পুলিশকে হাত করে সিরাজুল ইসলামের কাছ থেকে ৪০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদাবাজ ভূমি দস্যুরা হলেন -আলমগীর হোসেন, পিতা মৃত লক্ষী খলিফা, ডালিম, পিতা মৃত লক্ষী খলিফা, মোঃ গনি, পিতাঃ মোসলেম, আবু বক্কর, পিতা মৃত দোইক্কা, সাবেক ইউ.পি সদস্য, মোজম্মেল সাবেক ইউ.পি সদস্য, পিতা মৃত দরবেশ, ফারুক সরকার, পিতা মৃত সোবহান সরকার, সর্ব সাংঃ মোহাম্মদপুর, থানাঃ মেঘনা, জেলাঃ কুমিল্লা। সন্ত্রাসীদের আশ্রয় ও পশ্রয় দিচ্ছে মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ছমিউদ্দিন। গত ০৮-০৮-২০২২ ইং তারিখে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ছমিউদ্দিন, সিরাজুল ইসলামকে থানায় ডেকে নিয়ে সাসাইয়া বলেন- তার ছেলে আব্দুর রাজ্জাককে থানায় আনতে বলে। তা না হলে চাঁদাবাজির মামলা ও ইয়াবার মামলা দিয়ে ডুকিয়ে দিবে। পরবর্তীতে আব্দুর রাজ্জাক ও.সি কে ১ লক্ষ টাকা সন্ত্রাসী ডালিমের মাধ্যমে দিয়ে ছাড়া পায়। এ বিষয়ে ১১-০৮-২০২২ ইং তারিখে আইজিপি’স কমপ্লেইন মনিটরিং সেলা, পুলিশ হেডকোয়াটার, ঢাকায় ১টি অভিযোগ দায়ের করেন, যাহার এস.এল নং-৭১৭। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ছমিউদ্দিন অসহায় ও বৃদ্ধ সিরাজুল ইসলামকে ৯ ঘন্টা থানায় রাখিয়া চরম নির্যাতন করে পরবর্তীতে মুচলেকা রাখিয়া ১ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ছাড়িয়া দেয়। অপরাধ ০৭/০৭/২০২২ ইং তারিখে জেলা পুলিশ সুপার কুমিল্লা কার্যালয়ে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করায় সিরাজুল ইসলামকে নির্যাতন করে। বর্তমানে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ছমিউদ্দিন ও তার লালিত সন্ত্রাসীদের ভয়ে নিজ এলাকা ছেড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে ঢাকায়। ভূমি সংক্রান্ত কোন বিষয় থাকলে তা দেখবে দেওয়ানী আদালত। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ছমিউদ্দিন আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে থানায় আদালত বসাইয়া জেল-জরিমানা ক্ষমতা প্রয়োগ করেন যা সম্পুর্ণ বেআইনি। যে কোন সময় সিজাজুল ইসলাম ও তার সন্তানকে মিথ্যা মামলা ও হত্যা বা গুম করতে পারে বলে আব্দুর রাজ্জাক জানান। সোসাল মিডিযায় আব্দুর রাজ্জাক বলেন আমার পরিবার পরিজন নিয়ে সন্ত্রাসী ডালিম গংদের ভয়ে এলাকা থেকে বিতারিত। সন্ত্রাসীরা ও.সির সহযোগিতা নিয়ে করছে এলাকায় চাঁদাবাজি ও ভূমি দখল তাদের কালো হাত থেকে বাচার জন্য মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর সাহয্য চেয়েছে আব্দুর রাজ্জাকের নামিয় ফেইসবুকের লাইভে প্রচার করেন।
প্রচার পর্ব-৩
Leave a Reply