1. dailyamarsongram71@gmail.com : Abu Yusuf : Abu Yusuf
  2. admin@dailyamarsongram.com : admin :
  3. shoyebmahmud08@gmail.com : Abul Kalam : Abul Kalam
  4. kazimaviation@gmail.com : Office Staff : Office Staff
  5. akazzad1@gmail.com : Abul Kalam : Abul Kalam
September 2, 2026, 12:42 pm
শিরোনাম :
তরফপুর ইউনিয়ন বিজ্ঞান ক্লাব ও পাঠাগারের উদ্দ্যোগে মেধা অন্বেষণ বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৪ এর চলছে রেজিষ্ট্রেশন। মহান বিজয় দিবস ও ও বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে সরোয়ার্দী উদ্যানে আলোচনা সভা। মব নিয়ন্ত্রণে এনেছে সরকার এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, নেপথ্যে স্বার্থান্বেষী মহলের ষড়যন্ত্র নির্বাহী প্রকৌশলী মুজাহীদুল ইসলাম আলীফকে ঘিরে অপপ্রচারের অভিযোগ, অনিয়মের প্রমাণ মেলেনি ৪ সংসদীয় স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা উপেক্ষা করে শাহেদ আহমেদ মজুমদারকে ফের শোন-অ্যারেস্ট।  ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক সৎ নিষ্ঠাবান শহীদ আতাহার হোসেন এর বিরুদ্ধে অপপ্রচার। ‎শ্রীপুর পৌরসভায় অনিয়মের অভিযোগ,প্রশ্নের মুখে নির্বাহী প্রকৌশলী। গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ বদরুল আলম খানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের চুয়াডাঙ্গার নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ দেলোয়ার হোসেনকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি বিভিন্ন ধরনের অপ-প্রচার যাহা নিন্দনীয়। বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর গর্ব সিলেট মহানগর মোগলাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনির হোসেন এর বিরুদ্ধে  স্বার্থান্বেষী মহলর গভীর ষড়যন্ত্র। 

আশুলিয়ায় মিসকেস আর নামজারী প্রতারনা,হয়রানী বন্ধে এসিল্যান্ডের গণ শুনানি।

  • সময়: Thursday, May 15, 2025
  • 62 View

বিশেষ প্রতিনিধি : আশুলিয়া থানাধীন ৪ টি ইউনিয়ন অন্তর্ভুক্ত ৭২টি মৌজাস্থ ভূমি গুলোর মালিকানা নিয়ে নানান জটিলতা রয়েছে। এই ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা দুরীকরনে আশুলিয়া রাজস্ব সার্কেল সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বহিী ম্যাজিষ্ট্রেট সাদিয়া আক্তার খোলা স্থানে গনশুনানী পরিচালনা করছেন।সরেজমিনে ঘুরে দেখো গেছে, প্রতিনিয়তই আশুলিয়া থানাধীন ৪ টি ইউনিয়ন অন্তর্ভুক্ত ৭২টি মৌজাস্থ ভুমি গুলোর মালিকানা নিয়ে নানান জটিলতায় মামলা হচ্ছে। পক্ষ-বিপক্ষ নিয়ে চলছে ধ্রুম্রুজাল। একে অপরের জমি আত্নসাৎ করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। কিছু অর্থপিপাষু বহিরাগতদের আকৃষ্ট ও নির্ভরে থাকা ভুমি মালিকরা জিম্মী রয়েছে। ভুমি অফিস আর কর্মকর্তা কর্মচারীদের নামে অর্থ গ্রহনের পায়তারা করছে কিছু অর্থপিপাষু। এসকল জটিলতা দুরীকরনে এবং ভুমি সেবা গ্রহনকারীদের পুর্ণাঙ্গ সেবা দিতে আশুলিয়া রাজস্ব সার্কেল সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও নির্বহিী ম্যাজিষ্ট্রেট সাদিয়া আক্তার খোলা স্থানে মিসকেস ও নামজারী মামলা গুলো গনশুনানীর মাধম্যে পরিচালনা করছেন। এসময় দেখা গেছে ভুমি মালিকরা একে অপরের বক্তব্য সকলের সামনে তুলে ধরছেন, ভূমি জটিতার কারণ বাস্তবে শুনতে ও দেখতে পারছেন সাধারণ গ্রাহকরা। এতে করে ন্যায় বিচার প্রতিয়মান হচ্ছে।এ ব্যপারে জানতে আশুলিয়া আইনজিবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট এম এ গাফ্ফার জানান, এই অফিসে যথাযথ নিয়মে ও হয়রানী মুক্ত নামজারী ও মিসকেস গুলো নিষ্পত্তি হয়। কোন রকম উৎকোচ লেনদেন হয়না। তবে কিছু স্বার্থবাদী অর্থ পিপাষু রয়েছে যারা অবৈধ কাজ নিষ্পত্তি করাইতে না পারলে ও নিজেদের স্বার্থ হাসিল না হলে সংবাদকর্মীদের মিথ্যা তথ্য প্রধান করে। যার কারনে কিছু সমস্যায় পরতে হয় অফিস কর্তৃপক্ষের। এতে সাধারণ গ্রাহকরা ক্ষতির সম্মুক্ষিন হয় গনশুনানীতে উপস্থিত একজন গ্রাহক নাম না প্রকাশ করা শর্তে বলেন, গনশুনানী করায় বেশি সমস্যা হবে কারন মামলা খোলা মেলা অবস্থানে মিসকেস শুনানী করায় বাদী-বিবাদী উপস্থিত হবে আর এখন মারামারি শুরু করবে। তাহলে কি লুকুচুরি করে একতরফা রায় দিলে ভালো হয় এই প্রতিবেদকের প্রশ্নের জবাবে গ্রাহক বিষয়টি এড়িয়ে যান। অন্যান্য গ্রাহকরা বলেন, এই প্রক্রিয়াকে আমরা সাধুবাদ জানাই কারন । এই প্রক্রিয়াটি অব্যাহত থাকলে সকলেই ন্যায় বিচার পাবে এবং সত্য ও মিথ্যা সকলের সামনে প্রকাশ পাবে।গনশুনানী কেন করা হচ্ছে এই প্রশ্নের জবাবে আশুলিয়া রাজস্ব সার্কেল সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বহিী ম্যাজিষ্ট্রেট সাদিয়া আক্তার বলেন, ভূমি অফিসের সরাসরি তদারকি বাড়লে সেবার গুণগত মান উন্নয়নের পাশাপাশি জনআস্থাও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই প্রক্রিয়াটি সকলের সামনে উপস্থাপিত হলে সকলে দেখতে ও শুনতে পায় কিভাবে কার্যক্রম এগোচ্ছে এবং কোন প্রক্রিয়ায় সমাধান হয়। আমার লক্ষ্য দুর্নীতিমুক্ত ও স্বচ্ছ প্রশাসন নিশ্চিত করে জনগণকে তাদের প্রাপ্য সেবা দেওয়া। অনেক সময় দেখা যায় এসিল্যান্ডের কক্ষে প্রবেশের পুর্বে দালাল চক্র গ্রাহকদের ফাঁদে আটকে ফেলে সেই সুযোগটা যেন তারা না পায় সেই কারনে গণশুনানিকে আমরা নিয়মিত প্রক্রিয়ায় রূপান্তর করতে চাই। এই উদ্যোগের সফলতা ভূমি ব্যবস্থাপনায় একটি মডেল হিসেবে পরিচিতি পেতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয় প্রশাসন ও সুশীল সমাজ।এসময় উপস্থিত ছিলেন, আশুলিয়া রাজস্ব সার্কেল সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট অফিসের দায়ীত্ব প্রাপ্ত কানুনগো মো: হাবিবুল্লাহ খানসহ অন্যান্য কর্মকর্তাগন।

0Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত ও সর্বস্বত্ত সংরক্ষিত।

Theme Customized By BreakingNews