রিপোর্টার:মো:আরাফাত হোসেন:মিসেস সাদিয়া ইসলাম নিসা(২৫),স্বামী আকিল হোসেন সেজান।মিসেস সাদিয়া একজন গৃহিণী,স্বামী প্রবাসী।বসবাস করেন ৮৪/ও ২য় তলা,বাবরী মসজিদ রোড,পুলপার,মোহাম্মদপুর ঢাকা।মো:আশরাফ হোসেন রানা(৩৪) সম্পর্কে মিসেস সাদিয়ার মেজো ভাসুর।আশরাফ আওয়ামী লীগের সময়ে কাউন্সিলর খোকনের একজন অনুসারী।এবং এলাকার একজন চিন্হিত মাদক সেবনকারী।কাউন্সিলর খোকনের একজন অনুসারী হওয়ায় বিগত সময় এলাকায় বিভিন্ন ভাবে সাধারণ মানুষের উপর অন্যায় অত্যাচার করতো ও চিন্হিত চাঁদবাজ হিসেবে প্রকাশ্যে পরিচিত।ভয়ে এলাকার কেউ তাকে কিছু বলার সাহস পেতো না।মো:আশরাফ হোসেন রানা দীর্ঘদিন পৈতৃক সম্পত্তির ভাগাভাগি নিয়ে পরিবারের সবাইকে হুমকি দিয়ে আসছে এবং সম্পত্তির ভাগ কাউকে দিবে না বলে জানিয়ে দেয়।গত ০২/০৯/২০২৪ইং তারিখে বিকাল ৪টা নাগাদ হঠাৎ করে বাসার কেচিগেট ভাঙতে শুরু করে, সেই সময় মিসেস সাদিয়া তার বড় ভাসুরকে জানায়।বড়ভাই যেয়ে মেজো ভাইকে থামানোর চেষ্টা করলে বড়ভাই ও ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর করে। এক পর্যায়ে বড়ভাই ভয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়, সময় ছোট ভাইয়ের স্ত্রী সাদিয়ার শরীর থেকে গয়না খুলে নেয় এবং ঘরে প্রবেশ করে নগদ টাকা সহ প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র নিয়ে যায় বলে জানান মিসেস সাদিয়া। মিসেস সাদিয়া আরও বলেন এক পর্যায়ে তিনি একটি ঘরে প্রবেশ করেন এবং বাচার জন্য পুলিশের হেল্প লাইন ৯৯৯ এ ফোন দেন।স্বামীর ছোট বোন ভাবি সাদিয়াকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়ার সময় তাকেও মারধর করে।এবং ছোট ভাইয়ের স্ত্রী সাদিয়াকে বলে শশুরবাড়ি আর আসলে জানে মেরে ফেলবে বলে হুমকি দেয় মেজো ভাসুর আশরাফ।পুলিশ আসার আগে স্বামী বিদেশে থেকে আসলে তাকেও মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায় আশরাফ রানা।পুলিশ এসে মিসেস সাদিয়াকে উদ্ধার করে এবং আশরাফ রানাকে ধরতে ব্যর্থ হয়।মিসেস সাদিয়া সংবাদ মাধ্যমকে জানায় তিনি থানায় মামলা করেন কিন্তু কিভাবে আশরাফ রানা জামিন নিয়ে নেয় তা তিনি জানেন না ও পরবর্তীতে পুলিশের সহযোগিতা চাইতে গেলে সংশ্লিষ্ট থানার কর্মকর্তারা তার জামিনের দোহাই দিয়ে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে জানান ভুক্তভোগী মিসেস সাদিয়া ইসলাম নিসা।
Leave a Reply