1. dailyamarsongram71@gmail.com : Abu Yusuf : Abu Yusuf
  2. admin@dailyamarsongram.com : admin :
  3. shoyebmahmud08@gmail.com : Abul Kalam : Abul Kalam
  4. kazimaviation@gmail.com : Office Staff : Office Staff
  5. mdjakir349@gmail.com : Md. Jakir Hossain : Md. Jakir Hossain
  6. akazzad1@gmail.com : Abul Kalam : Abul Kalam
  7. msareza0075@gmail.com : Md Reza : Md Reza
  8. mizanamarsongrambd@gmail.com : Mizanur Rahman Chowdhury Tulu : Mizanur Rahman Chowdhury Tulu
  9. dailyamarsongrambd@gmail.com : Head Office : Head Office
April 15, 2026, 8:26 pm
শিরোনাম :
তরফপুর ইউনিয়ন বিজ্ঞান ক্লাব ও পাঠাগারের উদ্দ্যোগে মেধা অন্বেষণ বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৪ এর চলছে রেজিষ্ট্রেশন। মহান বিজয় দিবস ও ও বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে সরোয়ার্দী উদ্যানে আলোচনা সভা। মিলাদের বিরিয়ানি চাওয়ায় দিনমজুরকে রড দিয়ে মেরে আহত। ‎আশুলিয়ায় ডিবির অভিযানে অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেফতার। মাদারীপুরে পাঁচটি ইটভাটার বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত, জ্বালানি কাঠ জব্দের নির্দেশ পুলিশের কেউ অপরাধ করলে ছাড় নয় তিন মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৩৬ আহত ৪০৭৮ ভালুকা বাস টার্মিনালে চাঁদাবাজির অভিযোগ: শ্রমিক দলের সভাপতি আমিনুলের বিরুদ্ধে। বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, চাংক্রান, বিষু ও চাংলান উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা এস্পানিওলকে উড়িয়ে শীর্ষস্থান মজবুত করল বার্সেলোনা আবারও ইরানের পরমাণু অস্ত্র নিয়ে অদ্ভূত দাবি করলেন নেতানিয়াহু নোয়াখালী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ

মিলাদের বিরিয়ানি চাওয়ায় দিনমজুরকে রড দিয়ে মেরে আহত।

  • সময়: Wednesday, April 15, 2026
  • 9 View

আশুলিয়া প্রতিনিধি: আশুলিয়ায় এক শিশু মিলাদের বিরিয়ানি না পেয়ে কান্না করলে, তা দেখে এক দিনমজুর বিরিয়ানি চাইতে গেলে অশোভন আচরন ও পরে রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করে আহত করার অভিযোগ উঠেছে মসজিদ কমিটির সেক্রেটারির বিরুদ্ধে। এঘটনায় আশুলিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে ভুক্তভোগী দিনমজুর সুমন আলী (৩০)।১২ এপ্রিল রোববার দুপুরে ঘটনার তদন্ত করে সন্ধ্যায় সত্যতা নিশ্চিত করেন আশুলিয়া থানার এস আই মোঃ হোসেন। এর আগে ১০ এপ্রিল শুক্রবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন আমবাগান এলাকার কেন্দ্রীয় মসজিদে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি আশুলিয়া থানার আমবাগান এলাকার ফজলুল হকের পুত্র মাজারুল হক বাবু (৪২)। ঘটনার দিন ভুক্তভোগীকে রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করলে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেয় ভুক্তভোগী। পরে এঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।ভুক্তভোগী সুমন আলী রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী থানার আব্দুল জব্বারের ছেলে। সে আশুলিয়ার আমবাগান এলাকায় জলিল মাস্টারের বাড়িতে ভাড়া থেকে রাজমিস্ত্রির কাজ করেন।ভুক্তভোগী সুমন বলেন, ‘১০ তারিখ জুম্মাবার মসজিদে মিলাদ হলে বিরানির প্যাকেট নিয়ে বের হয়ে দেখি, বাড়িওয়ালার নাতি আট বছরের রেদওয়ান কান্না করছে মিলাদের বিরানি না পেয়ে। তার জন্য বিরানি চাইতে গেলে মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি মাজারুল হক বাবু আমাকে ইশারায় থাপ্পর দেখান ও গালাগালি করেন। এ ঘটনায় আমি অপমানিত হয়ে চলে আসি। পরে বিকেলে আছরের নামাজ পড়ে সেই সেক্রেটারিকে জানাই, আমার সাথে এমন না করলেও পারতেন। মিলাদের বিরানি তো কারো ব্যক্তিগত না, আমরা তো ভিক্ষা চাইতে আসিনাই। তাহলে আমাকে কেন অপমান করলেন। এ কথা বলতেই তিনি আমাকে বলেন, তোর মত লোককে মারতে কি লাগে। এবং গালাগালি করে আমাকে মারতে শুরু করেন। এক পর্যায়ে তিনি পাশে থাকা রোড দিয়ে আমাকে বেধড়ক পিটান। সাথে আরো দুইজন এসে তাকে সহযোগিতা করেন আমাকে মারতে। পরে আমাকে আহত অবস্থায় এলাকাবাসী চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। তিনি এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় এখন আমাকে জোরপূর্ব এ বিষয়ে মিটমাট করতে বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করছেন’। এবিষয়ে অভিযুক্ত মাজারুল হক বাবু বলেন, ‘আমাদের মসজিদে মিলাদ ছিল, প্রায় হাজার খানেক লোক হয়েছিল মিলাদে। নিচতলায় আমরা প্যাকেট দিচ্ছিলাম বাহির থেকে ওরা ৫০/৬০ জন ধাক্কাধাক্কি করছিলো। পিছন থেকে যে লোক গুলো বেরোচ্ছিল তাদের সামাল দিতে পারছিলাম না। এই সময় ওই ছেলেটা একবার প্যাকেট নিয়ে গেছে, পরে আবার আসছে খাবার নিতে। তখন আমি তাকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিয়েছিলাম। পরে আসরের নামাজ পড়ে মসজিদ থেকে নিচে নেমে দেখলাম সে একটু তাল মাতাল। এসময় এসে আমাকে বলছে তুই আমাকে ধাক্কা দিছস কেন? আমি বললাম, তুই সর তোর সাথে পরে কথা বলব। পরে কথা বলবি কেন ? এ কথা বলে আমাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয় এ ছেলে। আমি যেহেতু মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি, এলাকার মোটামুটি মানুষের সবকিছু ম্যানটেনেন্স করি, উপকার করি যতটুকু পারি। আমার খুব প্র্যাকটিসে লাগলো, তখন রাগ সামলাতে না পেরে, দোকানের সামনে একটা রডের সিক পেয়ে সেটা দিয়ে দুইটা বাড়ি দিয়েছি। পরে তাকে একটা দুইটা চর থাপ্পর দিয়ে সরিয়ে দিয়েছি।আমার সাথে এঘটনায় আর কেউ ছিলনা, বাকিরা আমাকে ঠ্যাকিয়েছে। পরে উপলব্ধি হয়, আসলে আমার এই কাজটি ঠিক হয়নি। তাই আমি রাতের বেলায় মেম্বারকে নিয়ে তার সাথে দেখা করেছি। আমি নিজে দেখেছি তেমন কোন আঘাত পায়নি সে। আমি নিজে খুব গিলটি ফিল করছিলাম।তিনি আরো বলেন, এত কিছুর পরেও আবার দেখলাম আজকে দুপুরে পুলিশ এসেছে আমার বাসায়, আমি খুব লজ্জিত হয়েছি। আমি আমবাগান কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জয়েন্ট সেক্রেটারি। এর আগে ও পরে আমার সাথে কখনো এরকম ঘটেনি কারো সাথে। সে এরকম খারাপ ব্যবহার করেছে এবং আবোল তাবোল কথা বলেছে বলে আমি আসলে আমার টেম্পার লস করেছিলাম। আমি আসলে মানসিকভাবে খুব কষ্টের ভিতরে আছি।অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার এসআই হোসাইন বলেন, অভিযোগ পেয়ে রোববার আমি তদন্তে গিয়েছিলাম। গিয়ে জানতে পাই যে, শুক্রবার দিন মিলাদের খাবার দিচছিলো মসজিদে। ওই ছেলেটা খাবার পায়নি পরে ভুক্তভোগী খাবার চাইতে গেলে ওরে ধমকাইছে এবং থাপ্পড় দেখাইছে। পরে ওই ছেলে মসজিদ কমিটির ওই লোককে জিজ্ঞাসা করেছে যে খাবারও পেলাম না, আবার ধমকাইলেন, এই কথা জিজ্ঞাসা করাতে তাকে মারধর করেছে। মেরেছে এটাই ঠিক, তবে রড দিয়ে মেরেছে কিনা সেটা এখানে সাক্ষীদের ব্যাপার আছে। তদন্তে গেলে আমাদের কাছে উভয় পক্ষ বলেছেন স্থানীয়ভাবে তারা মীমাংসা করবে বিষয়টির।

0Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত ও সর্বস্বত্ত সংরক্ষিত।

Theme Customized By BreakingNews