ভরাডোবা হাইওয়ে থানা, এক নজিরবিহীন ঘটনা
মোঃ রাসেল ফকির :
ময়মনসিংহের ভালুকা ভরাডোবা হাইওয়ে থানার টি আই জীবনের নামে ৪০ টির বেশি
ব্যাটারি চালিত অটো এবং ১০০ টিরও বেশি সিএনজি চলে, যার বিনিময়ে সে প্রতিটি সিএনজির কাছ থেকে ২ হাজার করে টাকা নেয়। স্কয়ার মাস্টার বাড়ি থেকে ২৫ টি সিএনজি। সীডস্টোর থেকে ৪৫ টি,
ভালুকা থেকে ৩০ টি সিএনজির কাছ থেকে টাকা নেয় এবং প্রত্যেক অটোর কাছ থেকে ৩০০০ করে টাকা নেয়। অভিযান যখন শুরু হয় তখন প্রতিটি অটোর কাছ থেকে পাঁচ হাজার করে টাকা নেয়। ড্রাইভারদের কাছ থেকে ডামটিং এর কথা বলে ভয় দেখিয়ে টাকা আত্মসাৎ করে। তিনদিন করে হাইওয়ে থানায় অটোগুলো কাটুক রেখে ২৬০০ টাকার একটি রিসিট ধরিয়ে দেয় অটোর ড্রাইভার দের হাতে। ড্রাইভাররা যখন প্রশ্ন করে যে বাকি টাকা আপনারা কি করেছেন? তখন সে উত্তর দেয় বাকি টাকা ডামটিং থেকে অটোগুলো বাঁচানোর জন্য বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে হয়। তিনি বিএনপি’র বড় বড় নেতাদের নাম ভাঙ্গিয়ে ফুটপাতের দোকান থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। কোন সাংবাদিক যদি তাকে প্রশ্ন করে, সে কোন উত্তর দেয় না। সে ব্যস্ততা দেখায় অফিসিয়াল কাজের।
Leave a Reply