জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল জামুকা’র সহকারী পরিচালক ও মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের উপদেষ্টাঃ আব্দুল খালেক এর দুর্নীতির তথ্য অনুসন্ধান করায় সাংবাদিকদেরকে লাঞ্ছিত।
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধারা জীবন দিয়ে এই দেশ স্বাধীন করেছেন আর আমরা পেয়েছি লাল সবুজের পতাকা, স্বাধীনতা হওয়ার পর সরকার পরিবর্তন হচ্ছে, কেউ আসবে কেউ যাবে সেটা রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট । কিন্তু মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল জামুকা মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা, ও অনেক সুযোগ সুবিধা এই সংস্থা থেকে পেয়ে যায় সরকারের দেওয়া। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা কাটিয়া, বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে সহকারী পরিচালক আব্দুল খালেক অর্থ বাণিজ্য করে আসছে । ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের সময় এই আব্দুল খালেক মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এর একান্ত আস্থাভাজন ছিলেন, বহু অ মুক্তিযোদ্ধাদেরকে মুক্তিযোদ্ধা বানিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে, এই সহকারী পরিচালক আব্দুল খালেক। তার নামে বেনামে রয়েছে শত কোটি টাকা সম্পদ, এ বিষয়ে জনস্বার্থে মোহাম্মদ আবুল কালাম দুর্নীতি দমন কমিশন একটি অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের সূত্র ধরে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য, ও সিনিয়র সাংবাদিক মারিয়া ইসলাম, ২৫ ই ফেব্রুয়ারি, আনুমানিক ১:৩০ মিনিটের সময় তথ্য অনুসন্ধান করতে জামুকা গেলে সহকারি পরিচালক আব্দুল খালেক সাংবাদিক মারিয়া ইসলাম ও তার সহযোগীদের কে বাধা প্রদান করেন, এবং তিনি বলেন কোন তথ্য দেওয়া যাবে না। এই বলে মারিয়া ইসলামকে লাঞ্ছিত করেন, এবং মারিয়া ইসলামের হাতে থাকা মোবাইলটি তিনি নিয়ে যান, এবং পত্রিকাটি তার মুখে ছুড়ে মারেন। এই ঘটনাটি সম্পূর্ণরূপে অবৈধ মানবাধিকার লঙ্ঘন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের দোসরদের তথ্য নিতে গিয়ে সাংবাদিক লাঞ্ছিত। এই বিষয়ে জামুকার মহাপরিচালক শাহিনা খাতুনের সাথে তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলে গণমাধ্যমকে জানায়। আগামী ২৪ ঘণ্টার ভিতরে এই আওয়ামী লীগের দোসর জামুকা’র সহকারী পরিচালক আব্দুল খালেক কে চাকরি থেকে অপসারণ ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে,সাংবাদিক সমাজ আন্দোলন করবে।
চলবে
Leave a Reply