বিশেষ প্রতিনিধি :শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতর এর পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) ড. অমিতাভ চক্রবর্ত্তী সৎ সাহসীবান।জানা জানা যায় তিনি যোগদান করার পর থেকে সৎ সাহসীকতার সহিত দায়িত্ব পালন করে চলছেন। যথাযথ ভাবে দায়িত্ব পালন করে তিনি সকলের কাছে প্রশংসিত হয়েছেন।শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতর এর উন্নয়নের লক্ষ্যে তিনি দিন রাত নিরলস ভাবে পরিশ্রম করে চলছেন।শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের আওতায় প্রতিটি অফিসের নিচ্ছেন নিয়মিত খোঁজখবর।কোন কর্মকর্তা কর্মচারী অনিয়ম দুর্নীতি করলে ছাড় নেই কারো নিচ্ছেন ব্যবস্থা।সরকারি চাকরি বিধিমালা লংঘন করেও রেহাই নাই কেননা তিনি এতটাই কঠোর অবস্থানে আছেন।চুল পরিমান অপরাধ করেও পার পাওয়া সম্ভব নয়।তিনি পাল্টে দিয়েছেন শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতর এর সেবার মান।সেবা নিতে আসা সাধারন জনগন পাচ্ছেন নির্ভয়ে সেবা।পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ ) ড. অমিতাভ চক্রবর্ত্তী যোগদান করার পর থেকে তার সৎ সাহীকতায় টেন্ডার বানিজ্য ও তদবীর বন্ধ করে দিয়েছেন।প্রধান প্রকৌশলীর নেতৃত্বে যথাযথ ভাবে দায়িত্ব পালন করে এগিয়ে নিয়ে গেছেন শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরকে সফলতার শীর্ষে।কোন কর্মকর্তা কর্মচারীর বিরুদ্ধে সংবাদ পাওয়া মাত্র নিচ্ছেন ব্যবস্থা।অনিয়ম ও দুর্নীতি মুক্ত করতে তিনি নিয়েছেন নানা পদক্ষেপ তার মধ্য একটি একই কর্মকর্তা কর্মচারী দীর্ঘদিন যাবৎ এক অফিসে থাকলে সরিয়ে নিচ্ছেন অনত্র অফিসে যার ফলে অনেকটাই কমে গেছে অনিয়ম ও দুর্নীতি।তিনি তার সৎ সাহসকে পুঁজি করে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের আওতায় কর্মরত কর্মকর্তা কর্মচারী কেউ টেন্ডার বাণিজ্য করলে নিচ্ছেন কঠোর ব্যবস্থা।এছাড়া কেউ নামে বেনামে অবৈধ ভাবে সম্পদ অর্জনের পাশাপাশি শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরে নামে বেনামে তাদের পরিবারের সদস্যদের নামে লাইসেন্স করেছেন কি না নিচ্ছেন খোঁজখবর।তিনি তার দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে বার বার বুজাতে সক্ষম হয়েছেন সৎ সাহস থাকলে সবই সম্ভব।যে কারনে তার জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলছে।

Leave a Reply