বিশেষ প্রতিনিধি :চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলা ভূমি অফিসে সব ধরণের জনদূর্ভোগ দুর হয়ে বর্তমানে জনবান্ধব অফিসে পরিণত হয়েছে। এতে অফিসের অতীতের চেয়ে সব ধরণের সেবার মান বৃদ্ধি পেয়েছে। নেই জনগণের ভিড়, বস্তাবন্দী ফাইল, নেই কোন অনিয়ম ও দুর্নীতি।জানা যায় অফিসে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। সেবা দেয়ার মননশীলতায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে স্বচ্ছতা। বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের কাছে বর্তমান সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেজওয়ানা চৌধুরী এর সততা, দক্ষতা ও কর্মনিষ্ঠার কথা শোনা গেছে।তার কর্মতৎপরতা, ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহারের করে ভূমি রেকর্ড ব্যবস্থাপনা ও নামজারি সহ অন্যান্য সেবা এখন মিলছে খুব সহজেই। তাছাড়া উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়ন ভূমি অফিস নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা ও অভিযোগ ছিলো,তিনি দায়িত্বে আসার পর পাল্টে গেছে তার চিত্র এখন অনিয়ম ও দুর্নীতি নেই বললে চলে সেবা পেতে আসা নাগরিকরা আনন্দিত হন।সহকারি কমিশনার (ভূমি) হিসেবে রেজওয়ানা চৌধুরী তার সৎ সাহসীকতার মাধ্যমে যথাযথ দায়িত্ব পালনে উপজেলা ব্যাপী সুনাম কুড়িয়েছেন তিনি ।এছাড়াও অনুমোদিত মিউটেশন খতিয়ান গুলো পৌরসভা/ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের মৌজা অনুযায়ী সাজিয়ে ভলিউম আকারে বাঁধাই করা হয়েছে। এতে যেকোন নাগরিক জমির খতিয়ান যাচাই বাছাই করতে পারাসহ জমি ক্রয়ের পূর্বে স্বত্ব যাচাই করতে চাইলে খতিয়ান বা নামজারি কেস নম্বর দিয়ে সহজেই যাচাই করতে পারছেন। কোর্ট ফি যাচাই করে আবেদনপত্র গ্রহণের ফলে সরকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন না। অফিসের সামনেই টাঙানো হয়েছে সিটিজেন চ্যাটার এবং এসিল্যান্ড এর সরকারি মুঠোফোন নাম্বার। এর মাধ্যমে সেবা গ্রহিতারা ভূমি অফিসের যেকোন নিয়ম-কানুন, খাজনা-খারিজ, পর্চা, রেকর্ড সংশোধন, জমি সর্ম্পকিত যাবতীয় তথ্য সম্পর্কে খুব সহজেই জানতে পারছেন।এ ছাড়া ভূমি উন্নয়ন কর আদায়, অর্পিত সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা, দেওয়ানি মোকদ্দমার তথ্য বিবরণী প্রস্তুত ও প্রেরণ, মিস মোকদ্দমা পরিচালনাসহ বিভিন্ন কাজে কোনো ভোগান্তি নেই।সেবা প্রদানের পাশাপাশি উপজেলা ভূমি অফিসে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন প্রাকৃতিক পরিবেশ। পুরো ভূমি অফিস চত্ত্বরকে বাহারি ফুল, ফল ও শোভাবর্ধনকারী গাছ এবং শাকসবজি দিয়ে সাজানো হয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে চট্রগাম বিভাগের একটি মডেল অফিসে পরিণত হয়েছ চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলার এই ভূমি অফিস।

Leave a Reply