মো: আবু ইউসুফ পাটোয়ারী : আইন,বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী আনিসুল হকের সততায় এগিয়ে যাচ্ছে বিচার ব্যবস্থা। জানা যায় তিনি যেদিন থেকে আইন মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী হিসেবে যোগদান করেন সেদিন থেকে তিনি সৎ নিষ্ঠার সহিত দায়িত্ব পালন করে চলছেন।তিনি, তাঁর পরিশ্রম, সাহস, ইচ্ছাশক্তি, একাগ্রতা আর প্রতিভার সমন্বয়ে সাধারণ মানুষের জন্য,ন্যয় বিচার প্রতিষ্ঠা করেছেন।যে কারনে দেশের আদালত গুলো বিচার ব্যবস্থার দিকে অনেক এগিয়ে।শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশের যে স্বপ্ন রয়েছে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য দিন রাত পরিশ্রম করে চলছেন।আইনমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন। দায়িত্ব পালনে তার নিরন্তর প্রয়াস সব মহলেই প্রশংসা কুঁড়িয়েছে। দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে দেশবাসীর কাছে নিজের মুখ উজ্জ্বল করেছেন।ব্যক্তি জীবনে তিনি অত্যন্ত সৎ ও সময়নিষ্ঠ সদা হাস্যোজ্জ্বল ও সাদা মনের মানুষ। তাঁর মাঝে কোনো অহংকার নেই। নিরহংকারী এই মানুষটি দলমত নির্বিশেষে আজ সকলের কাছে প্রিয়।দেশের কোন আদালতে কেউ যেন হস্তক্ষেপ না করতে পারে সে জন্য তার কঠোর নির্দেশনা রয়েছে।বিচার বিভাগ যেন স্বাধীন ভাবে চলতে পারে সে জন্য তদবীর মুক্ত আদালত গড়ে তুলেছেন তিনি।যে কারনে বিচার ব্যবস্থা অনেক এগিয়ে।সাধারন মানুষ খুঁশি যার ফলে ন্যয় বিচার পাচ্ছে সাধারন জনগন।খোঁজ নিয়ে জানা যায় আনিসুল হক ১৯৮৫ সালের নভেম্বর মাসে ঢাকা জেলা আইনজীবী এবং ১৯৮৭ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসাবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০১ সালে তিনি আইনজীবী হিসাবে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে ভর্তি হন এবং ২০১০ সালে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী হন। বাবার মৃত্যুর পরে আনিসুল হক বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা এবং জেল হত্যা মামলা উভয়ের প্রধান প্রসিকিউটর হয়েছিলেন। তার আইনি পরামর্শে বঙ্গবন্ধু খুনের মামলাটি শেষ হয় এবং বাংলাদেশের শীর্ষ আদালত রায় প্রদান করে। আনিসুল হক দুর্নীতি দমন কমিশন বাংলাদেশের প্রধান আইনজীবী ও বিশেষ প্রসিকিউটরও ছিলেন। আনিসুল হক পিলখানা হত্যা মামলার প্রধান প্রসিকিউটর ছিলেন যা ২০০৯ সালে বাংলাদেশের বিডিআর বিদ্রোহের সাথে সম্পৃক্ত।বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মরহুম সিরাজুল হক এবং তাঁর ছেলে আনিসুল হক দু’জনেই ১৯৮০-২০১৪ সময়কালে বাংলাদেশের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ, শীর্ষস্থানীয় এবং সংবেদনশীল ফৌজদারি মামলার পরামর্শক হিসাবে কাজ করেছেন।তিনি ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুনরায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে একই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ৩ জানুয়ারি ২০১৯ সালে সংসদ সদস্য হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন এবং ৭ জানুয়ারি ২০১৯ সালে শেখ হাসিনার চতুর্থ মন্ত্রীসভার সদস্য শপথ গ্রহণ করেন। এ মন্ত্রীসভায় তাকে পুনরায় আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর পদে নিযুক্ত করা হয়। তিনি বাংলাদেশের ইতিহাসে পর পর দুবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী প্রথম ব্যক্তি।

Leave a Reply