1. dailyamarsongram71@gmail.com : Abu Yusuf : Abu Yusuf
  2. admin@dailyamarsongram.com : admin :
  3. shoyebmahmud08@gmail.com : Abul Kalam : Abul Kalam
  4. kazimaviation@gmail.com : Office Staff : Office Staff
  5. akazzad1@gmail.com : Abul Kalam : Abul Kalam
October 18, 2026, 12:45 am
শিরোনাম :
তরফপুর ইউনিয়ন বিজ্ঞান ক্লাব ও পাঠাগারের উদ্দ্যোগে মেধা অন্বেষণ বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৪ এর চলছে রেজিষ্ট্রেশন। মহান বিজয় দিবস ও ও বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে সরোয়ার্দী উদ্যানে আলোচনা সভা। প্রতিটি সিটি কর্পোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী মোহনা টিভির এমডি শাহেদ আহমেদ মজুমদারের পক্ষে আদালতে গেলেই মব সৃষ্টি,রেহাই পাচ্ছেন না সাংবাদিক নেতারাও ! উরফি ইউনিয়ন পরিষদে পরিবর্তনের হাওয়া: চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয়তার শীর্ষে তরুণ সমাজসেবক মো: রফিকুজ্জামান মুন্সি সততা ও পেশাদারিত্বের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: গোপালগঞ্জ পৌরসভার নাগরিক সেবায় আস্থার প্রতীক রেজওয়ানা কবির ময়মনসিংহ জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত। মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে, তরুণদের রক্ষায় সর্বস্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ভালুকা মডেল থানার ওসি। ময়মনসিংহে প্রতারণার অভিযোগে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সহসভাপতি নাসির উদ্দিন আটক। ভালুকায় বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর, থানায় অভিযোগ । গুলশান ইস্যু ও ওসি দাউদ: আবেগের ভিড়ে হারাবে কি সততার ইতিহাস? দরগ্রাম ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা আব্দুল মোতালেবের বিরুদ্ধে অপপ্রচার: ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী, নেপথ্যে কায়েমি স্বার্থান্বেষী মহল।

ভালবেসে বিয়ে অতঃপর মামলায় ঘরছাড়া যুবক

  • সময়: Sunday, December 25, 2022
  • 383 View

হাফিজুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
প্রভাবশালী আওয়ামীলীগ নেতার কারণে একটি দিন মজুর পরিবার প্রায় ঘর ছাড়া। জানা গেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার কানসাট ইউনিয়নের আব্বাস বাজার গ্রামের দিন মজুর আব্দুস সাত্তারের বড় ছেলে তারিফ হোসেন (২১) ভালবেসে বিয়ে করেন একই এলাকার প্রভাবশালী মোঃ আব্দুল বাতেনের কন্যা আয়েশা জান্নাতুন নেসাকে(১৮)। তাদের প্রেমের সম্পর্ক চলে দীর্ঘ প্রায় ৪টি বছর। অবশেষে পরিবারের ভয়ে আয়েশা জান্নাতুন নেসা গত ১১ই অক্টোবর ২০২২ খ্রি. তারিখে রাজশাহী কোর্টে গিয়ে নগদ ১০হাজার টাকা দেন মোহর গ্রহণ করে তারিফ হোসেনকে স্বামী হিসেবে গ্রহণ করে। এরপর উভয়ে সুখেই দিনাতিপাত করছিলেন। কিন্তু হঠাৎই গত ১৫ই ডিসেম্বর ২০২২ খ্রি. তারিখ দিবাগত রাতে আয়েশা জান্নাতুন নেসা তার বাবার বাসা থেকে বের হয়ে স্বামী মোঃ তারিফের সঙ্গে এলাকা ছেড়ে রাজশাহী শহরে থাকা শুরু করেন। ফলে তাদের গোপন বিয়ের খবর লোকমুখে জানাজানি হয়ে যায়। ফলে মেয়ের বাবা ও তার ক্ষমতাশালী চাচা জেলা আওয়ামীলীগের ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ আব্দুল মতিন(৬৬) বিষয়টি মেনে না নিয়ে অসহায় ছেলের পরিবারের উপর চাপ প্রয়োগ করতে শুরু করেন এবং তাদের মেয়েকে ফিরিয়ে দিতে জোরাজুরি শুরু করেন। কিন্তু নিরুপায় দিন মজুর পরিবারটি এক ধরনের বিপদের সম্মূখিন হন। জানা গেছে, এলাকার চৌকিদার শাউনের নেতৃত্বে ছেলের মাকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে থানায় সোপর্দ করে। ছেলের মাকে জিজ্ঞাসাবাদের নামে থানায় আটকে রাখা হয়। পরে সাংবাদিকদের হস্তক্ষেপে ছেলের মাকে ছেড়ে দেয়া হয়। কিন্তু প্রভাবশালী পরিবারটি সামাজিকভাবে মীমাংসা না করে আইন প্রয়োগের পথে হাঁটা শুরু করেন। এবং ক্ষমতার দাপটে শিবগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। অথচ ছেলে ও মেয়ে উভয়েই প্রাপ্ত বয়স্ক। তারা একে অপরকে জেনে বুঝেই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। যা রাজশাহী জেলা জজ আদালতের আইনজীবি শাহনাজ পারভীনের উপস্থিতিতে আয়েশা জান্নাতুন নেসা স্বাক্ষরিত পেপারসে মেয়ে নিজেকে সাবালিকা ও স্বজ্ঞানে, স্বেচ্ছায় ও অন্যের কোনরূপ প্ররোচনা ছাড়াই এই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় মর্মে উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু এরপরও মেয়ের চাচার প্ররোচনায় মেয়ের বাবা বাদী হয়ে গত ২১ ডিসেম্বর ২০২২ খ্রি. তারিখে নিজ দলীয় ক্ষমতাবলে মোঃ তারিফ হোসেনকে আসামী করে শিবগঞ্জ থানায় ১টি মামলা দায়ের করেন।

এদিকে থানা পুলিশের সহায়তায় রাজশাহী থেকে মেয়েকে উদ্ধার দেখানো হয়। পুলিশ জানিয়েছিল মেয়েকে নিয়ে আসা হয়েছিল তার স্বীকারোক্তি আদায়ের জন্য; কিন্তু স্বীকারোক্তি তার পরিবারের বিরুদ্ধে গেলে তার চাচা থানাকে ম্যানেজ করে মেয়েকে জোরপূর্বক বাসায় নিয়ে আসে এবং প্রচুর মারধর করে। এমন অভিযোগ পাওয়া যায় ছেলের পক্ষ থেকে। মেয়ের চাচা ও পরিবারের লোকজনেরা জোরপূর্বক তাকে বাসায় আটকে রাখে এবং কোন সংবাদকর্মী ও মানবাধিকার কর্মীর সাথে কথা বলার সুযোগ দিচ্ছে না। এ বিষয়ে মেয়ের সাথে কথা বলতে চাইলে দৈনিক আমার সংগ্রামের এই প্রতিবেদককে মেয়ের চাচা আব্দুল মতিন জানান, আমরা আমাদের মেয়েকে ঘুমের ঔষধ খাওয়াইয়ে ঘুম পাড়িয়ে রেখেছি। তার সাথে কোন কথা বলার আপনাদের দরকার নেই। যা বলার আমাকে বলুন।
মামলার বাদী যেহেতু মেয়ের বাবা সেহেতু আমরা বাদীকে মামলা সম্পর্কে কিছু কথা জিজ্ঞেস করতে চাই, এমন প্রশ্নের জবাবে মেয়ের চাচা প্রতিবেদককে বলেন, যা বলার আমাকেই বলুন। মেয়ের বাবার সাথে আপনাকে কথা বলতে হবে না। কোনভাবে মেয়ের বাবার সাথে কথা বলার চেষ্টা করলে মেয়ের চাচা ধমকের সুরে তার ছোট ভাই(মেয়ের বাবাকে) বলেন, ❝একদম চুপ থাক !❞ তোদের কিছু বলার দরকার নেই। তোরা এসব বুঝবি না। যা বলার আমিই বলবো।

এ বিষয়ে শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ চৌধুরী জোবায়ের আহাম্মদের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, মামলার বাদী মেয়ের বিয়ের তথ্য গোপন করে মেয়েকে অপ্রাপ্ত বয়স্কা হিসেবে দেখিয়ে অপহরণের মামলা করলে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করে মেয়েকে উদ্ধার করে আদালতে সোপর্দ করি। আদালত ২২ধারায় জবানবন্দী শেষে মেয়ের পরিবারের নিকট হস্তান্তর করেন। তিনি আরও বলেন, আদালতে মেয়ে ছেলের পক্ষেই জবানবন্দী দিয়েছেন।

0Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত ও সর্বস্বত্ত সংরক্ষিত।

Theme Customized By BreakingNews