গত সোমবার (১৯ ডিসেম্বর) কয়েকটি অনলাইন ও প্রিন্ট গণমাধ্যমে “অপহরনের চার দিনেও উদ্ধার হয়নি স্কুলছাত্রী” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ হয়। প্রকাশিত সংবাদে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী পুলিশের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন। প্রকৃতপক্ষে, ওই স্কুলছাত্রী নিখোঁজ হওয়ার পর থানায় অভিযোগ পাওয়ার পরপরই তৎপর হয় পুলিশ। এমনকি পুলিশের তৎপরতায় খুব কম সময়ের মধ্যেই ওই মেয়েকে উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ, স্থানীয় বাসিন্দা, জনপ্রতিনিধি ও নিখোঁজ স্কুলছাত্রী সূত্রে জানা যায়, গত ৪ বছর ধরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহরের চাঁদলাই এলাকার শরিফুল ইসলামের ছেলে ওসমানের সাথে সম্পর্ক ছিল নিখোঁজ স্কুলছাত্রীর। এরই সূত্র ধরে মেয়ের পরিবার এই সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় তারা স্বেচ্ছায় আত্নগোপনে গিয়ে দুইজনের সম্মতিতে গত ১৪ ডিসেম্বর বিয়ে করে। পরে পুলিশ ভিকটিম মেয়েকে কয়েকঘন্টার ব্যবধানে উদ্বার করে আদালতের মাধ্যমে পরিবারে হস্তান্তর করে।
ওই স্কুলছাত্রী জানান, তার বাবা তাদের সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় তারা বাসা থেকে বেরিয়ে বিয়ে করে। পরে পুলিশ উদ্ধার করে মেয়েকে পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দিতে চাইলেও তারা নিতে অপারগতা প্রকাশ করলে আদালতের মাধ্যমে তাকে বুঝিয়ে দেয়া হয়। বাসায় নিয়ে গিয়ে তার বাবা ওই মেয়েকে নানাভাবে নির্যাতন করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সুনাম ক্ষুন্ন করতে ও প্রেমিক ছেলেকে ফাঁসাতে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদটি প্রকাশ করতে সাংবাদিক ভাইদের ভুল তথ্য প্রদান করা হয়েছে। সামাজিকভাবে হেয় করতে ও আমাদের সম্মানহানির উদ্দেশ্যেই সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে। আমরা সংবাদটির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়।
মো. বিউটি বেগম
প্রচার সম্পাদক,
যুব মহিলা লীগ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা শাখা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
Leave a Reply