বিশেষ প্রতিনিধি : মাদক, নারী নির্যাতন, ইভটিজিং, যানজট, জঙ্গীবাদ, সাইবার ক্রাইম, দাদন ব্যবসা, শহরের বিভিন্ন জায়গায় অহেতুক আড্ডা ও মাদক সেবন, হেলমেটবিহীন মটরসাইকেল আরোহী,এবং কোন পুলিশ সদস্যর কারনে সাধারণ জনগন যেন হয়রানীর শিকার না হয় তার জন্য কঠোর অবস্থানে থেকে ব্যবস্থা নেওয়া সহ নানা বিষয়ের প্রতি গুরুত্ব দিয়ে সাহসীকতার মাধ্যমে কাজ করার কারনে আলোচনায় রয়েছেন। চাঁদপুর জেলা পুলিশের সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (এএসপি) কচুয়া সার্কেল মো: আবুল কালাম আজাদ চৌধুরী। একজন মানবিক পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে ইতোমধ্যে সর্ব মহলে সুনাম অর্জন করেছেন।আরো জানা যায়, তিনি কচুয়া সার্কেলে যোগদানের পর থেকেই আইন শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার পাশাপাশি শাহরাস্তি-কচুয়া এই দুটি উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহন করে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। থানা থেকে বের হয়ে পুলিশকে মানুষের দোরগোড়ায় নিতে একের পর এক সাহসী ও সময়োপযোগী নির্দেশনাও দিয়ে যাচ্ছেন তিনি।চাঁদপুর জেলা পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে সকল ধরনের অপরাধ দমন করতে আইন শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন আনতে দিন রাত নিরলস ভাবে পরিশ্রম করে চলছেন। তার আওতায় দুটি থানার এলাকা গুলোতে প্রতি বিটে যোগ্য কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দিয়ে`বিট পুলিশিং‘ কার্যক্রম এর মাধ্যমে সেবার মান বাড়াতে থাকে। এতে থানায় না গিয়ে ঘরে বসে পুলিশি সেবা মিলছে। ফলে কমেছে ভোগান্তি। পাশাপাশি পুলিশের প্রতিও সাধারণ মানুষের আস্থা বেড়েছে।সাহসিকতা, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃংখলার মাধ্যমে প্রশংসনীয় অবদান হিসেবে মো: আবুল কালাম আজাদ চৌধুরীকে পদকে ভূষিত করলে দেশের অন্যন্যা পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালনে উৎসাহিত হবে।ফলে তার মত দায়িত্বশীল হয়ে সুনাম অর্জন করবে।এমন প্রত্যাশা করেন থানায় আগত সেবা প্রত্যাশীরা সহ সাধারন জনগন।

Leave a Reply