বিশেষ প্রতিনিধি : সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে কর্তব্য অবহেলা, জনহয়রানি ও ঘুষ-দুর্নীতিসহ অভিযোগের শেষ নেই জনগণের।তবে এর ব্যতিক্রম কর্মোদ্যম,সৎ ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তাও রয়েছে।যারা লোভ লালসার উর্ধ্বে উঠে নিজ প্রতিষ্ঠানকে গড়ে তোলেন জনবান্ধব ও বিপদগ্রস্ত মানুষের আশ্রয়স্থল।এদের মধ্যে চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তির উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনিরা খাতুন অন্যতম।তিনি সরকারের দেওয়া অর্পিত দায়িত্ব যথাযথ ভাবে সততার সঙ্গে পালন করে প্রশংসায় ভাসছেন।জানা যায় তার ব্যতিক্রম কর্মোদ্যম,সৎ ও দায়িত্বশীলতা প্রত্যন্ত এ উপজেলায় দিন দিন যোগ হচ্ছে উন্নয়নের নতুন মাত্রা।যোগদানের মাত্র অল্প কয়েকদিনের মাথায় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড ও আর্তমানবতার সেবায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করে ইতোমধ্যে তিনি ব্যাপক সুনাম কুড়িয়েছেন।নিজের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন ও জনকল্যাণমুলক কাজ করে দক্ষ প্রশাসক হিসেবে উপজেলার সব শ্রেণি-পেশার মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন তিনি।শুক্রবার বা শনিবার অফিস বন্ধের সময় তিনি ছুঁটে চলছেন সাধারণ জনগনকে সেবা দেওয়ার জন্য। কোন অপরাধের তথ্য পাওয়া মাত্র নিচ্ছেন ব্যবস্থা।সরকারি বিদ্যালয় গুলোর প্রতি রয়েছে তার আলাদা নজর উন্নয়নের স্বার্থে করছেন সহযোগিতা।তার কথাবার্তায় মার্জিত ও আচরণে অত্যন্ত ভদ্র এই মানুষটি মাত্র অল্প কয়েকদিনে উপজেলাবাসীর মন জয় করে নিয়েছেন।সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসা, অভিযোগ ও আশ্রয়স্থলের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন।সর্ব ক্ষেত্রেই রয়েছে তার পদচারণা। দাপ্তরিক কাজের বাইরে সকাল-বিকাল নিয়মিত রাখছেন নজরদারী।কথা বলেন উপজেলার সাধারণ মানুষের সাথে।শোনেন তাদের দুঃখ-কষ্টের কথা।খোঁজখবর নেন সমাজের অবহেলিত গরিব-দুঃখী মানুষের।কোথাও কোনো সমস্যা দেখলে নেন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা। তাছাড়া গণমাধ্যম,ফেসবুক, মুঠোফোন ও ই-মেইলের মাধ্যমে পাওয়া বিভিন্ন অভিযোগ দ্রুত সমাধান ও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি।এমন সৎ নিষ্ঠাবান ইউএনওকে পেয়ে শাহরাস্তিবাসী আনন্দিত জনগন তার ভূয়সী প্রশংসা করেন।
Leave a Reply