ময়মনসিংহে ভূমি অধিগ্রহণে স্বচ্ছতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এডিসি মো. আসাদুজ্জামান: একজন সৎ, সাহসী ও মানবিক প্রশাসক
মোঃ রাসেল ফকির :
ভূমি অধিগ্রহণ মানেই সাধারণ মানুষের ভোগান্তি, দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য, ক্ষতিপূরণের চেক আটকে যাওয়া, ঘুষ, প্রতারণা – এমনই বাস্তবতায় বহু বছর ধরেই অভ্যস্ত ছিল দেশের বিভিন্ন এলাকার মানুষ। কিন্তু সেই চিত্র বদলে দিয়েছে ময়মনসিংহের এক নিষ্ঠাবান প্রশাসক – অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা) মো. আসাদুজ্জামান।
✅ দায়িত্ব পাওয়ার পরই পরিবর্তনের হাওয়া
ভূমি অধিগ্রহণ শাখার দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই এডিসি আসাদুজ্জামান নিয়েছেন একের পর এক সাহসী, মানবিক ও স্বচ্ছ পদক্ষেপ। শুরু করেছেন একটি দালালমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত ও মানুষের কল্যাণে নিবেদিত প্রশাসনিক সংস্কার।
তার কঠোর অবস্থান, নীতিনিষ্ঠতা ও সৎ মানসিকতার কারণে ময়মনসিংহে এখন ভূমি অধিগ্রহণে আর ভোগান্তি নয়, বরং স্বস্তির গল্প রচিত হচ্ছে।
চেক পৌঁছাচ্ছে মানুষের হাতে, নয় দালালের পকেটে :
দীর্ঘদিন ধরে ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ পেতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে দালাল চক্রের হাতে জিম্মি হয়ে থাকতে হতো। মিথ্যা অভিযোগ, ফাইল আটকে রাখা, হয়রানি – এসব ছিল নিত্যদিনের ঘটনা।
কিন্তু এখন শুনানি ও যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে প্রকৃত মালিকদের হাতে সরাসরি চেক তুলে দিচ্ছেন এডিসি আসাদুজ্জামান। চেক বিতরণ কার্যক্রমে রয়েছে পূর্ণ স্বচ্ছতা, কারও পক্ষে দুর্নীতি করা সম্ভব নয়।
দালালদের জন্য ‘না’ – জনগণের জন্য ‘হ্যাঁ’:
তার নেতৃত্বে নেওয়া উদ্যোগগুলোর ফলে বর্তমানে দালাল চক্র কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে। যারা বছরের পর বছর ধরে গরিব মানুষের ক্ষতিপূরণ আটকে রেখে অর্থ উপার্জন করত, তারা এখন কোনো সুযোগই পাচ্ছে না।
এর ফলে সাধারণ মানুষ দালালের হাতে না গিয়ে সরাসরি প্রশাসনের কাছে আসছেন, পাচ্ছেন সঠিক তথ্য ও সহায়তা।
মানবিক ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব :
এডিসি মো. আসাদুজ্জামান শুধু একজন সরকারি কর্মকর্তা নন, তিনি একাধারে একজন জনসেবক, নীতিবান নেতা ও মানবিক মানুষ। তার অফিসে এলে আতঙ্ক নয়, বরং ভরসা ও আশ্বাস নিয়ে বাড়ি ফেরেন সাধারণ মানুষ।
চরাঞ্চলের দারিদ্র্যপীড়িত মানুষের সঙ্গে সমবেদনা ও সহমর্মিতার মনোভাব নিয়েই কাজ করছেন তিনি। প্রতিটি অভিযোগে ব্যক্তিগতভাবে নজর দিচ্ছেন, যাচাই করছেন সবকিছু, এবং নিচ্ছেন কার্যকর পদক্ষেপ।
জনগণের কণ্ঠে কৃতজ্ঞতা :
ময়মনসিংহবাসীর মুখে মুখে এখন একটাই কথা –
“এডিসি আসাদুজ্জামানের মতো সৎ অফিসার যদি সব জেলাতে থাকতেন, তাহলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি অনেক আগেই কমে যেত।”
তিনি এখন শুধু একজন কর্মকর্তা নন, বরং জনগণের আস্থার প্রতীক। অনেকেই বলছেন, ভূমি অধিগ্রহণে এই স্বচ্ছতা বাংলাদেশের অন্য জেলাগুলোর জন্যও উদাহরণ হয়ে উঠতে পারে।
একজন কর্মকর্তা যখন হন পরিবর্তনের পথপ্রদর্শক :
এডিসি মো. আসাদুজ্জামান প্রমাণ করেছেন যে প্রশাসনের শক্তি, যদি সৎ ও মানবিক মানুষের হাতে থাকে, তবে জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন সম্ভব। তার নেতৃত্বে ময়মনসিংহে ভূমি অধিগ্রহণ নিয়ে মানুষের মুখে এখন হাসি, চোখে স্বস্তি।
উপসংহার :
স্বচ্ছতা, সততা, মানবিকতা ও দায়িত্বশীলতা – এই চারটি শব্দই যেন আজ এডিসি মো. আসাদুজ্জামান–এর পরিচয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তার নিষ্ঠা ও নীতির জন্য তিনি শুধু ময়মনসিংহের নয়, বরং সারা দেশের প্রশাসনের জন্য অনুকরণীয় এক উদাহরণ।
এডিসি আসাদুজ্জামান – একজন মানুষ, একজন কর্মকর্তা, একজন আশার আলো
Leave a Reply