1. dailyamarsongram71@gmail.com : Abu Yusuf : Abu Yusuf
  2. admin@dailyamarsongram.com : admin :
  3. shoyebmahmud08@gmail.com : Abul Kalam : Abul Kalam
  4. kazimaviation@gmail.com : Office Staff : Office Staff
  5. mdjakir349@gmail.com : Md. Jakir Hossain : Md. Jakir Hossain
  6. akazzad1@gmail.com : Abul Kalam : Abul Kalam
  7. msareza0075@gmail.com : Md Reza : Md Reza
  8. mizanamarsongrambd@gmail.com : Mizanur Rahman Chowdhury Tulu : Mizanur Rahman Chowdhury Tulu
  9. dailyamarsongrambd@gmail.com : Head Office : Head Office
May 15, 2026, 5:04 pm
শিরোনাম :
তরফপুর ইউনিয়ন বিজ্ঞান ক্লাব ও পাঠাগারের উদ্দ্যোগে মেধা অন্বেষণ বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৪ এর চলছে রেজিষ্ট্রেশন। মহান বিজয় দিবস ও ও বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে সরোয়ার্দী উদ্যানে আলোচনা সভা। শাহরাস্তিতে মুক্তিযোদ্ধার বাড়ী ভাংচুরের পর রাতে ডিল পাথর নিক্ষেপ দূবৃর্ত্তদের !নিরাপত্তাহীনতায় মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ! সুষ্ঠু বিচারের দাবি। এতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে আহার বিতরণ করলো সত্যের কণ্ঠ যুব কল্যাণ সংগঠন। ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের নতুন কমিটিতে শেরপুরের কৃতি সন্তান মোঃ আল আমিন যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন। দৈনিক কালবেলা- অনলাইনে প্রকাশিত ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর সংবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। তরুণ সমাজের অহংকার ও প্রতিবাদী কন্ঠ এমপি পুত্র মোস্তফা কামাল। ‘দেশের দায়িত্ব তোমাদেরকেই নিতে হবে, কারণ তোমরাই দেশের ভবিষ্যৎ’ চাটখিল উপজেলা আলিয়া মাদ্রাসার সাবেক সভাপতি জাকির হোসেন জাহাঙ্গীর এর মৃত্যু। ইতিহাসে প্রথম বারের মতো নারী পুলিশ সুপার (এসপি) পাচ্ছে ঢাকা জেলা। নড়াইলের কালিয়া পৌর এলাকার কুলশুর গ্রামে অনুমোদনহীন ও নকল শিশু খাদ্য, জুস ও কোমল পানীয় তৈরির একটি কারখানায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান। মালিককে কারাদণ্ড সাথে জরিমানা। কালিয়ায় ঝড়ে গাছ ভেঙে স্কুলের শ্রেণিকক্ষে ধস, আহত ২ শিক্ষার্থী।

আগাম বৃষ্টিতে বেড়েছে চায়ের উৎপাদন, ছাড়িয়ে যেতে পারে লক্ষ্যমাত্রা

  • সময়: Wednesday, July 30, 2025
  • 62 View

প্রাকৃতিক কারণে দেশের চা বাগানগুলোতে প্রতিবছর জুন মাস থেকে চায়ের উৎপাদন ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করে। তবে চলতি বছর বর্ষার আগে আগাম বৃষ্টিতে মে মাসেই কাঙ্ক্ষিত মাত্রার বেশি চা উৎপাদন হয়েছে। আবার মে-জুন মাসেও পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের কারণে পরবর্তী মাসগুলোতেও চায়ের উৎপাদন ভালো হচ্ছে।

চা খাতের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এবছর চায়ের সার্বিক উৎপাদন ইতিবাচক হবে।যা বছর শেষে দেশের বাগানগুলোর চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রাকে ছাড়িয়ে যেতে পারে।

বাংলাদেশ চা বোর্ডের সদস্য ড. পীযূষ দত্ত বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘আগের বছরগুলোর তুলনামূলক বিশ্লেষণে দেখা গেছে জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত চায়ের উৎপাদন অনেক কম হয়। বর্ষা শুরুর কিছু সময় পর বিশেষ করে জুন মাস থেকে উৎপাদন সর্বোচ্চ পর্যায়ের দিকে যেতে শুরু করে। তবে এবার আগের তুলনায় বাগানগুলোতে মনিটরিং ও তদারকি বাড়ানো হয়েছে।পাশাপাশি অগ্রিম বৃষ্টিও হয়েছে। এ কারণে গতবছর মে মাসের তুলনায় এবার দ্বিগুণের কাছাকাছি উৎপাদন হয়েছে, যেটাতে সবাই সন্তুষ্ট। ’

চা বোর্ড সূত্র জানায়, ২০২৩ সালে দেশের ১৭০টি বাগানে ১০ কোটি ২০ লাখ কেজির লক্ষ্যমাত্রা পার হয়ে চা উৎপাদন হয় ১০ কোটি ২৯ লাখ ১৮ হাজার কেজি। যা ছিল দেশের ইতিহাসে পণ্যটির উৎপাদনের সর্বোচ্চ রেকর্ড।এর ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালে ১০ কোটি ৮০ লাখ কেজি উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও নানা প্রতিকূলতায় উৎপাদিত হয় ৯ কোটি ৩০ লাখ ৪২ হাজার কেজি চা। এরপর চলতি বছর উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ১০ কোটি ৩০ লাখ কেজি চা।

চা বোর্ডের সর্বশেষ মাসিক বুলেটিংয়ের তথ্য বলছে, চলতি বছর জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত দেশের বাগানগুলোতে ১ কোটি ২৬ লাখ ১ হাজার কেজি চা উৎপাদিত হয়। এর মধ্যে জানুয়ারি মাসে ৩ লাখ ৯ হাজার কেজি, ফেব্রুয়ারিতে ২৪ হাজার কেজি, মার্চে ১২ লাখ ৮৯ হাজার কেজি, এপ্রিলে ২৩ লাখ ৩১ হাজার কেজি এবং মে মাসে ৮৬ লাখ ৪৮ হাজার কেজি চা উৎপাদিত হয়। তবে গত বছর একই মাসে উৎপাদিত হয়েছিল ৪৭ লাখ ৭৫ হাজার কেজি চা।

চা নিলামকারী প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল বোকার্সের জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক অঞ্জন দেব বর্মণ বলেন, জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত চায়ের উৎপাদন খুবই কম হয়।সাধারণত জুন থেকে অক্টোবরের মধ্যে চায়ের সর্বোচ্চ উৎপাদন হয়। আর বছরের শেষ দুই মাসে উৎপাদন আবার নিম্নমুখী হয়ে যায়। তবে এবার মে মাসে প্রায় ৪০ লাখ কেজি বাড়তি চা উৎপাদন হওয়ায় বছর শেষে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহজ হতে পারে।

চা বোর্ডের এক কর্মকতা জানান, গত বছর পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের অভাবে চা উৎপাদনের বাৎসরিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হয়নি। আবার নিলামকেন্দ্রে চায়ের দাম কিছু ক্ষেত্রে উৎপাদন খরচের কম হওয়ায় বাগান মালিকরা চা চাষে কিছুটা অনাগ্রহী হয়ে পড়েছিলেন। তবে এবার চায়ের উৎপাদন বেশি হওয়ায় বাগানগুলো থেকে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি চা আসছে নিলামকেন্দ্রে। সর্বশেষ ১০টি নিলামে ৩২ লাখ ১০ হাজার ৩৬৬ কেজি চা বিক্রির প্রস্তাব করেছে ব্রোকার প্রতিষ্ঠানগুলো, যা গত বছর একই সময়ের নিলামে ছিল ২৭ লাখ ৬ হাজার ২৭৭ কেজি।

0Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত ও সর্বস্বত্ত সংরক্ষিত।

Theme Customized By BreakingNews