হিরো খানঃ
র্যাব প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরনের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে । জঙ্গি, সন্ত্রাসী, সঙ্ঘবদ্ধ অপরাধী, মাদক, অস্ত্র, ভেজাল পণ্য, ছিনতাইকারী, প্রতারক, হত্যা এবং ধর্ষণ মামলার আসামীসহ সকল অপরাধের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে।এরই ধারাবাহিকতায়, ০১ ফেব্রæয়ারি ২০২৫ তারিখ ১৭৩০ ঘটিকায় নওগাঁ জেলার বদলগাছী থানাধীন পশুরামপুর এলাকা হতে নেশা জাতীয় ১৯৫ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যবসায়ী আসামী ১। মোঃ হোসাইন (২৯), পিতা-মোঃ দেলোয়ার হোসেন,সাং-পরশুরামপুর, থানা-বদলগাছী, জেলা-নওগাঁ, ২। মোঃ সাহাদাত হোসেন শামীম (২০), পিতা-মোঃ ফরহাদ হোসেন, সাং-পশুরামপুর, থানা-বদলগাছী, জেলা-নওগাঁ ও ৩। মোঃ ছামীউল হাসান (১৯), পিতা-মোঃ মামুনুর রশিদ, সাং-গনিপুর, থানা-আক্কেলপুর, জেলা-জয়পুরহাটগণকে গ্রেফতার এবং পলাতক আসামী মোঃ রাসেল (২৮) পিতা-মোঃ দেলোয়ার হোসেন, সাং-পশুরামপুর, থানা-বদলগাছী, জেলা-নওগাঁ।গ্রেফতারকৃত আসামী হোসাইন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। সে নওগাঁর সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করতঃ গ্রেফতারকৃত আসামী সাহাদাত, ছামিউল ও পলাতক আসামী রাসেল এর মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় খুচরা ও পাইকারী বিক্রি করতো।এমন সংবাদের ভিত্তিতে গত কয়েকদিন ধরে র্যাব-৫, সিপিসি-৩ এর গোয়েন্দা দল গ্রেফতারকৃত আসামী হোসাইন, সাহাদাত, ছামিউল ও পলাতক আসামী রাসেল এর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ শুরু করে। ০১-০২-২০২৫ তারিখ নওগাঁ জেলার বদলগাছী থানাধীন পশুরামপুর এলাকায় র্যাব-৫, সিপিসি-৩ এর একটি আভিযানিক দল কর্তৃক অভিযান পরিচালনা করে মাদক ব্যবসায়ী হোসাইন, সাহাদাত ও ছামিউল কে আটক করে এবং পলাতক আসামী রাসেল কৌশলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে হোসাইন, সাহাদাত ও ছামিউল এর নিকট রক্ষিত অবৈধ মাদকদ্রব্য ১৯৫ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।মাদকসেবী ও মাদক কারবারী সিন্ডিকেটের অন্যান্য সদস্যদের ধরতে র্যাব-৫, সিপিসি-৩, জয়পুরহাট ক্যাম্পের গোয়েন্দা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ অনুযায়ী নওগাঁ জেলার বদলগাছী থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়।
Leave a Reply