বিশেষ প্রতিনিধি :দাগনভূইয়া উপজেলা ৫নং এয়াকুবপুর ইউনিয়ন খামার বাড়ীতে ভূমি দস্যু জয়নাল আবেদীন আবুল কাসেম মনির আহমেদ গং রা মরহুম দীন মোহাম্মদ মিয়ার বসত ঘর হইতে ওনার ওয়ারিশদে উচ্ছেদ করার চেষ্টা করছে।এই বিষয়ে ওনার এক সন্তান আদালতে মামলা দায়ের করেন ২৭০/২১ইং বাংলাদেশ সম্পত্তি হস্তান্তর আইন ১৮৮২ এর ৫২ ধারা সুস্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা দেয়া আছে যদি কোন জায়গা নিয়ে আদালতে মামলা চলায়মান থাকে সে ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ছাড়া ক্রয় বিক্রয় বা হস্তান্তর করা যাবেনা কিন্তু আদালতে মামলা চলায়মান অবস্থায় গত ১৯/৬/২৩ইং বিবাদী জয়নাল আবেদীন মনির আহমেদ গং দের নিকট ২ শতাংশ জায়গা হস্তান্তর করে যাহার দলিল নং-৩৬৮৪/২০২৩ এবং ১০/০৯/২০২৩ইং রোজ রবিবার জয়নাল আবেদীন মরহুম দীন মোহাম্মদ মিয়ার বসত ঘরের এক অংশ ভেঙে( এল সাইজ) ঘরের যাবতীয় মালামাল টিন কাঠ বাঁশ টিউবওয়েল, আসবাবপত্র আম গাছ গাব গাছ সুপারি গাছ কাটিয়া লুট করে নিয়ে যায়। বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আমলি আদালত দাগনভূইয়া কোর্টে মামলা দায়ের করা হয় সি আর ১মামলা নং -৩৯৬/২৩। আদালত ফেনীর ডিবি কে তদন্ত দায়িত্ব দেয়া হয় এবং ডিবি এই ঘটনার সত্যতা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন। এই বিষয়ে দেওয়ানী ২৭০/২১ আদালতের নজরে আনায়ন করিলে আদালত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন।২০২১ সাল হইতে ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময় বিচারক সিনিয়র সহকারী জর্জ দাগনভূইয়া আফসানা ইসলাম রুমি অন্যত্র বদলি হয় এবং ওনার স্থলে সিনিয়র সহকারী জর্জ কামরুন নাহার স্থলাভিষিক্ত হন।১৪/১০/২৪ইং দেওয়ানী২৭০/২১ইং ১১:০১/০১:২৬:cause list কোন আদেশ আসেনি কিন্তুু ০১:২৬:২৮ সময় আবার cause list চেক করা হয় তখন জানাজায় আজকে মামলার তারিখ ও আজকে মামলার শুনানি। ০৭/১১/২৪ইং দেওয়ানী ২৭০/২১ইং cause list খাতা দেখা যায় স্থিতিশীল নিষেধাজ্ঞা বাতিল করেছেন। আগষ্ট মাসে হাজিরা ও নিষেধাজ্ঞ আবেদন না পাওয়ায় বাতিল করেন।তাৎক্ষণিক আইনজীবী জানায় যে হঠাৎ ফেনী জেলায় বন্যা হওয়ায় কোর্ট বন্ধ হয়ে যায়।বিচারক পুনরায় জানায় সেপ্টেম্বর এর নিষেধাজ্ঞা পিটিশন কেন জমা দেওয়া হয় নাই তাই নিষেধাজ্ঞা বাতিল করেছেন।পূনরায় আইনজীবী জানায় আগষ্টের নিষেধাজ্ঞা আবেদন জমা দেয়া আছে কিন্তু সিনিয়র সহকারী জর্জ রাগান্বিত হয়ে জানায় যদি দেখাতে সক্ষম না হয় তাহলে ওনার আদেশ বাতিল করবে।আইনজীবী কোর্ট এর নথি থেকে ঐ নিষেধাজ্ঞা পিটিশন বিচারকে নজরে আনলে তাৎক্ষণিক নিষেধাজ্ঞা বলবৎ রাখেন।গত ২৭/১১/২৪ইং দেওয়ানী ২৭০/২১ইং মামলার ধার্য তারিখ ছিলো কিন্তু তিনি শুনানি না করে পরের দিন আবার তারিখ দেন ২৮/১১/২৪ইং তারিখে শুনানীর দিন ধার্য্য করেন। ১টা মামলা ১মাসে ৩ বার তারিখ পড়ে।মাননীয় আদালত ১মাসের অবকাশকালীন ছুটির আগের দিন উভয়ের উপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বাতিল করে। এতে বিবাদীরা পেশি শক্তি খাটিয়ে পাঁকা ভবন নির্মাণ করছে।বাদী এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা সম্ভব হয়নি কারন ডিসেম্বর মাস বন্ধো।গতকাল মঙ্গলবার ১৮/১২/২৪ইং বাদি ৩ শতাংশ জায়গা থেকে ২ শতাংয় নিষেধাজ্ঞা বাতিল হলেও বাকী ১শতাংশে ঘরের কাজ করার সময় মামলার ১নং বিবাদী জয়নাল আবেদীন ২নং বিবাদী আবুল কাশেম ও ঢাকায় অবস্থানরত মনির আহমেদ গংদের পক্ষ নিয়ে জামাত ইসলামের ৫ নং এয়াকুবপুর ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মানিক সাহেব এসে বাধাসৃষ্টি করে।এক পর্যায়ে ঐ নেতা চলে গেলে বিবাদীরা কাজে থাকা লেবার শ্রমিকদের মেরে তাড়িয়ে দেয়। বাদীর উপর আক্রমণ করে।মোবাইল দিয়ে ভিডিও ধারন করায় সে মোবাইলে আঘাত করে এবং মোবাইল নিয়ে যেতে চেয়ে ছিলো।এভাবে বাদীকে একটার পর একটা মামলা দিয়ে হয়রানি করেও ক্ষান্ত হচ্ছে না।পিতার বসত ঘর রক্ষা করতে আর কত হয়রানি শিকার অর্থ দন্ড ও জিবন থেকে মূল্যবান সময় নষ্ট হবে……? এক সময়ের শিল্প কারখানা মালিক ছিলেন মরহুম:দীন মোহাম্মদ মিয়া।ফেনী বিসিকে ৩২ শতাংশ জায়গার উপর নির্মিত এই শিল্প প্রতিষ্ঠান। সোনালী ব্যাংক এর অসাধু কর্মকর্তার অলিখিত প্রস্তাব মেনে না নেওয়াতে শিল্প প্রতিষ্ঠানটি বন্ধো করে দিতে হয়।মানসিক অসুস্থ হয়ে বিচানায় পড়ে যায়।পরিবারের বাবা যখন অসুস্থ হয়ে যায় তখন বুঝা যায় পৃথিবীটা কেমন।মাত্র ৭৪৭০০০/= সাত লক্ষ সাতচল্লিশ হাজার চক্র বৃদ্ধির হারে ৩৪,৯৭,৩২৮/= চয়ত্রিশ লক্ষ সাতানব্বই হাজার তিন শত আঠাইস টাকা হয়।ঐ ব্যাংক কর্মকর্তারা গোপনে নিলাম জারি করে ফেনীর বিসিক শিল্প নগরীতে ৩২ শতাংশ জায়গার উপর শিল্পকারখানা টি মাত্র ৬,৬৬০০০/= টাকায় নিলাম করে নিয়ে যায়।বাকী টাকার জন্য গ্রামের পৈতৃক সম্পত্তির উপর নিলাম হয়।মরহুৃম দীন মোহাম্মদ মিয়ার ছেলে ফরহাদ আহমেদ নিজ নামের জায়গা বিক্রয় করে বাড়ি নিলাম নিষ্পত্তি করে। জীবনের শেষ সময় যে ৩শতাংশ ঘর ভিটা ছিলো সেটাও ওনার আপন ভাইরা ২শতাংশ দখল করে নেয় এবং বাকী ১শতাংশও দখলে নেয়ার চেষ্টা করছে।
Leave a Reply