ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:
ময়মনসিংহে বাবার মোটরসাইকলের পেছন থেকে পড়ে গিয়ে ট্রাক চাপায় তাবা আক্তার (১৬) নামের এক শিক্ষার্থী এবং তৈলবাহী লড়ির সাথে সিএনজি অটােরিকসার মুখােমুখি সংঘর্ষে নাইম মিয়া (১৯) নামর এক সিএনজি অটােরিকসা চালক নিহত হয়েছেন। পৃথক ঘটনা দুটি পৃথক সময় ঘটেছে।

পুলিশ জানায়, বহস্পতিবার ভােররাতে সদর উপজেলার ময়মনসিংহ-শেরপুর সড়কের আলালপুর নামক স্হানে তৈলবাহী লড়ির সাথে সিএনজি অটােরিকসার মুখােমুখি সংঘর্ষে নাইম মিয়া (১৯) নামের সিএনজি অটােরিকসা চালক ঘটনা স্হলেই নিহত হয়ছেন। নিহত নাইম মিয়া জেলার ফুলপুর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের সবুজ মিয়ার ছেলে। ময়মনসিংহ কােতােয়ালী মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাে. রিফাত এসব তথ্য নিশ্চিত করছেন। থানা পুলিশ জানায়, ভােররাতের দিকে সিএনজি অটােরিকসা চালক ময়মনসিংহ থেকে ফুলপুরের দিকে যাছিলেন। পথিমধ্য আলালপুর নামক স্হানে যেতেই বিপরিত দিক থেকে আসা একটি তৈলবাহী লড়ির সাথে মুখােমুখি সংর্ঘষ হয়। এত ঘটনা স্হলেই সিএনজি অটােরিকসা চালক নাইম মারা যান। এসময় সিএনজিতে কােন যাত্রী ছিলো না।
ঘটনা স্হল পরিদর্শন করে আসা পুলিশের এসআই মাে. রিফাত জানান, স্হানীয়রা থানায় খবর দিল ঘটনা স্হলে এসে মরদেহ উদ্ধার করা হয়ছে। তৈলবাহী লড়ি জব্দ করা হয়ছে। তবে, চালক পালিয়ে গেছে।
অপর দিকে বুধবার বিকাল ময়মনসিংহ নগরীর চায়না মােড় এলকায় ব্রিজের ওপর উঠার সময় বাবার মোটরসাইকলের পিছন থেকে পড়ে গেলে পেছন থেকে আসা ট্রাক চাপা দেয় তাবা আক্তার (১৬) নামের শিক্ষার্থীক। এতে ঘটনা স্থলেই তার মত্যু হয়। নিহত তাবা আক্তার নেত্রকােনা জেলার কলমাকাদা উপজলার লিটন মিয়ার মেয়ে। তাবা এবছর এসএসসি পাশ করছেন। কােতায়ালী মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাে. আসাদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, লিটন মিয়া তার মেয়ে তাবাক নিয় মটোরসাইকেল করে ময়মনসিংহ থেকে কলমাকাদার দিকে যাছিলেন।পথিমধ্য চায়নামােড় এলাকায় ব্রীজ উঠার সময় মাটরসাইকলর পিছন থেকে তাবা পড়ে যান। একই সাথ তাবার বাবাও মটোরসাইকেল নিয়ে পড়ে যান। এসময় পিছন থেকে আসা একটি ট্রাক তাবাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনা স্থলেই তাবা মারা যায়। তবে, তার বাবার তেমন কােন আঘাত পাননি।
পরে স্হানীয়রা থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠান।
Leave a Reply