বিশেষ প্রতিনিধি : দাগনভূঞা উপজেলা ৫নং ইয়াকুবপুর ইউনিয়ন দুধমুখা খামারবাড়ি মরহুম আলী আহমদ মিয়ার ছেলে জয়নাল আবেদিন।এই জয়নাল আবেদীনের নেশা ছিল জুয়া এবং মদের। দীর্ঘদিন এসব অপকর্মের কারণে দুবাই হইতে তার ছেলে-মেয়ে পরিবারকে ছেড়ে নিজ দেশে বিচ্ছিন্ন জীবন কাটায়। এই জয়নাল আবেদীন পরিবারের সবার বড় আপন বড় ভাই মরহুম দীন মোহাম্মদ মিয়ার ৬০ বছরের পুরানো বসতখন্ড হতে ঘর ভেঙ্গে ১০/৯/২৪ইংরবিবার নিজ দখলের নেওয়ার চেষ্টা করে। এই ঘরের কাঠ বাঁশ পিলার টিউবওয়েল আসবাবপত্র ও কয়েক রকমের গাছ কাটিয়া লুট করে নিয়ে যায়। বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালত দাগনভূঞা কোর্টে মামলা দায়ের করা হয়। সি আর মামলা ৩৯৬/২৩।যাহা ডিবির প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে এই জয়নাল আবেদীন সরাসরি জড়িত তা প্রমাণ পাওয়া যায়।এই জয়নাল আবেদীন দাগনভূঞা থানার সাবেক এসআই মহসিন মোটা অংকের টাকার বিনিময় জয়নাল আবেদীনের পক্ষ নিয়ে আদালতে নিষেধাজ্ঞা থাকা অবস্থায় টিনের ঘর নির্মাণ কাজে বাধা দেওয়ায় মরহুম দিন মোহাম্দ মিয়ার ছেলের নামে নন-জিআর ১৫/২৪মামলা দায়ের করেন।এ মামলা সম্পূর্ণ মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় মাননীয় আদালত মামলাটি খারিজ করে দেন।গত ১৭-১২-২০২৪ ইং মঙ্গলবার নিজ পৈতৃক বসতখণ্ডে সংস্কার করার সময় ঢাকা হইতে মনির আহমদ এর নির্দেশে জয়নাল আবেদীন গং’রা কাজে বাধা সৃষ্টি করে। শরীরে আঘাত করে এবং ভিডিও ফুটেজ নষ্ট করার জন্য মোবাইলে আঘাত করে।বিষয়টি ফেনী জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম মহদয়ের নজরে আনা হলে তিনি দ্রুত অভিযোগ থানায় জমা দিতে বলেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে ২১/১২/২৪ ইং রোজ মঙ্গলবার দাগনভূঞা অফিসার ইনচার্জ বরাবর অভিযোগ জমা দেয়া হয়। অভিযোগের পর থেকে অদ্যবিধি থানা হইতে কোন ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হইনি।একই বিষয়ে ভূমিদস্যু জয়নাল আবদীন পাল্টা অভিযোগ থানায় জমা দেন।জয়নাল আবেদিনের অভিযোগের দায়িত্ব পান এসআই রোকন ।গত(১৭/১২/২৪ হইতে ১১/০৪/২৫ইং)উভয়ের অভিযোগ এর পরিপেক্ষিতে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয় নাই বরং দাগনভূঞা থানার si রোকন ১১/ ৪/ ২০২৫ইং ফরহাদ আহমেদকে মোবাইল ফোনে জানায় জয়নাল আবদিনের সাথে মীমাংসা করেন নাই কেন মীমাংসা করেন নতুবা কোর্টে মামলা পাঠিয়ে দেব এর উত্তরে সাংবাদিক ফরহাদ আহমেদ জানান, থানা যে কোন ব্যক্তি অভিযোগ করলে বাদি বিবাদিকে তলব করা হয় বা ঘটনার তদন্তের স্বার্থে ঘটনার বিবরণ জানার অধিকার একজন এস আই সাহেবের থাকে কিন্তু কোন কিছু না জেনে একতরফা ভাবে অভিযোগের বিবাদী কে জোরপূর্বক আপস মীমাংসা নতুবা আদালতে মামলা প্রেরণ করবে বলিয়া যে হুমকি প্রদর্শন করে যাহা একজন পুলিশ অফিসার নিকট হইতে জনসাধারণ আশা করে না।এস আই রোকন ভিক্ষক হইতে চাদা চাওয়া থেকে শুরু করে মাটির গাড়ী,ইটের ভাটা, মাইক্রোস্ট্যান্ড সহ ভিবিন্ন স্পট থেকে মাশোয়ারা আদায় করেন(দৈনিক ভোরের আওয়াজ-৭/৪/২৫ইং)প্রকাশিত হয়।
Leave a Reply