এস এম আল আমিন, স্থানীয় কিশোর সাংবাদিকঃ
আজ ৮ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ২০২২ উপলক্ষে সচেতন নাগরিক কমিটি(সনাক) ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)ও ইয়েস গ্রপদের নিয়ে র্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করে। সভায় উপস্থিত ছিলোঃ
১) প্রকৌশলী মোঃ আব্দুল খালেক, সভাপতি, সনাক, সাভার।
২) মোঃ মাহান উল হক, ক্লাস্টার অর্ডিনেটর সিই, ঢাকা ক্লাস্টার।
৩) অধ্যাপক দীপক কুমার সাহা, সদস্য সনাক, সাভার।
৪) সুলতানা জামিলা, সদস্য, সনাক, সাভার
৫) মোঃ রাশেদুজ্জামান, এরিয়া কো-অর্ডিনেটর, সনাক-টিআইবি, সাভার।
আজকের সভায় আলোচ্য বিষয় থেকে উঠে আসে লিখতে, পড়তে,গণনা করতে ও যোগাযোগ স্থাপন করার সক্ষমতা ছাড়াও যুগের সাথে তাল মিলিয়ে নতুন নতুন প্রযুক্তিতে নিজের দক্ষতা তৈরি করা হলো সাক্ষরতার অন্যতম একটি সঙ্গা। বর্তমানে লেখাপড়া,অফিশিয়াল কাজ, ব্যবসা-বাণিজ্য সব কিছু ডিজিটাল পদ্ধতিতে বা কম্পিউটার মাধ্যমে হচ্ছে। কাজেই কম্পিউটার দক্ষতা বর্তমান যুগে সবার জন্য জানা জরুরী হয়ে পড়েছে। তাই কম্পিউটার দক্ষতাকেও এখন সাক্ষরতার একটি উদাহরণ বলা যায়।নিরক্ষর মানেই অশিক্ষিত নয় এটাও আমাদের বুঝতে হবে।তাছাড়া আরও উঠে এসেছে বাংলাদেশ সাক্ষরতার হার বাড়লেও সুশিক্ষার হার বৃদ্ধি পাচ্ছে না।শিক্ষক,গুরুজন,পিতা-মাতাদের সাথে দুর্ব্যবহার কমছে না।বাবা ছেলের হাতে হত্যা,বন্ধু বন্ধুকে হত্যা,শিক্ষার্থীর কাছে শিক্ষকের লাঞ্চনা এখন নিত্যদিনের ঘটনা।তাই সুশিক্ষা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আমাদের সচেতন হতে হবে। বর্তমানে ২০২২ সালে বাংলাদেশে মোট সাক্ষরতার হার ৭৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ। পুরুষের সাক্ষরতার হার ৭৬ দশমিক ৫৬শতাংশ, নারীদের সাক্ষরতার হার ৭২ দশমিক ৮২ শতাংশ। সাক্ষরতার সর্বোচ্চ হার ঢাকা বিভাগে ৭৮ দশমিক ০৯ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন হার ময়মনসিংহ বিভাগে ৬৭ দশমিক ০৯ শতাংশ। নারীদের সাক্ষরতার হার আরও বৃদ্ধির লক্ষে আমাদের সচেতন হওয়া উচিত।এইচএসসি পাসের পর দেখা যায় অধিকাংশ মেয়ের বিয়ে হয়ে যায় অথবা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর বিয়ে হয়ে যাওয়ার কারণে পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলা ইত্যাদি কারণ গুলো সমাধানের মাধ্যমে নারীদের সাক্ষরতার হার ও সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। পাশাপাশি সাক্ষরতার অন্যতম অন্তরায় অনিয়ম-দুর্নীতি রোধে সরকার ও জনগণকে সচেতন হতে হবে।
Leave a Reply