মঙ্গলবার দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর-ফুলবাড়ী রেলওয়ের হলিদবাড়ী রেলগেট এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ঘটনায় দিনাজপুর সিআইডি এএসপি ফারুক আহম্মেদ, এএসপি সার্কেল জিন্নাহ আল মামুন, ডিবি ওসি সোহেল রানা, রেলওয়ে থানা ওসি ফকরুল ইসলাম ও মডেল থানার ওসি আব্দুস সালাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
স্থানীয়রা ও পুলিশ জানায়, নিহত ভরত চন্দ্র পার্বতীপুর রেলওয়ের খালাসি পদে চুক্তিভিত্তিক নিযুক্ত ছিলেন। সোমবার বেলা ১১টার পর তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে আসেন।সন্ধ্যার পর থেকেই তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ ছিলো। মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে পার্বতীপুর উপজেলার হলদিবাড়ী রেলওয়ে গেটসংলগ্ন ৩৭৬/৮ নম্বর রেলঘুন্টি এলাকায় তার মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে মাথা বিচ্ছিন্ন ও হাতে প্লাস্টিকের রশি দিয়ে বাঁধা মরদেহ জিআরপি ও মডেল থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের পরিচয় সনাক্ত ও পরিচয়ের চেষ্টা চলাকালে তার পকেটে থাকা মানিব্যাগে রাখা রক্ষিত মোবাইল নম্বরে ফোন দিলে ওই ব্যক্তি ভরতের প্রতিবেশীর ও পরিবারের নিকট বিষয়টি জানাজানি হয়।পরে নিহতের ছেলে রিপন ঘটনাস্থলে এসে পিতার লাশ সনাক্ত করলে পরিচয় নিশ্চিত হয়।
পার্বতীপুর রেলওয়ে থানার ওসি ফখরুল ইসলাম জানান, লাশের সুরতাহাল শেষে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার কারন ও আইনি ব্যাবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

Leave a Reply