বিশেষ প্রতিনিধি : শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতর (ইইডি) এর পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) ড. অমিতাভ চক্রবর্ত্তীকে যুগ্ন সচিব হিসেবে দেখতে চায় জনগন।জানা যায় ১৯ তম বিসিএস এর এই কর্মকর্তা চাকরিজীবনে যোগদানের পর থেকে দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামূলক আচরণের মাধ্যমে প্রশংসনীয় অবদানের মাধ্যমে সরকারের দেওয়া অর্পিত দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালন করে চলছেন।জানা যায় বিশেষ করে উপসচিব হিসেবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থাকার সময় তিনি তার সৎ সাহসীকতায় দায়িত্ব পালন করে তার উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নজর কাড়তে সমর্থ হয়েছিলেন।চাকরিজীবনে সৎ নিষ্ঠার সহিত দায়িত্ব পালন করে বার বার বুজাতে সক্ষম হয়েছেন দুর্নীতি ছাড়াও সম্মানিত হওয়া যায়।সরকারি প্রতিটি দপ্তরে সুনামের সহিত দায়িত্ব পালন করে সবশেষে যোগদান করেন শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতর এর পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) হিসেবে।এখানে যোগদান করার পর থেকে পূর্বের সৎ সাহসীকতাকে কাজে লাগিয়ে আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে নিরলসভাবে কাজ করে চলছেন।শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতর এর প্রতি সাধারণ মানুষের ভিন্ন ধারণা থাকলেও তিনি সে ধারণা বদলে দিয়েছেন ব্যতিক্রমধর্মী ড. অমিতাভ চক্রবর্ত্তী পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) হিসাবে দায়িত্ব পালন করে তিনি তার সৎ সাহসীকতার মাধ্যমে কাজ করে জনগনকে বুজাতে সক্ষম হয়েছেন শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরকে দুর্নীতি মুক্ত হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি বদ্ধপরিকর।তিনি সাধারণ মানুষের কাছে আস্থার প্রতীক এবং দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা কর্মচারী সহ ঠিকাদার সিন্ডিকেটের কাছে হয়ে উঠেছেন আতঙ্ক।সৎ সাহসীকতা,মেধা, বিচক্ষণতা কর্মদক্ষতার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছেন।অনিয়ম,দুর্নীতির ঘটনার সংবাদ পাওয়া মাত্রই সাড়া দিচ্ছেন দ্রুত।সম্প্রতি আচরন বিধি লংঘন,ব্যাপক অনিয়ম,দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতা ঠিকাদারদের সঙ্গে আঁতাত করে কোটি টাকা আত্মসাৎ অবৈধ ঠিকাদারি সিন্ডিকেট তৈরীর করে অবৈধ ভাবে সম্পদ অর্জন করায় কয়েকজনকে চিন্হিত করে নিয়েছেন ব্যবস্থা।শুধু এই ঘটনা নয় টেন্ডারে অংশগ্রহনে অনিয়ম বন্ধে রয়েছেন কঠোর অবস্থানে প্রতিটি টেন্ডার প্রধান প্রকৌশলী এর সাথে আলোচনার মাধ্যমে নিরপেক্ষতা,স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা মূলক টেন্ডার আয়োজন করে চলছেন ফলে যোগ্য প্রতিষ্ঠান গুলো পাচ্ছেন কাজ আর বন্ধ করতে পেরেছেন অনিয়ম দুর্নীতি।যত বড় আধিপত্য বিস্তার করুক না কেন অনিয়ম দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়া কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তিনি একাই একশো।তার এমন সৎ সাহসীকতায় দায়িত্ব পালনে প্রশংসায় ভাসছেন তিনি।সাধারন জনগন বলছে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতর এর পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) ড.অমিতাভ চক্রবর্ত্তী যার কর্মজীবনে অনিয়ম দুর্নীতির এক ফোটা অভিযোগ নেই যিনি সৎ সাহসীকতার সহিত দায়িত্ব পালন করে প্রশংসিত করে চলছেন সরকারকে।তিনি বর্তমানে উপসচিব থাকার পরেও জেলা প্রশাসক হিসেবে রাখা হয় নাই বা গুরুত্বপুন্য স্থানে দেওয়া হয়নি তা দু:খজনক আমরা চাই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব স্যার তাকে যুগ্ন সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে যোগ্য কর্মকর্তাকে যোগ্য স্থানে বসিয়ে সরকারকে দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সহযোগীতা করবে এমনটাই প্রত্যাশা জনগনের।

Leave a Reply