
ষ্টাপ রিপোটারঃ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ১৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিনকে হত্যাচেষ্টার মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছিল পল্টন থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. এনামুল হক আবুলকে। তার বিচারের দাবিতে করা হয়েছিল পোস্টারিং। গত ১৬ আগস্ট মামলা দায়ের হলেও এতদিন চুপ ছিলেন আবুল। অবশেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করলেন, জসিম উদ্দিনের ওপর কোনো হামলাই হয়নি। বরং, জসিম উদ্দিন মদ্যপ অবস্থায় পল্টনের হোয়াইট হাউজ ভাঙচুর করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে গত ১৬ আগস্ট রাতে হোয়াইট হাউজ ভাঙচুরের ভিডিও ফুটেজ দেখানো হয়। ওই ভিডিওতে অবশ্য জসিম উদ্দিনকে মারধরের দৃশ্য দেখা যায়নি।
যদিও ঘটনার দিন জসিম উদ্দিনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার স্বজনদের পক্ষ থেকে তখন অভিযোগ করা হয়, জসিম উদ্দিনকে ব্যাপক মারধর করা হয়েছে। তাকে নিচে ফেলে পা দিয়ে আঘাত করায় হার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
রোববার (৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলনে এনামুল হক আবুল অভিযোগ করেন, একটি মহল দীর্ঘদিন ধরে তাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন ও বিতর্কিত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত আছে।
তিনি বলেন, ‘জসিম উদ্দিনের মেয়ে শিবা আক্তার যুথী গণমাধ্যমে ও মামলার এজাহারে বলেছেন, আমি নাকি জসিম উদ্দিনকে মাটিতে ফেলে মারধর করেছি। তার মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। মারধরের কারণে নাকি উনি মারাত্মকভাবে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অথচ, তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ অবস্থায় হোয়াইট হাউজ থেকে বের হন। সাথে মোবাইলও ছিল, যা সিসি ক্যামেরায় স্পষ্টভাবে দেখা গেছে। এজাহারে শিবা আক্তার যুথী নিজেকে পল্টন থানা মহিলা লীগের সভাপতি দাবি করলেও তিনি তা নন, যা মহিলা লীগের মহানগর কমিটির সভাপতি আমাদের লিখিতভাবে জানিয়েছেন। এ কাগজও আমাদের কাছে আছে। আমার পরিবার সম্পর্কে আপনারা সকলেই জানেন। আমার বাবা আব্দুর রহমান বীর মুক্তিযোদ্ধা। আমার চাচাতো ভাই সাবেক সচিব সিরাজ উদ্দীন সাহেব জনতার মঞ্চে অংশগ্রহণ করতে গিয়ে চাকরিচ্যুত হন। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার অন্যতম আসামি ফ্লাইট সার্জেট ফজলুল হক আমার মামা। ১৯৬২ সালে আমার বাবা শিক্ষা কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের কারণে কারাবরণ করেছিলেন। আমার বড় ভাইও বীর মুক্তিযোদ্ধা।’
নিজের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমি দীর্ঘ ৪০-৪৫ বছর যাবৎ এই এলাকায় আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। দীর্ঘদিন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি ছিলাম। বর্তমানে পল্টন থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের দায়িত্ব পালন করছি। আমার জীবনে কোনো রাজনৈতিক কর্মী বা এলাকার কোনো বাসিন্দার সাথেও মনমালিন্য হয়নি। সেখানে আমার বিরুদ্ধে ১৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিনকে মারধরের যে অভিযোগ উঠেছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।’
আহত সহকর্মীকে দেখতে গিয়েছিলেন কি না? এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘না, আমি তাকে দেখতে যেতে পারিনি। কারণ, তার লোকজন হাসপাতালে যে অবস্থা তৈরি করে রেখেছে, তখন যাওয়ার মতো অবস্থা ছিল না।’
এ সময় কাউন্সিলের পাশে থাকা একজন জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে বিএনপির লোকজনের সঙ্গে সখ্য রাখার অভিযোগ তোলেন।
পল্টন থানা আওয়ামী লীগ ও এলাকাবাসি জানায় বিএনপি, জামাত ও শিবিরের বিরুদ্ধে কথা বলায় পল্টন থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. এনামুল হক আবুল আজ গভীর স্বরযন্ত্রের শিকার পল্টন থানা রাজধানীর এক প্রাণকেন্দ্র আর এই এলাকায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন মো. এনামুল হক আবুল। তিনি জন্ম সূত্র থেকে আওয়ামী লীগ পরিবারে সদস্য। বিএনপি ও জামাত জোট সরকার ক্ষমতায় থাকা কালীন শত নির্যাতিত হয়েও দলের হাল ছাড়েনি | মো. এনামুল হক আবুল ও তার পরিবার। বিরোধী জোটেরা পল্টন থানা আওয়ামী লীগের ঐক্য ভাঙ্গার জন্য মো. এনামুল হক আবুলকে মিথ্যা সাজানো মামলা দিয়ে তার জনপ্রিয়তা নৈস্বাত করার জন্য করছে গভীর স্বরযন্ত্র মো. এনামুল হক আবুল এক জন সাদা মনের মানুষ তার মধ্যে নেই কোন দূর্ণিতি, চাঁদাবজি, সন্ত্রাসী ও ক্যাসিনও। এই জন্য মো. এনামুল হক আবুলকে নেতৃত্ব শূন্য করার জন্য জামাত ও শিবরের অর্থায়নে করছে মিথ্যা মামলা
Leave a Reply