বিশেষ প্রতিবেদক : ডিএমপির যুগ্ন কমিশনার (ক্রাইম) মো: ফারুক হোসেন সৎ সাহসিকতার সহিত দায়িত্ব পালন করে চলছেন।জানা যায় তিনি যোগদান করার পর থেকে সরকারের দেওয়া অর্পিত দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালন করে চলছেন।তার গ্রহন যোগ্যতা দিন দিন বেড়েই চলছে।তিনি কঠোর পরিশ্রম, বুদ্ধিমত্তা ও দক্ষতার মাধ্যমে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।সততা পেশাদারিত্ব ও দক্ষতার মাধ্যমে দেশের জনগণের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।।ডিএমপির আওতাধীন থানা এলাকা গুলোতে অপরাধ দমনে দায়িত্বরত অফিসারগন ব্যর্থ হলে নিচ্ছেন তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা।তিনি তার সৎ সাহসিকতার নেতৃত্বে অপরাধ দমনে অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে আইনের আওতায় আনছেন অপরাধীদের।তিনি দায়িত্বের প্রতি এতটাই আন্তরিক যে সরকারের দেওয়া অর্পিত দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালন করে তার ঊর্ধ্বতনদের নজর কাড়তে সমর্থ হয়েছেন।তিনি অপরাধ দমনে একের পর এক চমক দেখিয়ে চলছেন।বিশেষ করে একটি চক্র বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকে পুঁজি করে তাদের ব্যক্তি স্বার্থ হাসিল করতে ভুল তথ্য দিয়ে গনহারে মামলায় আসামি দিয়ে হয়রানী করছে,সম্প্রতি উত্তরা পশ্চিম থানার মামলা নং ১২ তারিখ ৪/১/২৫ বিতর্কিত এই মামলায় ষড়যন্ত্র মূলক ভাবে আদালতের মাধ্যমে মামলাটি করে যেখানে ১৫২ নং ও ১৫৩ আসামি হিসেবে সাংবাদিকদের করে।শুধু এই মামলা নয় গনহারে এমন অনেক মানুষদের মামলায় আসামি করে একটি চক্র আর প্রশ্নবিদ্ধ করছে সরকারকে।বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ঘটনায় এ ধরনের হয়রানী বন্ধে তিনি তার ঊর্ধ্বতনদের দিক -নির্দেশনা অনুযায়ী উপযুক্ত প্রমানক এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিত বৈষম্যবিরোধী মামলার এজাহার নামীয় কিংবা তদন্তে প্রাপ্ত কোন আসামিকে গ্রেফতার না করার জন্য নির্দেশনা দেন।তার এমন কাজে দেশের সর্বত্রের মানুষ বেশ উজ্জীবিত ও খুশি। অপরাধ দমনকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।নিয়মিত দিচ্ছেন বেতার বার্তা এগিয়ে চলছেন দুর্বার গতিতে।জনগন বলছে আমরা চাই মো:ফারুক হোসেন স্যারকে ডিএমপির যুগ্ন কমিশনার (ক্রাইম) হিসেবে দীর্ঘ দিন দায়িত্ব পালন করুক,তিনি আছেন বলে আমরা জনগন নিরাপদে আছি।তিনি তার অসীম সাহসিকতা ও বীরত্ব,অপরাধ নিয়ন্ত্রণ,দক্ষতা,কর্তব্যনিষ্ঠা,সততা ও শৃঙ্খলামূলক আচরণের মাধ্যমে প্রশংসনীয় অবদান রেখে সরকারের দেওয়া অর্পিত দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালন করে চলছেন।যে কারনে ডিএমপির সৎ সাহসিবান যুগ্ন কমিশনার ক্রাইম হিসেবে সর্ব মহলে প্রশংসিত।
Leave a Reply