1. dailyamarsongram71@gmail.com : Abu Yusuf : Abu Yusuf
  2. admin@dailyamarsongram.com : admin :
  3. shoyebmahmud08@gmail.com : Abul Kalam : Abul Kalam
  4. kazimaviation@gmail.com : Office Staff : Office Staff
  5. akazzad1@gmail.com : Abul Kalam : Abul Kalam
October 18, 2026, 12:24 am
শিরোনাম :
তরফপুর ইউনিয়ন বিজ্ঞান ক্লাব ও পাঠাগারের উদ্দ্যোগে মেধা অন্বেষণ বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৪ এর চলছে রেজিষ্ট্রেশন। মহান বিজয় দিবস ও ও বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে সরোয়ার্দী উদ্যানে আলোচনা সভা। প্রতিটি সিটি কর্পোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী মোহনা টিভির এমডি শাহেদ আহমেদ মজুমদারের পক্ষে আদালতে গেলেই মব সৃষ্টি,রেহাই পাচ্ছেন না সাংবাদিক নেতারাও ! উরফি ইউনিয়ন পরিষদে পরিবর্তনের হাওয়া: চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয়তার শীর্ষে তরুণ সমাজসেবক মো: রফিকুজ্জামান মুন্সি সততা ও পেশাদারিত্বের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: গোপালগঞ্জ পৌরসভার নাগরিক সেবায় আস্থার প্রতীক রেজওয়ানা কবির ময়মনসিংহ জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত। মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে, তরুণদের রক্ষায় সর্বস্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ভালুকা মডেল থানার ওসি। ময়মনসিংহে প্রতারণার অভিযোগে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সহসভাপতি নাসির উদ্দিন আটক। ভালুকায় বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর, থানায় অভিযোগ । গুলশান ইস্যু ও ওসি দাউদ: আবেগের ভিড়ে হারাবে কি সততার ইতিহাস? দরগ্রাম ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা আব্দুল মোতালেবের বিরুদ্ধে অপপ্রচার: ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী, নেপথ্যে কায়েমি স্বার্থান্বেষী মহল।

ময়মনসিংহে সাহিত্য সংসদের মুক্তমঞ্চ প্রশাসন কতৃক আকস্মিক উচ্ছেদ।

  • সময়: Saturday, May 3, 2025
  • 139 View

ময়মনসিংহে সাহিত্য সংসদের মুক্তমঞ্চ প্রশাসন কতৃক আকস্মিক উচ্ছেদ

ময়মনসিংহ সদর উপজেলা প্রতিনিধি: ময়মনসিংহে সাহিত্য সংসদের মুক্তমঞ্চ আকস্মিক উচ্ছেদ অভিযানে ভেঙে দিয়েছে প্রশাসন। এর প্রতিবাদে আন্দোলনে নেমেছেন কবি, সাহিত্যিক ও সংস্কৃতিকর্মীরা।

বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে কথা, গান, কবিতায় প্রতিবাদ জানায় কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী ও সাংবাদিকবৃন্দ
উচ্ছেদের পর বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন নমনীয়তা দেখালেও আন্দোলনকারীরা বলছেন, দুঃখ প্রকাশ করে পুনঃনির্মাণ করতে হবে মুক্তমঞ্চ।

বুধবার (৩০ এপ্রিল) মুক্তমঞ্চ ভাঙার পর পাশেই নির্মাণাধীন আরেকটি অসম্পন্ন একতলা স্থাপনা ভাঙতে গেলে কবি ও সংস্কৃতিকর্মীদের প্রতিবাদের মুখে উচ্ছেদ অভিযান থেকে সরে যান ভ্রাম্যমাণ আদালতের কর্মকর্তারা। বৃহস্পতিবার সকালে এ নিয়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে কথা, গান, কবিতায় প্রতিবাদ জানায় সাহিত্য সংসদের একটি অংশ। চারপাশে অনেক অবৈধ দখলদার থাকতে মুক্তমঞ্চ ভেঙে দেয়ার কারণ জানতে চায় কবি-সাহিত্যিকরা।

কবি মুশাররাফ করিমের হাত ধরে ১৯৮০ সালের ২১ মে ময়মনসিংহে কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীদের সমন্বয়ে গঠিত সাহিত্য সংসদ যাত্রা শুরু করে। নগরের জয়নাল আবেদিন উদ্যান এলাকায় ১৯৯২ সালে তৎকালীন জেলা প্রশাসক ম শফিউল আলম সাড়ে ছয় শতক জমি সাহিত্য সংসদকে লিখিতভাবে বরাদ্দ দেন। সেই লিখিত চিঠি মন্ত্রণালয়েও পাঠানো হয়। ১৯৯৩ সালে জেলা প্রশাসক এ এস এম মতিউর রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সাহিত্য সংসদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এরপর থেকেই সেখানে সাহিত্য সংসদের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছিল।

১৯৮৩ সাল থেকে সাহিত্য সংসদের নিয়মিত পাঠচক্র বীক্ষণ আসর শুরু হলেও জয়নাল আবেদিন উদ্যানে ১৯৯৩ সাল থেকে প্রতি শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে আসরটি হয়ে আসছে। শুক্রবার (২ মে) বীক্ষণের ২ হাজার ১৪৬তম আসর হওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়াও সাহিত্য সংসদের আয়োজনে নাট্যপ্রকল্প, আবৃত্তিপ্রকল্প এবং পুরুষ্কার প্রকল্প পরিচালিত হতো।

বীক্ষণ আসরে ইতিহাসবিদ, লেখক বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর, কবি আল মাহমুদ, কবি শামসুর রাহমান, কবি আল মুজাহিদী, কবি ও গবেষক আব্দুল মান্নান সৈয়দ, কবি হেলাল হাফিজ, কবি আবু করিম, কবি নির্মলেন্দু গুণ, কবি শহিদ কাদরী, ছড়াকার আবু সালেহ, কবি মাহবুব সাদিক, কবি আসাদ চৌধুরী, কবি হাবিবুল্লাহ সিরাজীসহ আরো অনেক প্রখ্যাত কবি-সাহিত্যিকের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ছিল।

ভাঙ্গার পর ধ্বংসস্তুপভাঙ্গার পর ধ্বংসস্তুপ
বুধবার (৩০ এপ্রিল) আকস্মিক উচ্ছেদ অভিযানে সাহিত্য সংসদের মুক্তমঞ্চটি ভেঙে ফেলা হয়।
সংস্কৃতিকর্মীরা বলছেন, সাহিত্য সংসদটি কবি, লেখক এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। ২০১৯ সালে ফরিদ আহমেদ দুলালের গ্রুপের কবি শামসুল ফয়েজকে সভাপতি এবং কবি মাহমুদ আল মামুনকে সাধারণ সম্পাদক করে ৮১ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। এরপর থেকে সাহিত্য সংসদের বীক্ষণ আসরটি কাচারি ঘাট মুক্ত মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

বুধবার সকাল ১১টার দিকে কাচারিঘাট এলাকায় হিমু আড্ডার খানিকটা সামনের ময়মনসিংহ সাহিত্য সংসদের অসম্পন্ন একতলা ভবন ভাঙার চেষ্টা করে ভ্রাম্যমান আদালত। সেটি ভাঙতে ব্যর্থ হয়ে পাশেই স্থাপিত মুক্তমঞ্চ ভেঙে দেন তারা। তারপর আবার একতলা ভবন ভাঙার চেষ্টা করলে বাধা হয়ে দাঁড়ান কবি,সাহিত্যিকরা। পরে ব্যর্থ হয়ে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সিটি কর্পোরেশনের আঞ্চলিক কর্মকর্তা মো.সিরাজুল ইসলাম এবং জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কে এম রাফসান রাব্বি বৈশাখী মঞ্চের উল্টোদিকে গড়ে ওঠা বিজয়ী পিঠা বাড়ী নামে একটি স্থাপনাসহ পাঁচটি স্থাপনা উচ্ছেদ করেন।

মুক্তমঞ্চ উচ্ছেদ অভিযান থেকে রক্ষা করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন কবি শামীম আশরাফ। এ সময় তিনি ভ্রাম্যমান আদালতের কর্মকর্তাদের সাথেও তর্কে জড়ান।

কবি শামীম আশরাফ বলেন, ‘‘কোনো কারণ ছাড়াই আমাদের মুক্তমঞ্চটিকে গুঁড়িয়ে দেওয়ায় হৃদয়ে বারবার রক্তক্ষরণ হচ্ছে। বিষয়টি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছি না। আওয়ামী লীগ, বিএনপি সরকার কোনো সময় এত বড় সাহস করেনি, যা করে দেখিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রশাসন। এর পিছনে কোনো বড় ইন্ধন আছে বলে আমি মনে করি। আমাদের হাতে প্রশাসনের মতো অস্ত্র নেই, তাই আমরা গান-বাজনার বাদ্য যন্ত্র নিয়েই জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে কথা, গান, কবিতায় প্রতিবাদ করেছি। সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বরেণ্য কবি আশরাফ মীর, সামশুল ফয়েজ এবং কথা সাহিত্যিক সালিম হাসানসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। দুইদিনের আল্টিমেটাম দেয়া হয়েছে প্রশাসনকে৷ এরমধ্যে দুঃখপ্রকাশ করে যদি মুক্তমঞ্চটি পুনঃনির্মাণ না করে দেয়, তাহলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।”

প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বরেণ্য কবি আশরাফ মীর বলেন,‘আমরা প্রশাসনের অনুমতি নিয়েই প্রায় ৪৩ বছর ধরে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি। হঠাৎ করে প্রশাসন আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নিয়ে যা করেছে, তা মোটেই কাম্য হয়নি। এটি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জন্য একটা হুমকি বলে আমরা মনে করছি। আমরা চাই, আপনারা আপনাদের ভুল-ত্রুটি শুধরে অক্ষত মঞ্চ পুনারায় ফিরিয়ে দিন। মুক্ত-মঞ্চের আশপাশে অনেক অবৈধ দখলদার থাকতেও কোন কারণে আমাদের অস্তিতের জায়গায় হাত দেয়া হয়েছে?”

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আব্দুল্লাহ আল নাকিব বলেন, ‘‘মুক্তমঞ্চের পাশেই ব্রহ্মপুত্র নদের পাড় নামে-বেনামে প্রতিনিয়ত দখল হচ্ছে। গত ৬ মাস ধরে বাণিজ্য মেলার প্যান্ডেল করে নদের জায়গা দখল করা হয়েছে। তা না সরিয়ে কবি, সাহিত্যিকদের সাহিত্যচর্চায় আঘাত হেনেছে। কারো এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছেন আপনারা। টুঁটি চেপে ধরার চেষ্টা করছেন কবি, সাহিত্যিকদের। এই অঞ্চলের মানুষ তা কখনো মেনে নেবে না।”

0Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত ও সর্বস্বত্ত সংরক্ষিত।

Theme Customized By BreakingNews