1. dailyamarsongram71@gmail.com : Abu Yusuf : Abu Yusuf
  2. admin@dailyamarsongram.com : admin :
  3. shoyebmahmud08@gmail.com : Abul Kalam : Abul Kalam
  4. kazimaviation@gmail.com : Office Staff : Office Staff
  5. akazzad1@gmail.com : Abul Kalam : Abul Kalam
October 17, 2026, 11:45 pm
শিরোনাম :
তরফপুর ইউনিয়ন বিজ্ঞান ক্লাব ও পাঠাগারের উদ্দ্যোগে মেধা অন্বেষণ বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৪ এর চলছে রেজিষ্ট্রেশন। মহান বিজয় দিবস ও ও বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে সরোয়ার্দী উদ্যানে আলোচনা সভা। প্রতিটি সিটি কর্পোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী মোহনা টিভির এমডি শাহেদ আহমেদ মজুমদারের পক্ষে আদালতে গেলেই মব সৃষ্টি,রেহাই পাচ্ছেন না সাংবাদিক নেতারাও ! উরফি ইউনিয়ন পরিষদে পরিবর্তনের হাওয়া: চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয়তার শীর্ষে তরুণ সমাজসেবক মো: রফিকুজ্জামান মুন্সি সততা ও পেশাদারিত্বের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: গোপালগঞ্জ পৌরসভার নাগরিক সেবায় আস্থার প্রতীক রেজওয়ানা কবির ময়মনসিংহ জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত। মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে, তরুণদের রক্ষায় সর্বস্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ভালুকা মডেল থানার ওসি। ময়মনসিংহে প্রতারণার অভিযোগে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সহসভাপতি নাসির উদ্দিন আটক। ভালুকায় বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর, থানায় অভিযোগ । গুলশান ইস্যু ও ওসি দাউদ: আবেগের ভিড়ে হারাবে কি সততার ইতিহাস? দরগ্রাম ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা আব্দুল মোতালেবের বিরুদ্ধে অপপ্রচার: ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী, নেপথ্যে কায়েমি স্বার্থান্বেষী মহল।

জামায়াতের জালিয়াতি ও নোংরামি
নারী সাংবাদিককে নির্যাতনের শেষ কোথায়
বিশেষ প্রতিনিধি

  • সময়: Saturday, August 20, 2022
  • 215 View

জামাতে ইসলামী বাংলাদেশ স্পষ্টতই স্বাধীনতার বিরোধী শক্তি। সেই তারা স্বাধীনতার সুফলকে কুক্ষিগত করতে মোটেও কুণ্ঠাবোধ করেনি। জামাতের মুখপত্রের নাম দৈনিক সংগ্রাম আর সাপ্তাহিক সোনার বাংলা। জালিয়াতি কাকে বলে, কত প্রকার ও কী কী- তার বড় প্রমাণ স্বাধীনতার বিরোধী এ চক্রটি। স্বার্থের জন্য তারা পারে না, এমন কাজ নেই।
স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তাদের স্বাধীনতার প্রকাশ্যে বিরোধিতা, মানুষ হত্যা ও নারী নির্যাতনের খবর কার না জানা। শিক্ষাঙ্গনে ভিন্নমতের শিক্ষার্থীদের রগ কাটার বিষয় তো ওপেন সিক্রেট। তাদের নাকি অস্ত্র ব্যবহারের দলীয় অনুমোদন আছে রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ে। সম্প্রতি এ অনুমোদন বৃদ্ধি পেয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাব যুক্ত হয়েছে। এখানে জামায়াত-শিবিবের মহড়া চলে প্রকাশ্যে। দৈনিক সংগ্রাম, দৈনিক নয়াদিগন্ত ও সাপ্তাহিক সোনার বাংলার জামায়াত-শিবির ক্যাডারদের বেপরোয়া দেখা যায় নারী নির্যাতনকারী হিসেবে ইতিমধ্যে বহুল পরিচিত ডিইউজে অফিস, প্রেস ক্লাব চত্তরে। ডিইউজে (নারী নির্যাতনকারী) এখন জামায়াতের দ্বিতীয় অফিস।
তাদের দৌরাত্ম্য এতটাই সীমা ছাড়িয়ে যে, জেসমীন জুঁই নামের এক নারী সাংবাদিককে প্রকাশ্যে সভায় গায়ে হাত তুলতে তাদের মোটেও বাধেনি। জেসমীন জুঁই এ নিয়ে শাহবাগ থানায় মামলা করলে তারা পাল্টা জিডি করে এবং কোর্টে কাউন্টার মামলা করে। চোরের মায়ের বড় গলার মতো তারা জুঁইকে হেনস্থা ও ভীতি সৃষ্টি করতে হেন কাজ নেই, যা করছে না। এসব করে তারা জেসমীন জুঁইর করে তারা মূলত নারী নির্যাতন মামলা প্রত্যাহারের বাধ্য করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
জামাতের জঙ্গী ফান্ডের অঢেল টাকা ব্যবহার করে তারা জেসমীন জুঁইকে ন্যায় বিচার থেকে শুধু বঞ্চিত নয়, সব ধরনের হয়রানির অপচেষ্টায় লিপ্ত। কদিন আগে জাতীয় প্রেস ক্লাবে জেসমীন জুঁইকে নির্যাতনকারী জামাতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর সাংবাদিক শাখার প্রধান দৈনিক সংগ্রামের সাব-এডিটর মো. শহিদুল ইসলাম (জঙ্গী শহিদ)কে নিয়ে বসা হয়। সেখানে দৈনিক সংগ্রামের চীপ রিপোর্টার রুহুল আমিন গাজী জুঁইকে মামলা তুলে নিতে প্রকাশ্যে ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে। অন্যথায় বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে তারা জুইকে দেখিয়ে নেওয়ার প্রকাশ্যে হুমকি দেয়। আর এ সময় নির্যাতনকারী জঙ্গি শহিদ ভিলেনের মতো উপহাসের হাসি নাকি হাসে। হায়রে হায়েনার দল।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এসবের যৌক্তিক প্রতিবাদ করলে রুহুল আমিন গাজী তেলেবেগুনে জ¦লে উঠেন। আর এসব অনৈতিক কাজে জামাতিদের বৈধতা দিচ্ছেন সাংবাদিক সমাজে গোল আলু হিসেবে পরিচিত যুদ্ধাপরাধের দায়ে ফাঁসি কাষ্ঠে ঝোলা মাওলানা মতিউর রহমান নিজামির ভাগিনা এম এ আজিজ।
ঈদসহ বিভিন্ন পালা-পার্বণে জামায়াতের গিফট ও নজরানা ভোগী (গু-খাওয়া) আজিজ জামায়াত ও ফিডম পার্টির লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে নারী নির্যাতনকারীকে বহিষ্কারে বদলে লালনের সব ধরনের অপচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। তার সঙ্গে আছে বঙ্গভবনে সাবেক প্রেসিডেন্ট এরশাদের কবিতার মজমায় খালেদা জিয়াকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ কবিতা পাঠ করে এরশাদের ধমক খাওয়া কবি আবদুল হাই সিকদার। বিএনপি দাবির আড়ালে এ দুজন জামাতের স্বার্থ হাসিলে যে শতভাগ আন্তরিক, সে প্রমাণ সাংবাদিক সমাজকে তারাই বারবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে।
ডিইউজের সাধারণ সভা থেকে বিএফইউজের সাবেক মহাসচিব এম এ আজিকে প্রধান করে ভোটার তালিকা থেকে অসাংবাদিক (শিবির ক্যাডার)দের চিহ্নিতপূর্বক বাতিলের জন্য সুপারিশের দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু কিরুদিন হাক-ডাক দিয়ে জামাত-শিবিরকে একতরফা সুবিধা দিতে তিনি পদত্যাগ করে বসেন। ফলে আবারও তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি কি করবেন, তা তো স্পষ্ট।
কথায় কথায় তিনি জামাতের চৌদ্দগোষ্ঠী উদ্ধার করেন। বাস্তবে তাদের স্বার্থ ষোলআনা রক্ষা করেন। এটা তার নেতা সফিউল আলম প্রধানের চরিত্র। সারাদিন মাঠে-ময়দানে ভারতের বিরোধীতা করে গলা পাঠান, আর মাসে মাসে ভারতের অম্বাসিসিতে গিয়ে পেকেট আনতেন। যোগ্য নেতার যোগ্য উত্তরসুরী। এইসব কারণে ডিইউজে জামাতের আমির হিসাবে পরিচিত কাদের গনি চৌধুরীও তাকে নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করে হাসাহাসি করেন।
আপনাদের লোকজন দায়িত্ব পেয়ে নীতি-নৈতিকতা বাদ দিয়ে কেবল নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার জন্য ছাত্রশিবির, জামায়াতের সংস্কৃতি শাখা, ইসলামী ব্যাংক ব্যাংলাদেশ, ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ ইসলামী বিশ^বিদ্যালয়, শ্রমিক সংগঠন, ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল, ইবনে সিনা হাসপাতাল, বারাকা কিডনি জেনারেল হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ডিইউজের সদস্য বানিয়েছে। যারা অসাংবাদিক। এসবের নাটের গুরু স্বয়ং শহিদুল ইসলাম ওরফে জঙ্গি শহিদ। এই অসাংবাদিক সদস্য দিয়ে সমস্যার সূত্রপাত। এই অসাংবাদিকদের সদস্য করায় প্রেস ক্লাবে নানা রকম সমালোচনা শুনতে হয়। ভয়ঙ্কর ব্যাপার হলো, ডিইউজে কমিটিতে জামাতের রুকন আছে ৮ জন। আর ডিইউজের সদস্যের মধ্যে রুকন প্রায় চারশত।
দৈনিক সংগ্রাম জামাতের মুখপত্র। যেখানে দুজন নেতা ছাড়া আর কারো ওয়েজ বোর্ড নেই! যেখানে নেতাদের প্রথম কাজ অন্যের অধিকার নিশ্চিতে সংগ্রাম করা। অধিকার আদায়ে আপোষহীন থাকা, সেখানে নিজের ষোলোআনা যে দুই নেতা বুঝে নিয়ে তুষ্ঠ; সে নেতারা জামাতের পক্ষে সাংবাদিক সমাজের নেতৃত্বে! এসব দেশে-শুনে শয়তান লজ্জা পেলেও তারা ঠিকই বেশ আয়েশে আসে।
অষ্টম আশ্চর্য হলো, মামলার বাদীর কাছে নারী নির্যাতনকারী শহিদুল ইসলাম (জঙ্গি শহিদ)-এর গ্রামের বাড়ি ও ঢাকার বাসার ছিঠকানা চায় পুলিশ। অথচ সে আরামচে প্রতিদিন জাতীয় প্রেসক্লাবে সভা-সমাবেশ ও সেমিনার করে ক্ষমতাসীনদেও চৌদ্দগোষ্ঠী উদ্ধার করছে প্রকাশ্যে। মামলা হওয়ার পর সে ডজনখানেক কর্মসূচি পালন করে অবাধে। এমনকি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় কারাঘাত করে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে নারী নির্যাতনকারী অংশ) ৭৫তম বার্ষিকী পালন করে। স্বাধীন বাংলাদেশে অন্য কোনো সংগঠন আজ পর্যন্ত এরকম দৃষ্টতা দেখায়নি। অথচ গত ডিসেম্বরে তাদের মেয়াদ পার হলেও জামাতের মালপানির কাছে নতি স্বীকার করে ট্রেড ইউনিয়ন তাদের লালন করে আসছে।
নারী নির্যাতনকারী জঙ্গি শহিদকে দেখে জাতীয় প্রেসক্লাবের কুকুরগুলো রাগে-ক্ষোভে ঘেউ ঘেউ করলেও মুক্ত ও স্বাধীন মতবাদে বিশ^াসীরা রহস্যজনক নীরব। তাদের এই নীরবতা নারী প্রতি শ্রদ্ধাশীল সাধারণ সাংবাদিক সমাজকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি একজন নারী, কমিটিতে আরো দুজন নারী প্রতিনিধি আছেন। সর্বোপরি দেশের প্রধানমন্ত্রী নারী, বিরোধী দলীয় নেত্রী নারী ও স্পিকার নারী। দেশে নারীরা যখন বিশ^ নেতৃত্বে তখনও একজন নারী বিচার পাবে না? জাতীয় প্রেসক্লাবে নারী নির্যাতনকারী জামাতিরা কি করে এখনো যায়, আসে, সব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে- সে প্রশ্ন সাধারণ সদস্যদের। তাহলে কি জাতীয় প্রেসক্লাব নারী নির্যাতনকারীর নিরাপদ আশ্রয়স্থল?
এই কমিটিতে এমন একজন আছেন, যিনি তার অসাংবাদিক স্ত্রী, শালী, ভাই, ড্রাইভার, কাজের বুয়াসহ এলাকার অর্ধশতাধিক বাসিন্দাকে ডিইউজের সদস্য বানিয়েছেন। অথচ গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তার নিজেরই সদস্য পদ থকার কথা নয়। কেননা গঠনতন্ত্রের শুরুতেই আছে, ডিইউজের সদস্যের একমাত্র পেশা হবে সাংবাদিকতা। অথচ তিনি আইন পেশায় যুক্ত। সদস্য ঢাকা ও কুমিল্লা বারের। জামাতের এই সুবিধাভোগী প্রায় সব সময় কথায় কথায় বলেন, ‘আল্লার কিরা, এই আমি পশ্চিম দিকে ফিরা কইছি, এটা না করলে আমার মায়ের সঙ্গে জিনা করি!’ আসতাগফিরুল্লাহ। জামাতের চরিত্রের সাথে যা শতভাগ মিলে যায়। অথচ রুচিশীল ভদ্রলোকদের জন্য এগুলো বলা ও লেখাও লজ্জার।
অন্যদিকে ইতিমধ্যে মামলার কারণে আসুদুজজামান বাবুল ওরপে ইয়াবা বাবুল, আজিজুল ইসলাম পাটোয়ারীসহ কয়েকজনের সদস্য পদ বাতিল করা হয়। পাওনা টাকার জন্য একজনের অভিযোগে মীর হোসেন মিরনের সদস্য পদ বাতিল করা হয়। অথচ মীর হোসেন মিরন টাকা পরিশোধ করে আবেদন করার পরও তার সদস্য পদ ফেরত দেওয়া হয়নি। একইভাবে দেওয়া হচ্ছে না রেজাউল করিম রেজাসহ অনেকের সদস্যপদ।
এখন প্রশ্ন হলো, মামলার কারণে অন্যদের সদস্যপদ চলে গেলে নালী নির্যাতনের মামলার আসামি জামাতি জঙ্গি শহিদের সদস্য বহাল থাকে কি করে। আর ঘটনা তো ডিইউজে সংঘটিত হয়। জামাতি টাকার কাছে কি বাস্তব সত্য ও নীতি-আদর্শ হারিয়ে যাবে। ন্যায় বিচার কি পাবে না জেসমীন জুঁই। নারী নেত্রীদের রহস্যজনক নীরবতা হতাশ করছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ^াসীদের। অভিজ্ঞ মহলের মতে, জামাতের টাকার কাছে সবাই জিম্মি? জিম্মি মানবতা ও মনুষত্ব্য। জামাতের জালিয়াতির কাছে সবাই হার মানলে সমাজ ন্যায় বিচার ও মূল্যবোধ রসাতলে যেতে বাধ্য।
জামাতের জাতীয় মিশন : মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ ও পেশাজীবিদের নিজেদের কব্জায় নিতে জামাত এখন মরিয়া। তারা নতুন কৌশলে মাঠে নেমেছে। ইতিমধ্যে তারা শক্তির মহড়া দিতে শুরু করেছে জাতীয় প্রেসক্লাবে। দৈনিক সংগ্রাম, নয়াদিগন্ত, দিগন্ত টিভি ও সাপ্তাহিক সোনার বাংলায় কর্মরত সাংবাদিক তথা ডিইউজের সদস্য তালিকায় স্থান পাওয়া ক্যাডাররা কেন্দ্রের নির্দেশে বেপরোয়া। তারা উদয়-অস্ত টার্গেট করে এখানে অর্থাৎ জাতীয় প্রেসক্লাবে মহড়ার মাধ্যমে তাদের শক্তির জানান দিচ্ছে।
তারা বিএফইউজে, ডিইউজে, জাতীয় প্রেসক্লাব, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন, সাবএডিটর কাউন্সিলসহ দেশব্যাপী পেশাজীবি সংগঠনগুলোকে নিজেদের কব্জায় নিতে বিপুল পরিমাণ জঙ্গি অর্থ বিনিয়োগ করছে। বিএনপিকে কলা দেখিয়ে তারা তৃতীয় শক্তির হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে। অর্থ ছড়িয়ে তারা যতসব ইসলামের নামে সীমাহীন নোংরামী চালিয়ে যাচ্ছে।
বিএনপি ও আওয়ামী লীগের সঙ্গে তারা দুভাবে সম্পর্ক রক্ষা করছে। বিএনপির সঙ্গে প্রকাশ্যে আর আওয়ামী লীগের সঙ্গে পর্দার অন্তরালে। বিএনপির সঙ্গে জামাত নিজে আর আওয়ামী লীগের সঙ্গে করা হয় রুহুল আমিন গাজির মাধ্যমে। রুহুল আমিন গাজির সঙ্গে আওয়ামী ঘরানার পেশাজীবিদের গলায় গলায় পীরিতের কারণে তাকে এ দায়িত্ব দেয়া হয়েছে মর্মে জামাতের একটি সূত্র এ প্রতিবেদককে জানায়। এর মধ্যদিয়েও জামাতের উপরে একটা আর ভিতরে আরেকটা অর্থাৎ দ্বৈত চরিত্র ফুটে ওঠে বারবার। সাপ আর ব্যাঙের গালে সমানভাবে চুমু খাওয়া তাদের চরিত্র।

0Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত ও সর্বস্বত্ত সংরক্ষিত।

Theme Customized By BreakingNews