1. dailyamarsongram71@gmail.com : Abu Yusuf : Abu Yusuf
  2. admin@dailyamarsongram.com : admin :
  3. mdjakir349@gmail.com : Md. Jakir Hossain : Md. Jakir Hossain
  4. akazzad1@gmail.com : Abul Kalam : Abul Kalam
  5. dailyamarsongrambd@gmail.com : Head Office : Head Office

Notice: date_default_timezone_set(): Timezone ID 'UTC+6' is invalid in /home/dailyam2/public_html/wp-content/themes/BreakingNews/header.php on line 77
June 14, 2024, 7:15 pm
শিরোনাম :
মহান বিজয় দিবস ও ও বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে সরোয়ার্দী উদ্যানে আলোচনা সভা। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানজট ভোগান্তিতে যাত্রীরা, নিরসনে ট্রাফিক পুলিশ। দৈনিক আমার সংগ্রাম পত্রিকার সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি রুনা বেগম লাঞ্ছিত প্রবীণ সাংবাদিক নেতার আবেদনগাইবান্ধা প্রেসক্লাব সিলগালা করলো প্রশাসন সড়ক দুর্ঘটনা : আমরা প্রাণের মূল্য বুঝব কবে দুর্নীতিবাজদের প্রতি সামাজিক ঘৃণা জানানোর এখনই সময় অব্যাহতি প্রদান রাজবাড়ীতে পানি উঠছে না টিউবওয়েলে, বিপর্যস্ত জনজীবন শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।  শাহরাস্তি থানা পুলিশের অভিযানে চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য রিপন গ্রেফতার। 

চাঁপাইনবাবগঞ্জে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৬ মেট্রিন টন চাল আত্নসাতের অভিযোগ

  • সময়: Tuesday, October 18, 2022
  • 17 View

রিপন আলী রাজশাহী ব্যুরো।।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির এক ডিলারের বিরুদ্ধে প্রায় ৬ মেট্রিক টনের অধিক চাল আত্নসাতের অভিযোগ উঠেছে। সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের ডিলার মো. সরফরাজের বিরুদ্ধে ১৭১টি কার্ডের চাল তুলে নেয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১৭১টি কার্ডের মধ্যে একবার থেকে সর্বোচ্চ ৯ বার পর্যন্ত চাল পায়নি সুবিধাভোগীরা।

জানা যায়, নিয়ম অনুযায়ী ১৫ টাকা কেজি দরের চাল বিক্রির খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে প্রত্যেক ইউনিয়নে দুই জন করে ডিলার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। মামলা সংক্রান্ত জটিলতার কারনে ঝিলিম ইউনিয়নের একজন ডিলার মো. আব্দুল হামিদের ডিলারশীপ স্থগিত করা হয় ২০২০ সালের আগস্ট মাসে। পরে আব্দুল হামিদের অধীনে থাকা ৭৩৬টি কার্ডসহ পুরো ইউনিয়নের চাল বিক্রির দায়িত্ব দেয়া হয় আরেক ডিলার মো. সরফরাজকে। মামলা সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন হলে ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে পুনরায় ডিলারশীপ ফিরে পান আব্দুল হামিদ।

সরফরাজ আলীর বিরুদ্ধে প্রায় ১ বছর আট মাসে সুবিধাভোগীদের ৬ মেট্রিক টন চাল আত্মসাতের অভিযোগ দিয়েছেন আব্দুল হামিদ। সুবিধাভোগীদের সাথে কথা বলেও এর সত্যতা পাওয়া গেছে। জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন আব্দুল হামিদ।

অভিযোগ ও সুবিধাভোগী সূত্রে জানা যায়, মামলা জটিলতায় ১ বছর ৮ মাস আব্দুল হামিদের অধীনে থাকা ৭৩৬টি কার্ডে চাল বিক্রি করেন মো. সরফরাজ। কিন্তু এই সময়ে ১৭১টি কার্ডের সুবিধাভোগীরা আব্দুল হামিদকে জানান, তারা এই সময়ে একেকজন একাধিকবার চাল পাননি। অথচ নথিপত্রে চাল বিক্রি করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আত্মসাৎ করা চালের বাজারমূল্য ২ লাখ ৫৪ হাজার ৪০০ টাকা।

ঝিলিম ইউনিয়নে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার আব্দুল হামিদ বলেন, আমার মামলা সংক্রান্ত জটিলতায় দেড় বছরের অধিক সময় ডিলারশীপ স্থগিত ছিল। পরে চলতি বছরের এপ্রিলে তা ফিরে পায়। এসময় অনেক সুবিধাভোগী আমার কাছে এসে একাধিকবার চাল না পাওয়ার অভিযোগ করলে তা খতিয়ে দেখি। এতে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। এনিয়ে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রককে লিখিত অভিযোগ দিলেও তা তদন্ত না করে পুনরায় চাল বিক্রির জন্য চাল প্রদান করা হয়েছে। পরে জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। এবিষয়ে সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি জানায়।

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির সুবিধাভোগী তরিকুল ইসলাম জানান, গত ৫ বছর ধরে আমি এই চাল পায়। এখন পর্যন্ত কোনদিন কোন ঝামেলা হয়নি। কোন মাসে চাল পায়নি এমনটা হয়নি। অথচ নতুন ডিলার মো. সরফরাজের সময়ে তিনবার চাল পায়নি। পরে আরেক ডিলার আব্দুল হামিদকে চাল না পাওয়ার কারন জানতে চাইলে তিনি জানান, তোমাদের কার্ডে চাল কেনা হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ১৫ টাকা কেজি দরের চালের এক সুবিধাভোগী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী সমাজের অসহায় দরিদ্র খেটে-খাওয়া দিনমজুর শ্রেণীর মানুষদের মাঝে এই চাল বিক্রি করা হয়। অথচ প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত একটি কর্মসূচিকে কলঙ্কিত করে আমাদের মতো খেয়ে খাওয়া মানুষকে বঞ্চিত করেছেন সরফরাজ। ৪ বার খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল না পাওয়ার অভিযোগ করেন তিনি।

আব্দুর রহিম নামের এক সুবিধাভোগী জানান, আমার মতো আরও কয়েকজন প্রতিবেশী চাল পায়নি। নিতে গেলে ঘুরিয়ে পাঠিয়েছে। অথচ নথিপত্রে দেখানো হয়েছে, চাল বিক্রি করা হয়েছে। আমরা এর একটি সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা চাই।

তবে সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ঝিলিম ইউনিয়নের ডিলার মো. সরফরাজ। তিনি বলেন, আমার সাথে যাদের ষড়যন্ত্র রয়েছে, তারাই এসব মিথ্যা অভিযোগ করে আমাকে হয়রানী করছে। সকল সুবিধাভোগীর মাঝে সুষ্ঠভাবে চাল বিক্রি করা হয়েছে।

এবিষয়ে জেলা প্রশাসক একেএম গালিভ খাঁন বলেন, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল আত্মসাৎ করার কোন সুযোগ নেই। অভিযোগটি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

0Shares

Deprecated: File Theme without comments.php is deprecated since version 3.0.0 with no alternative available. Please include a comments.php template in your theme. in /home/dailyam2/public_html/wp-includes/functions.php on line 6078

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© Daily Amar Songram.
Theme Customized By BreakingNews